#মন্তব্য প্রতিবেদন

আশীষ চন্দ্র নন্দী: গণাভুথ্যানে শেখের বেটি ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ের পর একে একে সব নেতারা পালিয়ে যায় ও কিছু নেতা মব সন্ত্রাসের ভয়ে আত্মগোপন করেছিল। একইসাথে অনেক হেভিওয়েট নেতাদের ইন্টেরিম সরকার একটি বিশেষবাহিনীর আশ্রয়স্থল থেকে বিভিন্নভাবে সাজানো মামলা দিয়ে গারদে ঢুকিয়ে দেয়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের জামিন হলেও আরো বেশ কয়জন গারদে নির্মমভাবে বিনাচিকিৎসায় ইহকাল ত্যাগ করেন। কিন্তু তৃণমূল আওয়ামীলীগের যোদ্ধারা থামিয়ে থাকেনি। তারা গভীর রাতে কিংবা প্রকাশ্যে ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে ইন্টেরিম সরকার ও খোয়াবের সরকারকে জানান দিয়েছে এখনো আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা দেশ থেকে নিশ্চিন্ন হয়নি।

বিভিন্ন জেলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা ঝটিকা বের করলে সরকার দিশেহারা হয়ে মিছিল থেকে গ্রেফতার করেন। তা সত্বেও আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মীরা ভয়কে জয় করে মিটিং মিছিল অব্যাহত রেখেছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আজ সোমবার(০১ জুন) সকালে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের লড়াকুরা অসীম সাহস ও মনোবল নিয়ে প্রকাশ্যে সরকার ও প্রশাসনের নাকের ডগায় মিছিল করেছে।মিছিলে তাদের স্লোগান ছিল-আওয়ামীলীগের নিষিদ্ধ মানি না মানবো না,অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করতে হবে। এধরনের প্রকাশ্যে মিছিল এখন সারা বাংলাদেশের জেলা এবং থানা সদরগুলোতে দেখা যাচ্ছে।

দীর্ঘ ২২ মাস যাবৎ আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বুকে পাথর চাপা দিয়ে ধৈর্য ধারণ করেছিল। লীগের একনিষ্ট অনলাইন যোদ্ধারা যুদ্ধের ময়দানে শব্দবোমার মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে চেষ্টারত ছিল। তাদের এহেন প্রচেষ্টায় ফোর খাওয়া আওয়ামীলীগ ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু দল বিক্রিকরে যে সমস্ত নেতা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে তারা দলের দুর্দিনে বিভিন্ন দেশে বিলাসবহুল দিন অতিবাহিত করছে। দলের সুদিন ফিরে আসলে তারাই আবার দলের বড় বড় পদ দখলের প্রতিযোগিতায় নামবে। আওয়ামীলীগের শত্রু আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরেই রয়েছে। বাইরের কোনশত্রু আওয়ামীলীগকে ধ্বংশ করতে কখনো পারেনি এবং পারবেওনা।

দেশনেত্রী ও আওয়ামীলীগের কান্ডারি যখন এই মেটিকুলাশ ডিজাইনের মৃত্যুপুরি থেকে বেঁচে গেছে তাঁকে প্রতিহত করার আর কেউ নেই। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা যখন তাঁকে আগলাইয়া রেখেছে তখন তিনি রাজনৈতিক মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে “বলয়” তৈরী করে পুনরায় এ দেশে প্রত্যাবর্তন করবে এতে সন্দেহ নেই।

জামাত-এনসিপি-ও বিএনপি এখন রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ধরাশায়ী। তিন মাস তের দিন বিএনপি সরকারে মেয়াদ। এতেই তারা হাঁপিয়ে উঠেছে। এ “খোয়াবের সরকারের পার্লামেন্ট” পরিচালনা করছে মাত্র দু’জন। বাকিরা সব “হরের খুঁটি”। ইতোমধ্যে “পদত্যাগ” ধ্বনী শুরু হয়েছে। তিন মাসে নাকাল দেশের মানুষ। ধ্বংশ হয়ে গেছে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি,দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতি,দফে দফে জ্বালানী তৈলের মুল্যবৃদ্ধি,সাধারণের ঘাড়ে করের বোঝা,কলখারখানা ধ্বংশ,লাখ লাখ যুবক কর্মহারা। লুটে পুটে চেটে দেশের অর্থনীতি এখন তলানীতে।

বিএনপি’র রাজনীতি বা দল ঠিকাতে হলে আওয়ামীলীগকে প্রত্যাবর্তন করাতে হবে। না হলে ধ্বংশ হয়ে যাবে মরহুম জিয়াউর রহমানের হাতে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।কারণ দলের মূল চালিক শক্তি বড়ই দুর্বল। নেতৃত্ব শুন্য দল এখন বিএনপি। সব লুটেরার একই ছাতার নিচে অবস্থান। অন্যদিকে বিরোধী দল ১১ দলের শরীকরা হচ্ছে সবাই জঙ্গী ও ধর্মব্যবসায়ী। ধর্মের লেবাসে তাদের পুরো রাজনৈতিকগন্ডি। তাদের নেই কোন আন্তজার্তিক রাজনৈতিক সমর্থন। জঙ্গীবাদের তখমায় তারা ধর্ষিত! এ অখাদ্যদের বিশ্বের তাবৎ দেশগুলো পচন্দ করেনা।

