দি ক্রাইম ডেস্ক: আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নি‌য়োগ দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। একই সঙ্গে কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও এফআরসি এর চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার নিয়োগ দি‌য়ে‌ছে সরকার। এ নি‌য়োগের মধ‌্য দি‌য়ে বিএন‌পি সরকা‌রের পাঁচ মাস পর নতুন ক‌মিশন পেল দুদক।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থে‌কে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জা‌রি করা হ‌য়ে‌ছে। প্রজ্ঞাপ‌নে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৫ এর উপধারা (১) এর বিধান অনুসারে বিচারপতি এ.কে.এম. আসাদুজ্জামানকে কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হলো।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ১৩ এর বিধান অনুসারে কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ.কে.এম. আসাদুজ্জামানের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের এবং কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়ার বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে ব‌লে জানা‌নো হয় একই প্রজ্ঞাপ‌নে।

গত ২ জুলাই দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর জন্য এসব জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছিল। এসব বৃত্তান্ত থে‌কে বাছাই ক‌রে নতুন ক‌মিশন নি‌য়োগ দেয় সরকার।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন দুদকের প্রথম চেয়ারম্যান বিচারপতি সুলতান হোসেন খান থেকে সর্বশেষ মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন পর্যন্ত মোট সাতটি কমিশন দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনসহ নানা জটিলতায় মাত্র তিনটি কমিশন পুরো মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছে। বাকি চার কমিশনকে মেয়াদ পূর্ণ করার আগে বিদায় নিতে হয়। সর্বশেষ বিএন‌পি সরকা‌র ক্ষমতায় আসার পর গত ৩ মার্চ মোহাম্মদ আবদুল মোমেন কমিশন মেয়াদ পূরণ না করে বিদায় নেয়।

দি ক্রাইম ডেস্ক: আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নি‌য়োগ দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। একই সঙ্গে কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও এফআরসি এর চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার নিয়োগ দি‌য়ে‌ছে সরকার। এ নি‌য়োগের মধ‌্য দি‌য়ে বিএন‌পি সরকা‌রের পাঁচ মাস পর নতুন ক‌মিশন পেল দুদক।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থে‌কে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জা‌রি করা হ‌য়ে‌ছে। প্রজ্ঞাপ‌নে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৫ এর উপধারা (১) এর বিধান অনুসারে বিচারপতি এ.কে.এম. আসাদুজ্জামানকে কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হলো।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ১৩ এর বিধান অনুসারে কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ.কে.এম. আসাদুজ্জামানের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের এবং কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়ার বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে ব‌লে জানা‌নো হয় একই প্রজ্ঞাপ‌নে।

গত ২ জুলাই দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর জন্য এসব জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছিল। এসব বৃত্তান্ত থে‌কে বাছাই ক‌রে নতুন ক‌মিশন নি‌য়োগ দেয় সরকার।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন দুদকের প্রথম চেয়ারম্যান বিচারপতি সুলতান হোসেন খান থেকে সর্বশেষ মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন পর্যন্ত মোট সাতটি কমিশন দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনসহ নানা জটিলতায় মাত্র তিনটি কমিশন পুরো মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছে। বাকি চার কমিশনকে মেয়াদ পূর্ণ করার আগে বিদায় নিতে হয়। সর্বশেষ বিএন‌পি সরকা‌র ক্ষমতায় আসার পর গত ৩ মার্চ মোহাম্মদ আবদুল মোমেন কমিশন মেয়াদ পূরণ না করে বিদায় নেয়।