ক্রাইম প্রতিবেদক: সাতকানিয়ার কাঞ্চনায় পিংকি দাশের হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন চলাকালে ব্যানারে মায়ের ছবি দেখে নিহত পিংকি দাশের অবুঝ শিশু অপসরা (৭) ও অরজুন (৬) কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের কান্নায় আকাশ, বাতাস ভারী হয়ে উঠে। তাদের হৃদয় বিদারক কান্নায় মানববন্ধনে অংশ নেয়া সকলের চোখে পানি যেন চলচল করেছে।মানববন্ধনে শিশু অপসরা ও অরজুন কান্না বিজড়িত কণ্ঠে মায়ের হত্যাকারীদের বিচার দাবী করেন। আজ বুধবার ০৬ জুলাই সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে সাতকানিয়া কাঞ্চনা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা স্বামী অলক দাশ ও তার ভগ্নিপতি শিমুল দাশ, বোন মুন্নি দাশ এবং সন্তোষ দত্ত কর্তৃক নির্মমভাবে হত্যাকান্ডের শিকার পিংকি দাশ হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করেন পটিয়া নাগরিক কমিটি।

ব্যানারে মায়ের ছবি জড়িয়ে ধরে তারা বলেন, মা আস আমরা বাড়ী যায়, ও মা তুমি আমাদের সাথে যাবে না, আমাদের আদর করবে না, আমাদের ভাত খাওয়াবে না! এমন কথা গুলো সবার হৃদয় কেড়ে নেয়।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দাদু রতন বিশ্বাস, শুভ্রত কানুনগো, লোকমান হোসেন বাপ্পা, ভাই দিপংকর বিশ্বাস, দুলাল বিশ্বাস, মানুশুকলা দাশ, চন্দন শুকলা দাশ, সপ্না বিশ্বাস, শান্তা বিশ্বাস, গৌরি বিশ্বাস, মিরা বিশ্বাস, টুনু চক্রবর্তী, লিপি চক্রবর্তী, জুয়েল দত্ত প্রমুখ।

গত ২৫ জুন বিকালে পিংকি দাশকে তার স্বামী অলক দাশ, বোন মুন্নি দাশ, ভগ্নিপতি শিমুল দাস এবং সন্তোষ দত্ত মিলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে নির্মমভাবে নিজ গৃহে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করে তারা। আমার বোনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন আমরা দেখেছি এছাড়াও ফাঁসি খেয়ে আত্মহত্যা করেছে বললেও আমার বোনকে পুলিশ কিংবা কোন আত্মীয় স্বজন ফাঁসিতে ঝুঁলানো অবস্থায় দেখেনি। মুখে কিংবা গলায় ফাঁসিতে আত্মহত্যার আলামতও পাওয়া যায়নি বলে দাবী করেন নিহতের ভাই দিপংকর বিশ্বাস।

মানববন্ধনে দিপংকর বিশ্বাস বলেন, আমার বোনকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতো স্বামী অলক দাশ, বিয়ের পর থেকে সব সময় বোনকে জ্বালাতন করতো অলকের বোন মুন্নি দাশ ও ভগ্নিপতি শিমুল বিশ্বাস। বোনের সুখের জন্য বিভিন্ন সময় নগর অর্থদিয়েও অলককে সহযোগিতা করেছি। আমাদের টাকা দিয়ে বোনের জামাইকে বিদেশে পাঠিয়েছি।

তিনি বলেন, অলক দাশ ভারতের বারশাতে রুমকী দে নামক এক নারীর সাথে পরকীয়া রয়েছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ১১বছর আগে আমার বোনের সাথে অলক দাশের বিয়ে হয়। গত দুই মাসে আগে কাঁঠালের পাতা খাওয়ার সময় ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে ফাঁস খেয়ে একটি ছাগলের মৃত্যু হয়। ননদের কথা মতো শাশুড়ীকে না জানিয়ে ছাগলটি কেটে ফেলা হয়। অপরাধ ছিল এতটুকুই। এরপর থেকেই শুরু হয় তার বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। দেড় মাস আগে স্থানীয় চার নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সন্তোষ দত্ত পিংকিকে যৌন নির্যাতন করায় তার বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাতকানিয়া থানায় মামলা রুজু করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে পিংকিকে অপবাদ দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।

উল্লেখ্য যে, উপরোক্ত মামলা প্রত্যাহার এবং ২টি লিখিত ও ৩টি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দেয়ার জন্য অভিযুক্তরা পিংকিকে চাপ দেয়। পিংকি উক্ত মামলা প্রত্যাহার ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর না করায় অলক দাশ, মুন্নি দাশ, শিমুল দাশ ও সন্তোষ দত্ত মিলে পিংকিকে হত্যা করে বলে জানান দিপংকর বিশ্বাস।

