ক্রাইম প্রতিবেদক: জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণে বাড়ানোর ঘোষণার চট্টগ্রামে পরিবহন খাতে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। নগরীতে কার্যত বাস, হিউম্যান হলারসহ গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ছিল গতকাল শনিবার অর্ধবেলা। সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ যেসব গাড়ি চলছে, ভাড়া হাঁকাচ্ছিল দ্বিগুণেরও বেশি। সকালে কর্মস্থলে যেতে লোকজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ির দেখা না পেয়ে অনেকে হেঁটেই রওনা দেন গন্তব্যে। এদিকে দুপুরে গণপরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পরিবহন মালিক সমিতি।আজ শনিবার ০৬ আগস্ট দুপুর পৌনে ২টার দিকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন।
এদিকে সকাল থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে মহানগরীতে বাস চলাচলও অনেক কমে যেতে দেখা যায়। অল্পসংখ্যক বাস চলাচল করলেও ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে এসব বাস নগরীতে পৌঁছার পর কিংবা নগরী ছেড়ে যাওয়ার সময় বিভিন্নস্থানে শ্রমিকরা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
এর আগে গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসে। ডিজেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা, অকটেনের দাম লিটারে ৪৬ টাকা আর পেট্রোলের দাম লিটারে ৪৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে ১১৪ টাকা লাগছে। এক লিটার অকটেনের জন্য দিতে হচ্ছে ১৩৫ টাকা। আর প্রতি লিটার পেট্টোলের দাম পড়ছে ১৩০ টাকা।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপ রাতেই জানিয়েছিল, গতকাল শনিবার সকাল থেকে মহানগরীতে তারা গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখবে। তবে তারা আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি।
পরিবহন মালিক গ্রুপের এ সিদ্ধান্তের পর পরও ভোরের দিকে কিছু বাস, টেম্পু নগরীতে বের হতে দেখা যায়। কিন্তু নগরীর ইপিজেড এলাকা, টাইগার পাস, এ কে খান মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে যানবাহন চলাচলে বাধা দেয় শ্রমিক নামধারী কিছু লোক। এর ফলে সকাল হতেই গণপরিবহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে অফিস ও কলকারখানাগামী মানুষকে বিপাকে পড়তে হয়েছে।
এদিকে গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বাস নগরী ছাড়ার সময় বহদ্দারহাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় বাধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ গিয়ে বাসগুলো রাউজানে চুয়েট ক্যাম্পাসে যাবার ব্যবস্থা করে।
তবে গতকাল শনিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে করে আমরা চট্টগ্রামের সকল বাস চালকদের অনুরোধ করেছি গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামার জন্য। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে বৈঠকে বসবে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। এরপর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্তে যাবো।
তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে চট্টগ্রামের পেট্টোল পাম্পগুলোতে ভিড়: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভীড় করেন অনেকে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তেলের মূল্য বৃদ্ধির খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পেট্রোল পাম্পগুলোতে এভাবে ভিড় করে মোটরসাইকেল চালকরা।
রাত ১১টার পর জেলা কয়েকটি পাম্প ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি পাম্পে কয়েক শ মোটরসাইকেল তেলের জন্য অপেক্ষমাণ। গাড়ির লাইন পাম্প এরিয়া শেষ হয়ে সড়ক পর্যন্ত আসায় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, শনিবার রাত ১২টা থেকে ডিজেল, পেট্টোল ও অকটেনের দাম বৃদ্ধি কার্যকর হওয়ার খবর পেয়ে এবাবে ভিড় দেখা গেছে। তবে একটি মোটরসাইকেলে ৩০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হয়নি। চাহিদা অনুযায়ী তেল নিতে না পেরে হতাশ গ্রাহকেরা।

ক্রাইম প্রতিবেদক: জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণে বাড়ানোর ঘোষণার চট্টগ্রামে পরিবহন খাতে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। নগরীতে কার্যত বাস, হিউম্যান হলারসহ গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ছিল গতকাল শনিবার অর্ধবেলা। সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ যেসব গাড়ি চলছে, ভাড়া হাঁকাচ্ছিল দ্বিগুণেরও বেশি। সকালে কর্মস্থলে যেতে লোকজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ির দেখা না পেয়ে অনেকে হেঁটেই রওনা দেন গন্তব্যে। এদিকে দুপুরে গণপরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পরিবহন মালিক সমিতি।আজ শনিবার ০৬ আগস্ট দুপুর পৌনে ২টার দিকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন।
এদিকে সকাল থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে মহানগরীতে বাস চলাচলও অনেক কমে যেতে দেখা যায়। অল্পসংখ্যক বাস চলাচল করলেও ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে এসব বাস নগরীতে পৌঁছার পর কিংবা নগরী ছেড়ে যাওয়ার সময় বিভিন্নস্থানে শ্রমিকরা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
এর আগে গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসে। ডিজেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা, অকটেনের দাম লিটারে ৪৬ টাকা আর পেট্রোলের দাম লিটারে ৪৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে ১১৪ টাকা লাগছে। এক লিটার অকটেনের জন্য দিতে হচ্ছে ১৩৫ টাকা। আর প্রতি লিটার পেট্টোলের দাম পড়ছে ১৩০ টাকা।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপ রাতেই জানিয়েছিল, গতকাল শনিবার সকাল থেকে মহানগরীতে তারা গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখবে। তবে তারা আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি।
পরিবহন মালিক গ্রুপের এ সিদ্ধান্তের পর পরও ভোরের দিকে কিছু বাস, টেম্পু নগরীতে বের হতে দেখা যায়। কিন্তু নগরীর ইপিজেড এলাকা, টাইগার পাস, এ কে খান মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে যানবাহন চলাচলে বাধা দেয় শ্রমিক নামধারী কিছু লোক। এর ফলে সকাল হতেই গণপরিবহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে অফিস ও কলকারখানাগামী মানুষকে বিপাকে পড়তে হয়েছে।
এদিকে গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বাস নগরী ছাড়ার সময় বহদ্দারহাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় বাধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ গিয়ে বাসগুলো রাউজানে চুয়েট ক্যাম্পাসে যাবার ব্যবস্থা করে।
তবে গতকাল শনিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে করে আমরা চট্টগ্রামের সকল বাস চালকদের অনুরোধ করেছি গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামার জন্য। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে বৈঠকে বসবে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। এরপর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্তে যাবো।
তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে চট্টগ্রামের পেট্টোল পাম্পগুলোতে ভিড়: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভীড় করেন অনেকে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তেলের মূল্য বৃদ্ধির খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পেট্রোল পাম্পগুলোতে এভাবে ভিড় করে মোটরসাইকেল চালকরা।
রাত ১১টার পর জেলা কয়েকটি পাম্প ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি পাম্পে কয়েক শ মোটরসাইকেল তেলের জন্য অপেক্ষমাণ। গাড়ির লাইন পাম্প এরিয়া শেষ হয়ে সড়ক পর্যন্ত আসায় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, শনিবার রাত ১২টা থেকে ডিজেল, পেট্টোল ও অকটেনের দাম বৃদ্ধি কার্যকর হওয়ার খবর পেয়ে এবাবে ভিড় দেখা গেছে। তবে একটি মোটরসাইকেলে ৩০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হয়নি। চাহিদা অনুযায়ী তেল নিতে না পেরে হতাশ গ্রাহকেরা।