দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে নয়টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট প্রায় ৯ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল উৎপাদন ইউনিট বা বয়লারে কোনো ক্ষতি হয়নি। বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে। এমনটি জানিয়েছেন মহেশখালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার রাত নয়টার দিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অভ্যন্তরে অবস্থিত স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে। খবর পেয়ে মহেশখালী, চকরিয়া ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটসহ মোট ছয়টি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলবাহিনীর একাধিক ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমের সংশ্লিষ্টরা জানান, আগুনে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনায় তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে, যা আগুনের সঠিক কারণ নির্ধারণ করবে।

মহেশখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে পথশিশুর দৌরাত্মের কারণে আগুন লেগেছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডটি কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে, পুকুর সদৃশ একটি কাঠামোর মধ্যে অবস্থিত। এখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন অব্যবহৃত যন্ত্রাংশ ও সামগ্রী সংরক্ষণ করা হতো। স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডটি মূল উৎপাদন বয়লার এলাকা থেকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ দূরত্বে রয়েছে।

ইউএনও ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে নয়টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট প্রায় ৯ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল উৎপাদন ইউনিট বা বয়লারে কোনো ক্ষতি হয়নি। বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে। এমনটি জানিয়েছেন মহেশখালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার রাত নয়টার দিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অভ্যন্তরে অবস্থিত স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে। খবর পেয়ে মহেশখালী, চকরিয়া ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটসহ মোট ছয়টি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলবাহিনীর একাধিক ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমের সংশ্লিষ্টরা জানান, আগুনে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনায় তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে, যা আগুনের সঠিক কারণ নির্ধারণ করবে।

মহেশখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে পথশিশুর দৌরাত্মের কারণে আগুন লেগেছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডটি কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে, পুকুর সদৃশ একটি কাঠামোর মধ্যে অবস্থিত। এখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন অব্যবহৃত যন্ত্রাংশ ও সামগ্রী সংরক্ষণ করা হতো। স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডটি মূল উৎপাদন বয়লার এলাকা থেকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ দূরত্বে রয়েছে।

ইউএনও ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।