ক্রাইম প্রতিবেদক: সাতকানিয়ার কাঞ্চনায় পিংকি দাশের হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন চলাকালে ব্যানারে মায়ের ছবি দেখে নিহত পিংকি দাশের অবুঝ শিশু অপসরা (৭) ও অরজুন (৬) কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের কান্নায় আকাশ, বাতাস ভারী হয়ে উঠে। তাদের হৃদয় বিদারক কান্নায় মানববন্ধনে অংশ নেয়া সকলের চোখে পানি যেন চলচল করেছে।মানববন্ধনে শিশু অপসরা ও অরজুন কান্না বিজড়িত কণ্ঠে মায়ের হত্যাকারীদের বিচার দাবী করেন। আজ বুধবার ০৬ জুলাই সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে সাতকানিয়া কাঞ্চনা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা স্বামী অলক দাশ ও তার ভগ্নিপতি শিমুল দাশ, বোন মুন্নি দাশ এবং সন্তোষ দত্ত কর্তৃক নির্মমভাবে হত্যাকান্ডের শিকার পিংকি দাশ হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করেন পটিয়া নাগরিক কমিটি।

ব্যানারে মায়ের ছবি জড়িয়ে ধরে তারা বলেন, মা আস আমরা বাড়ী যায়, ও মা তুমি আমাদের সাথে যাবে না, আমাদের আদর করবে না, আমাদের ভাত খাওয়াবে না! এমন কথা গুলো সবার হৃদয় কেড়ে নেয়।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দাদু রতন বিশ্বাস, শুভ্রত কানুনগো, লোকমান হোসেন বাপ্পা, ভাই দিপংকর বিশ্বাস, দুলাল বিশ্বাস, মানুশুকলা দাশ, চন্দন শুকলা দাশ, সপ্না বিশ্বাস, শান্তা বিশ্বাস, গৌরি বিশ্বাস, মিরা বিশ্বাস, টুনু চক্রবর্তী, লিপি চক্রবর্তী, জুয়েল দত্ত প্রমুখ।

গত ২৫ জুন বিকালে পিংকি দাশকে তার স্বামী অলক দাশ, বোন মুন্নি দাশ, ভগ্নিপতি শিমুল দাস এবং সন্তোষ দত্ত মিলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে নির্মমভাবে নিজ গৃহে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করে তারা। আমার বোনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন আমরা দেখেছি এছাড়াও ফাঁসি খেয়ে আত্মহত্যা করেছে বললেও আমার বোনকে পুলিশ কিংবা কোন আত্মীয় স্বজন ফাঁসিতে ঝুঁলানো অবস্থায় দেখেনি। মুখে কিংবা গলায় ফাঁসিতে আত্মহত্যার আলামতও পাওয়া যায়নি বলে দাবী করেন নিহতের ভাই দিপংকর বিশ্বাস।

মানববন্ধনে দিপংকর বিশ্বাস বলেন, আমার বোনকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতো স্বামী অলক দাশ, বিয়ের পর থেকে সব সময় বোনকে জ্বালাতন করতো অলকের বোন মুন্নি দাশ ও ভগ্নিপতি শিমুল বিশ্বাস। বোনের সুখের জন্য বিভিন্ন সময় নগর অর্থদিয়েও অলককে সহযোগিতা করেছি। আমাদের টাকা দিয়ে বোনের জামাইকে বিদেশে পাঠিয়েছি।

তিনি বলেন, অলক দাশ ভারতের বারশাতে রুমকী দে নামক এক নারীর সাথে পরকীয়া রয়েছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ১১বছর আগে আমার বোনের সাথে অলক দাশের বিয়ে হয়। গত দুই মাসে আগে কাঁঠালের পাতা খাওয়ার সময় ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে ফাঁস খেয়ে একটি ছাগলের মৃত্যু হয়। ননদের কথা মতো শাশুড়ীকে না জানিয়ে ছাগলটি কেটে ফেলা হয়। অপরাধ ছিল এতটুকুই। এরপর থেকেই শুরু হয় তার বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। দেড় মাস আগে স্থানীয় চার নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সন্তোষ দত্ত পিংকিকে যৌন নির্যাতন করায় তার বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাতকানিয়া থানায় মামলা রুজু করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে পিংকিকে অপবাদ দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।

উল্লেখ্য যে, উপরোক্ত মামলা প্রত্যাহার এবং ২টি লিখিত ও ৩টি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দেয়ার জন্য অভিযুক্তরা পিংকিকে চাপ দেয়। পিংকি উক্ত মামলা প্রত্যাহার ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর না করায় অলক দাশ, মুন্নি দাশ, শিমুল দাশ ও সন্তোষ দত্ত মিলে পিংকিকে হত্যা করে বলে জানান দিপংকর বিশ্বাস।