বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক মোহাম্মদ আবীরের (১৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর আজ সোমবার (০১ জুন) সকাল ৬টার দিকে সৈকতের সমিতি পাড়া পয়েন্টে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। নিহত আবীর ঢাকার লালবাগ থানার শহীদনগর এলাকার ইলিয়াছ মুন্সির ছেলে। তিনি নিউমার্কেট এলাকার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

জানা গেছে, রোববার সকালে ৯ বন্ধুর সঙ্গে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন আবীর। তারা শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠার পর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোসল করতে নামেন। এ সময় হঠাৎ প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে আবীরের হাত থেকে লাইফ টিউবটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। মুহূর্তের মধ্যেই উত্তাল ঢেউ আবীরকে গভীর সাগরের দিকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

আবীরের বন্ধু মোহাম্মদ ইমন জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর তারা দীর্ঘ সময় ধরে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে বিষয়টি লাইফগার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করা হলে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

ঘটনার পরপরই সি সেইফ লাইফ গার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যৌথভাবে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায়। অবশেষে সোমবার সকালে সমিতি পাড়ার কুতুব বাজার পয়েন্ট সংলগ্ন বালিয়াড়িতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেন।

সি সেইফ লাইফ গার্ডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওসমান জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে অনুসন্ধান অভিযানের মধ্যেই ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় আবীরের পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে সমুদ্র সৈকতে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গোসল না করার বিষয়ে নতুন করে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক মোহাম্মদ আবীরের (১৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর আজ সোমবার (০১ জুন) সকাল ৬টার দিকে সৈকতের সমিতি পাড়া পয়েন্টে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। নিহত আবীর ঢাকার লালবাগ থানার শহীদনগর এলাকার ইলিয়াছ মুন্সির ছেলে। তিনি নিউমার্কেট এলাকার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

জানা গেছে, রোববার সকালে ৯ বন্ধুর সঙ্গে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন আবীর। তারা শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠার পর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোসল করতে নামেন। এ সময় হঠাৎ প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে আবীরের হাত থেকে লাইফ টিউবটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। মুহূর্তের মধ্যেই উত্তাল ঢেউ আবীরকে গভীর সাগরের দিকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

আবীরের বন্ধু মোহাম্মদ ইমন জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর তারা দীর্ঘ সময় ধরে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে বিষয়টি লাইফগার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করা হলে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

ঘটনার পরপরই সি সেইফ লাইফ গার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যৌথভাবে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায়। অবশেষে সোমবার সকালে সমিতি পাড়ার কুতুব বাজার পয়েন্ট সংলগ্ন বালিয়াড়িতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেন।

সি সেইফ লাইফ গার্ডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওসমান জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে অনুসন্ধান অভিযানের মধ্যেই ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় আবীরের পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে সমুদ্র সৈকতে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গোসল না করার বিষয়ে নতুন করে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।