আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইন্দোনেশিয়ায়। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৫ টা ৫৮ মিনিটে এটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে রয়টার্স ও এএফপি। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তা ফাতুর রহমান এএফপিকে জানান, পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় দ্বীপটির চারটি ভিন্ন শহর থেকে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নাগেকেও রিজেন্সির দিকে যাওয়ার পথে একটি নৌকা থেকে টেলিফোনে ফাতুর বলেন, “আমরা যে প্রতিবেদন পেয়েছি, তাতে ২০ জন মারা গেছেন, ছয়জন আহত হয়েছেন এবং দুজন এখনো মাটির নিচে চাপা পড়ে আছেন।” এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে এবং ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটার শক অনুভূত হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির বেশ কয়েকটি এলাকায় ১ মিটারের (৩ ফুট) কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়েছে। ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।

ফেসবুকে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ভবনের কিছু অংশ ধসে ধুলো ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং লোকজন চিৎকার করতে করতে রাস্তায় ছোটাছুটি করছে। ভিডিওটি মাউমেরের একটি বন্দরের বলে যাচাই করা হয়েছে। এটি ইন্দোনেশিয়ার বিশাল দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে অবস্থিত ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সির প্রধান শহর।

দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, পশ্চিম নুসা তেঙ্গারা এবং দক্ষিণ সুলাওসির কিছু অংশ জুড়ে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা প্রায় এক মিনিট ধরে কম্পন অনুভব করার কথা জানিয়েছেন।

কম্পাস টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্ডে জেলার একটি হাসপাতাল থেকে রোগীদের বাইরে সরানো হচ্ছে এবং কম্পাস.কম অন্তত একটি ভূমিধসের খবর দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইন্দোনেশিয়ায়। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৫ টা ৫৮ মিনিটে এটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে রয়টার্স ও এএফপি। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তা ফাতুর রহমান এএফপিকে জানান, পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় দ্বীপটির চারটি ভিন্ন শহর থেকে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নাগেকেও রিজেন্সির দিকে যাওয়ার পথে একটি নৌকা থেকে টেলিফোনে ফাতুর বলেন, “আমরা যে প্রতিবেদন পেয়েছি, তাতে ২০ জন মারা গেছেন, ছয়জন আহত হয়েছেন এবং দুজন এখনো মাটির নিচে চাপা পড়ে আছেন।” এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে এবং ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটার শক অনুভূত হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির বেশ কয়েকটি এলাকায় ১ মিটারের (৩ ফুট) কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়েছে। ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।

ফেসবুকে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ভবনের কিছু অংশ ধসে ধুলো ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং লোকজন চিৎকার করতে করতে রাস্তায় ছোটাছুটি করছে। ভিডিওটি মাউমেরের একটি বন্দরের বলে যাচাই করা হয়েছে। এটি ইন্দোনেশিয়ার বিশাল দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে অবস্থিত ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সির প্রধান শহর।

দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, পশ্চিম নুসা তেঙ্গারা এবং দক্ষিণ সুলাওসির কিছু অংশ জুড়ে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা প্রায় এক মিনিট ধরে কম্পন অনুভব করার কথা জানিয়েছেন।

কম্পাস টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্ডে জেলার একটি হাসপাতাল থেকে রোগীদের বাইরে সরানো হচ্ছে এবং কম্পাস.কম অন্তত একটি ভূমিধসের খবর দিয়েছে।