নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার পূর্বধলায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সুজল মিয়া (১৯) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনসহ পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভিকটিমের মা বাদী হয়ে গত রবিবার রাতে পূর্বধলা থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। গতকাল সোমবার দুপুরে ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক সুজল মিয়া উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের দেবকান্দা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ঐ ছাত্রী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে সুজল তাকে প্রায়শই প্রেম নিবেদন করত। এক পর্যায়ে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সুজল। সম্প্রতি বেড়ানোর কথা বলে তাকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন সুজল। পরবর্তী সময়ে আবারও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তাকে প্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজি না হওয়ায় আগের ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী বিষয়টি জানতে পেরে তা তার মাকে জানায়।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আসামিকে ধরতে পুলিশ তৎপর আছে।

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার পূর্বধলায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সুজল মিয়া (১৯) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনসহ পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভিকটিমের মা বাদী হয়ে গত রবিবার রাতে পূর্বধলা থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। গতকাল সোমবার দুপুরে ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক সুজল মিয়া উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের দেবকান্দা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ঐ ছাত্রী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে সুজল তাকে প্রায়শই প্রেম নিবেদন করত। এক পর্যায়ে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সুজল। সম্প্রতি বেড়ানোর কথা বলে তাকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন সুজল। পরবর্তী সময়ে আবারও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তাকে প্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজি না হওয়ায় আগের ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী বিষয়টি জানতে পেরে তা তার মাকে জানায়।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আসামিকে ধরতে পুলিশ তৎপর আছে।