সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও : কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইড সোল্ডার (রাস্তার পাশ) একাধিক জায়গায় সংস্কার না করায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এদিকে যানবাহনের চাপে পড়ে ছোটবড় সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে পথচারী ওন যানবাহন চালকদের। এ বিষয়ে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
জানা গেছে, কক্সবাজার-চট্টগ্রামন মহাসড়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই মহাসড়ক দিয়েই কক্সবাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও লক্ষাধিক যাত্রী যাতায়াত করেন। জনবহুল সড়কটির অধিকাংশ স্থানে বিশেষ করে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালী থেকে নতুন অফিস বাজার পর্যন্ত কোথাও সাইড সোল্ডার না থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই সড়কের নাপিতখালী-নতুন অফিস ষ্টেশনে সাইড সোল্ডার নেই বা থাকলেও তা পাহাড়ি মাটি-বালিতে ঢেকে গেছে। আবার যে সমস্ত স্থানে সাইড সোল্ডার আছে সেখান দিয়ে পথচারীও চলাচল করা খুব কঠিন। কিছু কিছু জায়গায় মূল সড়ক হতে সাইড সোল্ডার কোথাও আধাফুট আবার এক ফুট নিচু রয়েছে। নিচু থাকার কারণে একটি যানবাহন অতি দ্রুতগতিতে আসলে ছোট যানবাহন বা পথচারীদের নেমে যেতে হয় সাইড সোল্ডারে। কিন্তু সাইড সোল্ডারের এমন অবস্থার কারণে প্রায় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়।
স্থানীয় লোকজন জানান, সড়কে সাইড সোল্ডার পুনঃসংস্কার না করায় বিশেষ করে রাতে ইজিবাইক, মটরসাইকেল ও অন্যান্য ছোটছোট যানবাহনে চলাচল করতে হিমসিম খেতে হয়। মহাসড়কের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর নাপিতখালী, নতুন অফিসের বিভিন্ন স্থানে সাইড সোল্ডারের করুন অবস্থা। এই সড়কে এমন পরিস্তিতিতে যাত্রী সাধারণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকন উদ্দীন খালেদ চৌধুরী জানান, সাইড সোল্ডারের কাজ কিছু কিছু জায়গায় চলছে, ক্রমান্বয়ে জেলার বিশেষ বিশেষ অংশে সংস্কার করা হবে।




