আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের কাছে কমপক্ষে ৫৭টি শক্তিশালী পরমাণু বোমা আছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরমাণু বোমার অধিকারী হওয়ায় উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে ‘মিলেমিশে থাকা জরুরি’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গতকাল বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসে নতুন একটি হেলিপ্যাড উদ্বোধন করেন ট্রাম্প। সে সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ তার (কিম জং উন) কাছে ৫৭টি শক্তিশালী পরমাণু বোমা আছে। এটা কখনই ঘটতে দেওয়া উচিত ছিল না… আমি (প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদে) প্রেসিডেন্ট হলে এটা হতে দিতাম না।”

“কিন্তু তিনি (কিম) পরমাণু বোমা তৈরিতে সফল হয়েছেন এবং তার কাছে সেগুলো আছে। কিমের সঙ্গে আমার খুবই ভালো সম্পর্ক। আমি ইরানকে কখনও পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে দেবো না এবং আমি কিম জং উনকে খুব ভালোভাবে চিনি। আমি জানি তিনি ভালোই থাকবেন।”

সম্প্রতি হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে যে, আগামী নভেম্বরে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলবর্তী ২১টি দেশের জোট এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশনের (অ্যাপেক) সম্মেলন উপলক্ষে চীন সফরে যাবেন ট্রাম্প। সেই সফরে কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে চান তিনি। এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “হ্যাঁ, (কিমের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে) আমি আগ্রহী।”

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র প্রেসিডেন্ট, যিনি উত্তর কোরিয়ার কোনো সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নিজের প্রথম মেয়াদে (২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল) কিম জং উনের সঙ্গে তিন বার বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রথম বৈঠক হয়েছিল ২০১৮ সালে, সিঙ্গাপুরে। দ্বিতীয় বৈঠক হয় ২০১৯ সালে, হ্যানয়ে।

শেষ বৈঠকটি হয়েছিল ২০১৯ সালের জুন মাসে উত্তর কোরিয়ার একটি বেসামরিক এলাকায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সেবার উত্তর কোরিয়ার মাটিতে পা রেখেছিলেন ট্রাম্প। সূত্র : এএফপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের কাছে কমপক্ষে ৫৭টি শক্তিশালী পরমাণু বোমা আছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরমাণু বোমার অধিকারী হওয়ায় উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে ‘মিলেমিশে থাকা জরুরি’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গতকাল বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসে নতুন একটি হেলিপ্যাড উদ্বোধন করেন ট্রাম্প। সে সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ তার (কিম জং উন) কাছে ৫৭টি শক্তিশালী পরমাণু বোমা আছে। এটা কখনই ঘটতে দেওয়া উচিত ছিল না… আমি (প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদে) প্রেসিডেন্ট হলে এটা হতে দিতাম না।”

“কিন্তু তিনি (কিম) পরমাণু বোমা তৈরিতে সফল হয়েছেন এবং তার কাছে সেগুলো আছে। কিমের সঙ্গে আমার খুবই ভালো সম্পর্ক। আমি ইরানকে কখনও পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে দেবো না এবং আমি কিম জং উনকে খুব ভালোভাবে চিনি। আমি জানি তিনি ভালোই থাকবেন।”

সম্প্রতি হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে যে, আগামী নভেম্বরে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলবর্তী ২১টি দেশের জোট এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশনের (অ্যাপেক) সম্মেলন উপলক্ষে চীন সফরে যাবেন ট্রাম্প। সেই সফরে কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে চান তিনি। এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “হ্যাঁ, (কিমের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে) আমি আগ্রহী।”

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র প্রেসিডেন্ট, যিনি উত্তর কোরিয়ার কোনো সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নিজের প্রথম মেয়াদে (২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল) কিম জং উনের সঙ্গে তিন বার বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রথম বৈঠক হয়েছিল ২০১৮ সালে, সিঙ্গাপুরে। দ্বিতীয় বৈঠক হয় ২০১৯ সালে, হ্যানয়ে।

শেষ বৈঠকটি হয়েছিল ২০১৯ সালের জুন মাসে উত্তর কোরিয়ার একটি বেসামরিক এলাকায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সেবার উত্তর কোরিয়ার মাটিতে পা রেখেছিলেন ট্রাম্প। সূত্র : এএফপি