#মন্তব্য প্রতিবেদন

আশীষ চন্দ্র নন্দী: গণাভুথ্যানে শেখের বেটি ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ের পর একে একে সব নেতারা পালিয়ে যায় ও কিছু নেতা মব সন্ত্রাসের ভয়ে আত্মগোপন করেছিল। একইসাথে অনেক হেভিওয়েট নেতাদের ইন্টেরিম সরকার একটি বিশেষবাহিনীর আশ্রয়স্থল থেকে বিভিন্নভাবে সাজানো মামলা দিয়ে গারদে ঢুকিয়ে দেয়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের জামিন হলেও আরো বেশ কয়জন গারদে নির্মমভাবে বিনাচিকিৎসায় ইহকাল ত্যাগ করেন। কিন্তু তৃণমূল আওয়ামীলীগের যোদ্ধারা থামিয়ে থাকেনি। তারা গভীর রাতে কিংবা প্রকাশ্যে ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে ইন্টেরিম সরকার ও খোয়াবের সরকারকে জানান দিয়েছে এখনো আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা দেশ থেকে নিশ্চিন্ন হয়নি।

বিভিন্ন জেলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা ঝটিকা বের করলে সরকার দিশেহারা হয়ে মিছিল থেকে গ্রেফতার করেন। তা সত্বেও আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মীরা ভয়কে জয় করে মিটিং মিছিল অব্যাহত রেখেছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আজ সোমবার(০১ জুন) সকালে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের লড়াকুরা অসীম সাহস ও মনোবল নিয়ে প্রকাশ্যে সরকার ও প্রশাসনের নাকের ডগায় মিছিল করেছে।মিছিলে তাদের স্লোগান ছিল-আওয়ামীলীগের নিষিদ্ধ মানি না মানবো না,অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করতে হবে। এধরনের প্রকাশ্যে মিছিল এখন সারা বাংলাদেশের জেলা এবং থানা সদরগুলোতে দেখা যাচ্ছে।

দীর্ঘ ২২ মাস যাবৎ আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বুকে পাথর চাপা দিয়ে ধৈর্য ধারণ করেছিল। লীগের একনিষ্ট অনলাইন যোদ্ধারা যুদ্ধের ময়দানে শব্দবোমার মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে চেষ্টারত ছিল। তাদের এহেন প্রচেষ্টায় ফোর খাওয়া আওয়ামীলীগ ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু দল বিক্রিকরে যে সমস্ত নেতা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে তারা দলের দুর্দিনে বিভিন্ন দেশে বিলাসবহুল দিন অতিবাহিত করছে। দলের সুদিন ফিরে আসলে তারাই আবার দলের বড় বড় পদ দখলের প্রতিযোগিতায় নামবে। আওয়ামীলীগের শত্রু আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরেই রয়েছে। বাইরের কোনশত্রু আওয়ামীলীগকে ধ্বংশ করতে কখনো পারেনি এবং পারবেওনা।

দেশনেত্রী ও আওয়ামীলীগের কান্ডারি যখন এই মেটিকুলাশ ডিজাইনের মৃত্যুপুরি থেকে বেঁচে গেছে তাঁকে প্রতিহত করার আর কেউ নেই। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা যখন তাঁকে আগলাইয়া রেখেছে তখন তিনি রাজনৈতিক মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে “বলয়” তৈরী করে পুনরায় এ দেশে প্রত্যাবর্তন করবে এতে সন্দেহ নেই।

জামাত-এনসিপি-ও বিএনপি এখন রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ধরাশায়ী। তিন মাস তের দিন বিএনপি সরকারে মেয়াদ। এতেই তারা হাঁপিয়ে উঠেছে। এ “খোয়াবের সরকারের পার্লামেন্ট” পরিচালনা করছে মাত্র দু’জন। বাকিরা সব “হরের খুঁটি”। ইতোমধ্যে “পদত্যাগ” ধ্বনী শুরু হয়েছে। তিন মাসে নাকাল দেশের মানুষ। ধ্বংশ হয়ে গেছে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি,দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতি,দফে দফে জ্বালানী তৈলের মুল্যবৃদ্ধি,সাধারণের ঘাড়ে করের বোঝা,কলখারখানা ধ্বংশ,লাখ লাখ যুবক কর্মহারা। লুটে পুটে চেটে দেশের অর্থনীতি এখন তলানীতে।

বিএনপি’র রাজনীতি বা দল ঠিকাতে হলে আওয়ামীলীগকে প্রত্যাবর্তন করাতে হবে। না হলে ধ্বংশ হয়ে যাবে মরহুম জিয়াউর রহমানের হাতে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।কারণ দলের মূল চালিক শক্তি বড়ই দুর্বল। নেতৃত্ব শুন্য দল এখন বিএনপি। সব লুটেরার একই ছাতার নিচে অবস্থান। অন্যদিকে বিরোধী দল ১১ দলের শরীকরা হচ্ছে সবাই জঙ্গী ও ধর্মব্যবসায়ী। ধর্মের লেবাসে তাদের পুরো রাজনৈতিকগন্ডি। তাদের নেই কোন আন্তজার্তিক রাজনৈতিক সমর্থন। জঙ্গীবাদের তখমায় তারা ধর্ষিত! এ অখাদ্যদের বিশ্বের তাবৎ দেশগুলো পচন্দ করেনা।