দি ক্রাইম ডেস্ক: নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে (২০) ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তার খালাতো ভাই আমির মুন্সীকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে লিখিত এজাহার দায়েরের মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে কালিয়া থানা পুলিশ। অভিযুক্ত আমির মুন্সী কালিয়া উপজেলার রাজাপুর গ্রামের সিদ্দিক মুন্সীর ছেলে।

মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী রাজাপুর গ্রামে তার বড় বোনের বাড়িতে থাকতেন। জীবিকার প্রয়োজনে বড় বোন প্রতিদিন তেরখাদায় সেলাইয়ের কাজ করতে যান এবং একমাত্র ভাগনেও দিনের বেলায় স্কুলে থাকে। ফলে দিনের বড় একটি সময় বাড়িটিতে একাই থাকতেন ওই তরুণী। এ সুযোগে তরুণীর খালাতো ভাই তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

সর্বশেষ গত ২১ আগস্ট সকালে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে আমির মুন্সী আবারও ওই তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় অভিযুক্তের চাচি ঘটনাটি দেখে ফেলেন এবং ভুক্তভোগীর বড় বোনকে বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি অবগত হন।

ভুক্তভোগীর বড় বোন বলেন, ‘আমার বোন কথা বলতে পারে না বলে এতদিন এই পাশবিক নির্যাতনের কথা কাউকে জানাতে পারেনি। একজন বোন হিসেবে আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইদ্রিস আলী জানান, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’

দি ক্রাইম ডেস্ক: নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে (২০) ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তার খালাতো ভাই আমির মুন্সীকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে লিখিত এজাহার দায়েরের মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে কালিয়া থানা পুলিশ। অভিযুক্ত আমির মুন্সী কালিয়া উপজেলার রাজাপুর গ্রামের সিদ্দিক মুন্সীর ছেলে।

মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী রাজাপুর গ্রামে তার বড় বোনের বাড়িতে থাকতেন। জীবিকার প্রয়োজনে বড় বোন প্রতিদিন তেরখাদায় সেলাইয়ের কাজ করতে যান এবং একমাত্র ভাগনেও দিনের বেলায় স্কুলে থাকে। ফলে দিনের বড় একটি সময় বাড়িটিতে একাই থাকতেন ওই তরুণী। এ সুযোগে তরুণীর খালাতো ভাই তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

সর্বশেষ গত ২১ আগস্ট সকালে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে আমির মুন্সী আবারও ওই তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় অভিযুক্তের চাচি ঘটনাটি দেখে ফেলেন এবং ভুক্তভোগীর বড় বোনকে বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি অবগত হন।

ভুক্তভোগীর বড় বোন বলেন, ‘আমার বোন কথা বলতে পারে না বলে এতদিন এই পাশবিক নির্যাতনের কথা কাউকে জানাতে পারেনি। একজন বোন হিসেবে আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইদ্রিস আলী জানান, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’