বশির আহাম্মদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:  পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেছেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে বিভিন্ন পদে নিয়োগে চরম বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে।

, জেলা পরিষদের নিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসন করা হলে এর বিরুদ্ধে বঞ্চিত মানুষকে নিয়ে কঠোর আন্দোলন করা হবে। প্রয়োজনে জেলা পরিষদে অবস্থান নিয়ে সব অচল করে দেয়ার কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

কাজী মজিবর রহমান বলেন, সম্প্রতি বান্দরবান জেলা পরিষদে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের রাজস্ব খাতভুক্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে বাঙালি জনগোষ্ঠি হতে শুধুমাত্র ১০ থেকে ১২ শতাংশ লোক নিয়োগ দেয়া হয়। এতে করে বাঙালি ছেলেমেয়েদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দানা বেঁধে উঠেছে। কাজী মজিব অবিলম্বে পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, প্রতিহিংসা, সাম্প্রদায়িক এবং বৈষম্যমূলক নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে জনসংখ্যা ভিত্তিক সরকারি চাকরি সমবন্টন করে শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারী নিয়োগের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

এদিকে এসব বিষয়ে আজ বুধবার সকালে বান্দরবান শহরের একটি রেস্টুরেন্টে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) জেলা শাখা সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য জেলা পরিষদে বিভিন্ন পদে নিয়োগে বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তোলা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন পিসিএনপি এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান।

লিখিত বক্তব্যে কাজী মজিব বলেন, জেলা পরিষদ দেশের সংবিধান, নির্দেশনা ও সকল ধরনের আইন কানুন লঙ্ঘন করে পরিষদ কর্তৃপক্ষ আত্মীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, প্রতিহিংসা এবং সাম্প্রদায়িকতার মাধ্যমে বাঙালি ছেলেমেয়েদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে বঞ্চিত করা হয়। আর একতরফাভাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি (পাহাড়ি) ছেলেমেয়েদের জেলা পরিষদের ন্যাস্ত বিভাগসমূহে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ করা হচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে কাজী মজিব আরও বলেন, নিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঙালিরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। শুধু অন্য বাঙালি নয়, মারমা ছাড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠিও নিয়োগের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

। কাজী মজিব বলেন, জেলা পরিষদের এসব বৈষম্য নিরসন করা না জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সহসভাপতি রুহুল আমীন, মো, আলম ও মাওলানা আবুল কালাম এবং পৌর সভাপতি মো. শামসুল হক। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী এবং পার্বত্য মন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেয়া হয়।

বশির আহাম্মদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:  পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেছেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে বিভিন্ন পদে নিয়োগে চরম বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে।

, জেলা পরিষদের নিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসন করা হলে এর বিরুদ্ধে বঞ্চিত মানুষকে নিয়ে কঠোর আন্দোলন করা হবে। প্রয়োজনে জেলা পরিষদে অবস্থান নিয়ে সব অচল করে দেয়ার কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

কাজী মজিবর রহমান বলেন, সম্প্রতি বান্দরবান জেলা পরিষদে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের রাজস্ব খাতভুক্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে বাঙালি জনগোষ্ঠি হতে শুধুমাত্র ১০ থেকে ১২ শতাংশ লোক নিয়োগ দেয়া হয়। এতে করে বাঙালি ছেলেমেয়েদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দানা বেঁধে উঠেছে। কাজী মজিব অবিলম্বে পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, প্রতিহিংসা, সাম্প্রদায়িক এবং বৈষম্যমূলক নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে জনসংখ্যা ভিত্তিক সরকারি চাকরি সমবন্টন করে শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারী নিয়োগের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

এদিকে এসব বিষয়ে আজ বুধবার সকালে বান্দরবান শহরের একটি রেস্টুরেন্টে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) জেলা শাখা সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য জেলা পরিষদে বিভিন্ন পদে নিয়োগে বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তোলা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন পিসিএনপি এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান।

লিখিত বক্তব্যে কাজী মজিব বলেন, জেলা পরিষদ দেশের সংবিধান, নির্দেশনা ও সকল ধরনের আইন কানুন লঙ্ঘন করে পরিষদ কর্তৃপক্ষ আত্মীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, প্রতিহিংসা এবং সাম্প্রদায়িকতার মাধ্যমে বাঙালি ছেলেমেয়েদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে বঞ্চিত করা হয়। আর একতরফাভাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি (পাহাড়ি) ছেলেমেয়েদের জেলা পরিষদের ন্যাস্ত বিভাগসমূহে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ করা হচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে কাজী মজিব আরও বলেন, নিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঙালিরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। শুধু অন্য বাঙালি নয়, মারমা ছাড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠিও নিয়োগের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

। কাজী মজিব বলেন, জেলা পরিষদের এসব বৈষম্য নিরসন করা না জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সহসভাপতি রুহুল আমীন, মো, আলম ও মাওলানা আবুল কালাম এবং পৌর সভাপতি মো. শামসুল হক। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী এবং পার্বত্য মন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেয়া হয়।