নগর প্রতিবেদক: শিক্ষা দানের পাশাপাশি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সপোজারও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসনীয়।জব চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা কারিকুলাম, স্কলারশিপ ও রিসার্স সেন্টার চালু থাকায় এশিয়ান ওমেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশংসা করেছেন।
আজ শনিবার (০৪ জুলাই)এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেন এর নাসিরাবাদস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন নতুন ভবন পরিদর্শন শেষে এর চট্টেশ্বরি ক্যাম্পাসে আয়োজিত আলোচনা সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ভার্সিিিটর পক্ষ হতে এর আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েট শ্রেণিতে কারিকুলাম ও আন্তর্জাতিক বাজারে কারিকুলামভিত্তিক জব চাহিদা, ভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবস্থান, হার্ভার্ড, জন হপকিন্স, ইলিনয় প্রভৃতি বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ভার্সিটির ছাত্রীদের ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জনসহ তাদের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
এতে জানানো হয়, বর্তমানে এ ভার্সিটিতে পৃথিবীর ২২ দেশের প্রায় ২ হাজার ১০০ ছাত্রী পড়াশুনা করছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও আফগানিস্তান ভুটান ভারত জাপান মায়ানমার পাকিস্তান শ্রীলংকা প্রভৃতি দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রী রয়েছে।
বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী শিক্ষা কারিকুলামে এআই ও ডিজিটাল লিটারেচার অন্তর্ভূক্তির উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, সরকার শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে ডিজিটাল কার্যক্রম চালু করেছে, সরকারি সেবা দানের ক্ষেত্রেও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার বিস্তার করা হয়েছ। এর ফলে দুনীতি দুর, সুশাসন নিশ্চিত ও মানসম্পন্ন সেবা দানের সরকারি প্রচেষ্টা সফল হচ্ছে। চট্টগ্রামকে ভিন্ন মাত্রার ও বৈশিষ্ট্যের নগরী হিসেবে বর্নণা করে এখানে ভার্সিটি স্থাপন করায় মন্ত্রী কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ দেন এবং ভার্সিটির উন্নয়নে নিজের পক্ষ থেকে সম্ভব সকল সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে ভার্সিটির এলামনি তাসলিমা রেজা ও প্রকৌশলী তানভির রহমান বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। এর পুর্বে মন্ত্রী নগরীর নাসিরাদস্থ ভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন নতুন ভবন পরিদর্শন করেন।
সকালে অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন চালুকৃত পৃথক ডেঙ্গু ওয়ার্ড উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন। চমেক হাসপাতালের ১৬ নং ওয়ার্ডে শুধুমাত্র ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নতুন এ ওয়ার্ড চালু করা হয়। এর ফলে সরকারি পর্যায়ে ডেঙ্গু চিকিৎসা সেবাদান আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। ডেঙ্গু রোগীদেরও চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তি আরো দ্রত ও সহজ হবে।




