ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় গোয়েন্দা প্রধান মোঃ আবুল হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ- কমিশনার আমেদ আলী, চট্টগ্রাম জেলা উপ-পরিচালক মুকুল জ্যোতি চাকমা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর লুৎফুন্নাহার দোভাষ বেবী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম নাসিরুল হক, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র ও চট্টগ্রাম ইউমেন চেম্বারস অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট রেখা আলম চৌধুরী, এডাব চট্টগ্রামের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, আনসার ভিডিপির সার্কেল অ্যাডজুটেন্ট মোঃ আলাউদ্দীন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার আবদুল হান্নান।
ক্যাব চট্টগ্রাম এর সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরীর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশনেন স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট এর কর্মসূচি সমন্বয়কারী চন্দন লাহড়ী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আবিদা আজাদ ও আনজুমান আরা বেগম, বনফুলের নির্বাহী পরিচালক রেজিয়া বেগম, নারী উদ্যোক্তা নার্গিস আকতার নীরা, ভেজিটেবল এক্সপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ আবদুল মান্নান, নারী নেত্রী ঝর্না বড়ুয়া, রুবি খান, ক্যাব বন্দরের আলমগীর বাদশা, দৈনিক পূর্বদেশ এর নিজস্ব প্রতিনিধি এম এ হোসেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের ব্যুরো প্রধান কমল চক্রবর্তী, কলামিস্ট মুসা খান, সমাজ কর্মী হারুন গফুর ভুইয়া ও শাহীন চৌধুরী, ক্যাব যুব গ্রুপের সদস্য আবু হানিফ নোমান, নারী নেত্রী শাহীন শিরিন, ক্যাব মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, হালিশহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এমদাদুল হক সৈকত, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ জানে আলম, প্রশান্তি মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মোঃ শাহজাহান, পার্কের নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম মান্না প্রমুখ।
কর্মশালায় বক্তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সক্ষমতাবৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারের বিজিবি, আনসার, পুলিশ, স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের অধিকতর সমন্বয় জোরদার করা উচিত। মাদক কারবারীরা যেন রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষতায় যেন মামলা থেকে রেহাই না পান ও সামাজিকভাবে পুর্নবাসিত না হন এ জন্য সরকারকে বিশেষভাবে উদ্যোগী হবার আহবান জানান। স্থানীয় আইন শৃংখলাবাহিনী যাতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্বপালন করতে পারেন সেজন্য পরিবেশ নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়। একই সাথে মাদক নির্মূলে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ একাজে নিয়োজিত সরকারী-বেসরকারী সংস্থার কাযক্রমকে নাগরিক পরীবিক্ষনের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়। তরুন জনগোষ্ঠিকে মাদক নির্মূলে সম্পৃক্ত করা, তৃণমূল পর্যায়ে বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশী করে মাদকবিরোধী প্রচারভিযানে সম্পৃক্ত করার সুপারিশ করা হয়।




