মিজবাউল হক, চকরিয়া : কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বদরখালীতে এক প্রবাসী পরিবারকে নানাভাবে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। এমনকী ওই পরিবারকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ঘর ছাড়ার হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। এরইমধ্যে বসতভিটায় কয়েকদফা হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। বর্তমানে প্রবাসী পরিবারটি চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

ওমান প্রবাসী ফয়েজ আহমদের স্ত্রী ফরিদা বেগম জানান, উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ডের মুহুরী জোড়া পাড়ায় পৈত্রিকভাবে পাওয়া প্রায় ৬০কড়া জায়গায় গত ত্রিশ বছর ধরে শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করছেন। তাদের পরিবারে দুই মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। গত ৫-৬ বছর ধরে তার স্বামী ফয়েজ আহমদ ওমান প্রবাসী। পরিবারে আর্থিক স্বচ্চলতার কারণে স্থানীয় একটি মহল নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছেন। স্বামীর অনুপস্থিতের সুযোগে একই এলাকার ভূমিদস্যু মো. ফিরোজের নেতৃত্বে জায়গাটি দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তার নেতৃত্বে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ ও দখল নিতে কয়েকদফা চেষ্ঠা করেছেন।

গত ৮ জুন দুপুর ১২টার দিকে সন্ত্রাসী ফিরোজ, মিরান ও আরমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র অবস্থায় জায়গা দখল নিতে আসে। ওইসময় আমি ও স্বামী ফয়েজ আহমদ এগিয়ে আসলে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে সন্ত্রাসীরা। এতে স্বামী ও তিন ছেলেমেয়ে মারাত্মকভাবে আহত হই। এসময় সন্ত্রাসীরা বাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙ্চুর ও লুটপাট চালায়। এসময় বাড়ির আলমিরায় রক্ষিত আট আনা ওজনের একজোটা স্বর্ণের নাক ফুল, ১৮ হাজার টাকার দামের একটি ভিবো মোবাইল সেট ও নগদ ৬০ হাজার টাকা লুটে নিয়ে যায়।

ফরিদা বেগম আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা দারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আমাদের মেরে রাস্তায় ফেলে রাখে। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তাদেরকে বাধা দেন। পরবর্তী সময়ে সন্ত্রাসীরা চলে গেলে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। মারাত্মক আঘাতের কারণে চারদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। তারা ইয়াবা ব্যবসার সাথে রয়েছি বলে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। হুমকি ধমকি দিচ্ছেন।

এমনাবস্থায় গত ১৮ জুন বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে সন্ত্রাসীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়। ওইসময় তারা দ্বিতীয় দফা অস্ত্রের মুখে জিম্মী করে পরিবারের সকল সদস্যকে মারধর করতে থাকে। উপর্যপুরি আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। পরে এক রিকসা চালকের সহায়তায় চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে আসলেও সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকিতে আতঙ্কে রয়েছি। কাউকে ভয় পাচ্ছে না। কারও বিচারেও মানছে না তারা।

এঘটনায় গত ২২ জুন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গৃহবধু ফরিদা বেগম বাদি হয়ে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার আসামীরা পাশর্^বর্তী হওয়ায় বর্তমানে পরিবারটি হুমকির মুখে রয়েছেন। অসহায় পরিবারটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মিজবাউল হক, চকরিয়া : কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বদরখালীতে এক প্রবাসী পরিবারকে নানাভাবে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। এমনকী ওই পরিবারকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ঘর ছাড়ার হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। এরইমধ্যে বসতভিটায় কয়েকদফা হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। বর্তমানে প্রবাসী পরিবারটি চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

ওমান প্রবাসী ফয়েজ আহমদের স্ত্রী ফরিদা বেগম জানান, উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ডের মুহুরী জোড়া পাড়ায় পৈত্রিকভাবে পাওয়া প্রায় ৬০কড়া জায়গায় গত ত্রিশ বছর ধরে শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করছেন। তাদের পরিবারে দুই মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। গত ৫-৬ বছর ধরে তার স্বামী ফয়েজ আহমদ ওমান প্রবাসী। পরিবারে আর্থিক স্বচ্চলতার কারণে স্থানীয় একটি মহল নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছেন। স্বামীর অনুপস্থিতের সুযোগে একই এলাকার ভূমিদস্যু মো. ফিরোজের নেতৃত্বে জায়গাটি দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তার নেতৃত্বে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ ও দখল নিতে কয়েকদফা চেষ্ঠা করেছেন।

গত ৮ জুন দুপুর ১২টার দিকে সন্ত্রাসী ফিরোজ, মিরান ও আরমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র অবস্থায় জায়গা দখল নিতে আসে। ওইসময় আমি ও স্বামী ফয়েজ আহমদ এগিয়ে আসলে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে সন্ত্রাসীরা। এতে স্বামী ও তিন ছেলেমেয়ে মারাত্মকভাবে আহত হই। এসময় সন্ত্রাসীরা বাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙ্চুর ও লুটপাট চালায়। এসময় বাড়ির আলমিরায় রক্ষিত আট আনা ওজনের একজোটা স্বর্ণের নাক ফুল, ১৮ হাজার টাকার দামের একটি ভিবো মোবাইল সেট ও নগদ ৬০ হাজার টাকা লুটে নিয়ে যায়।

ফরিদা বেগম আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা দারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আমাদের মেরে রাস্তায় ফেলে রাখে। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তাদেরকে বাধা দেন। পরবর্তী সময়ে সন্ত্রাসীরা চলে গেলে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। মারাত্মক আঘাতের কারণে চারদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। তারা ইয়াবা ব্যবসার সাথে রয়েছি বলে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। হুমকি ধমকি দিচ্ছেন।

এমনাবস্থায় গত ১৮ জুন বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে সন্ত্রাসীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়। ওইসময় তারা দ্বিতীয় দফা অস্ত্রের মুখে জিম্মী করে পরিবারের সকল সদস্যকে মারধর করতে থাকে। উপর্যপুরি আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। পরে এক রিকসা চালকের সহায়তায় চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে আসলেও সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকিতে আতঙ্কে রয়েছি। কাউকে ভয় পাচ্ছে না। কারও বিচারেও মানছে না তারা।

এঘটনায় গত ২২ জুন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গৃহবধু ফরিদা বেগম বাদি হয়ে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার আসামীরা পাশর্^বর্তী হওয়ায় বর্তমানে পরিবারটি হুমকির মুখে রয়েছেন। অসহায় পরিবারটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।