বোয়ালখালী প্রতিনিধিঃবোয়ালখালীতে হারাধন চৌধুরী (৫৫) নামের সাবেক ইউপি মেম্বারের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল ১৭ আগষ্ট সকালে উপজেলার কড়লডেঙ্গা এলাকার হারাধন মেম্বার বাড়ীর কাছে পুকুর পাড় থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত হারাধন চৌধুরী উপজেলার আহল্লা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, হারাধন মেম্বার মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। মনসা পুজার প্রস্তুতি চলছে রাতে তিনি বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে পুকুর পাড়ে পুজার ফুল তোলতে গিয়ে স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পায় পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন।
নিহতের মেয়ে পুষ্পিতা চৌধুরী জানান, রাতে ঘর থেকে বাবা বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। রাজনৈতিক মামলার কারণে বাবা প্রায় সময় পুলিশের ভয়ে থাকত।
নিহত হারাধন চৌধুরী উপজেলার উত্তর কড়লডেঙ্গা গ্রামের হরদাশ মাতব্বর বাড়ির মৃত চিন্তাহরণের ছেলে। তার দুই সংসারে ৪ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে। তাঁর প্রথম স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে শহরে থাকেন। গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় স্ত্রী সুপ্রিয়া ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন,। তিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
নিহতের স্ত্রী সুপ্রিয়া চৌধুরী জানান, বুধবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির আশেপাশে তিনটি অটো-রিকশা ঘোরাঘুরি করতে থাকে। তাই তিনি ভয়ে ঘরে না এসে বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে (হারাধন) থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর তিনি ঘরে ফিরে আসেননি।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এব্যাপারে কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বোয়ালখালী প্রতিনিধিঃবোয়ালখালীতে হারাধন চৌধুরী (৫৫) নামের সাবেক ইউপি মেম্বারের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল ১৭ আগষ্ট সকালে উপজেলার কড়লডেঙ্গা এলাকার হারাধন মেম্বার বাড়ীর কাছে পুকুর পাড় থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত হারাধন চৌধুরী উপজেলার আহল্লা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, হারাধন মেম্বার মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। মনসা পুজার প্রস্তুতি চলছে রাতে তিনি বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে পুকুর পাড়ে পুজার ফুল তোলতে গিয়ে স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পায় পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন।
নিহতের মেয়ে পুষ্পিতা চৌধুরী জানান, রাতে ঘর থেকে বাবা বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। রাজনৈতিক মামলার কারণে বাবা প্রায় সময় পুলিশের ভয়ে থাকত।
নিহত হারাধন চৌধুরী উপজেলার উত্তর কড়লডেঙ্গা গ্রামের হরদাশ মাতব্বর বাড়ির মৃত চিন্তাহরণের ছেলে। তার দুই সংসারে ৪ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে। তাঁর প্রথম স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে শহরে থাকেন। গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় স্ত্রী সুপ্রিয়া ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন,। তিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
নিহতের স্ত্রী সুপ্রিয়া চৌধুরী জানান, বুধবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির আশেপাশে তিনটি অটো-রিকশা ঘোরাঘুরি করতে থাকে। তাই তিনি ভয়ে ঘরে না এসে বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে (হারাধন) থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর তিনি ঘরে ফিরে আসেননি।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এব্যাপারে কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।