লোহাগাড়া প্রতিনিধি: মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল আযাহা। চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষিত তারিখ মতে চলতি জুলাই মাসের ১০ তারিখ উদ্যাপন করা হবে এ ঈদ-উল আযাহা। এ উপলক্ষে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ১৬ হাট-বাজারে বেচা-কেনা হবে কোরবানীর পশু। এরমধ্যে অস্থায়ী পশুর হাট ১৫টি। লোহাগাড়ায় বর্তমানে ১টি মাত্র হাটে (পদুয়া তেওয়ারীহাট) সপ্তাহে দু’বার নিয়মিত পশু বেচা-কেনা হয়। অপর ১৫ হাট বাজারে শুধুমাত্র কোরবানী উপলক্ষে পশু বেচা-কেনা হয়ে থাকে।
লোহাগাড়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ.এম.খালেকুজ্জামান জানান, এখানে অনলাইনেও কোরবানীর পশুর বেচা-কেনার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরো জানান, কোরবানীর পশুর ১৬ হাট বাজারের মধ্যে ৬ হাট বাজারের জন্য ২টি মনিটরিং টিম কাজ করবেন। এই ২টি টিম ভেটেরিনারি পরিদর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। পশু বেচা-কেনার ১৬টি হাটবাজারের মধ্যে রয়েছে বড়হাতিয়ায় সেনেরহাট, মনুফকির হাট, মগদিঘীহাট, পদুয়া তেওয়ারীহাট, চরম্বা নাফারটিলা চৌমুহনী বাজার, চরম্বা নয়াহাট, কলাউজান বাংলা বাজার, কানুরাম বাজার, হিন্দুহাট, লোহাগাড়া দরবেশহাট, আধুনগর খাঁনহাট, হাতিয়ারকূল বাজার, চুনতি ডেপুটি বাজার, পুটিবিলা এমচরহাট, গৌরস্থান নয়াহাট ও আমিরাবাদ মাষ্টারহাট।
পদুয়া তেওয়ারীহাটের ইজারাদার মো. আলমগীর জানান, এ পশুর হাটে সপ্তাহে ২দিন নিয়মিত ভাবে পশু বেচা-কেনা হয়। ইজারাখাতে আদায় করা হয় বিক্রিত পশুর প্রতি ১শ টাকায় ৩টাকা হারে। তবে অনেক সময় বিক্রেতারা উক্ত নিয়মের চেয়ে কম দিয়ে থাকেন। সংশ্লিষ্ট এক সূত্র মতে, উপজেলার অপর ১৫টি হাট-বাজারে শুধুমাত্র কোরবানী উপলক্ষে পশু বেচা-কেনা হয়। এ ১৫হাট বাজারে পশু বিক্রির ক্ষেত্রে ইজারা আদায়ের কোন নিয়মনীতি নেই। ইজারাদাররাই, ইজারার অর্থ আদায়ের হার নির্ধারণ করে থাকেন। ওইসব হাট-বাজারে ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে কোনবানীর পশুর হাটের কোন ইজারার দরপত্র আহ্বান করা হয় না বলে জানা গেছে। সচেতন মহলের মতে যে ১৫টি হাটবাজারে শুধুমাত্র কোনবানীর পশু বেচা-কেনা হয় সেসব ইজারার দরপত্র আহ্বান করা উচিত।



