দক্ষিণ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চন্দনাইশে ছাত্রলীগ কর্মী খুনের হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। আজ শুক্রবার (২০ মে ) রাত ৮টায় হত্যার শিকার ছাত্রলীগ কর্মী জাহেদুল আলম (১৭), এর পিতা: জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত জাহেদুল আলম গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজের ১ম বর্ষের অধ্যায়নরত ছাত্র। সে এলাকার দীর্ঘদিন যাবৎ নব্য মাদক ব্যবসায়ী ও খারাপ প্রকৃতির কাজে লিপ্ত ও বিপদগামী ছেলেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিল। মদ বিক্রয় এবং খারাপ প্রকৃতির লোকজন জাহেদুল আলম কর্তৃক বাধাগ্রস্থ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা কান্ডের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
ঘটনার দিন উপজেলার পৌরসভাস্থ ৬নং ওয়ার্ডে কুলুইম্মা পাড়াস্থ গিয়াস উদ্দীন জাহেদুল আলমকে দাওয়াত দিলে, তার দুই বন্ধু রায়হান হোসেন সানি, ইয়াছিন আরফাত সাগরকে নিয়ে দাওয়াত খেতে যাওয়ার পথে ৬নং ওয়ার্ড কুলুইম্মা পাড়া ব্রিজের উপর পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা আট দশ জনের কিশোর গংয়ের একটি দল তাদের বহনকারী সিএনজি থামিয়ে এলোপাতারি চুরিকাঘাত করেন।
এসময় তারা মারাত্মক আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শোর চিৎকার করলে স্থানীয়রা ঘটানাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে চন্দনাইশ হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার দিন রাত ১১টার সময় জাহেদুল আলমকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
এ রিপোট লেখা পর্যন্ত অপর দুইজন মৃত্যুর সাথে পাঞ্চা লড়ছে। জাহেদুল আলম উপজেলার পৌরসভাস্থ ৭নং ওয়ার্ডে চৌধুরী পাড়ার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে ৭জনকে এজাহার নামীয় আসামী অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় ( মামলা নং ১৫ তা ২০/৫/ ২০২২) ।
আসামী গ্রেপ্তারের সুবিধাত্বে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন আসামীদের নাম প্রকাশে অপারাগতা প্রকাশ করেন। তবে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান সার্বক্ষণিক অব্যাহত আছে।




