দি ক্রাইম ডেস্ক: স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরুর প্রথমদিনেই আনোয়ারায় অর্ধশত স্কুলে পৌঁছেনি খাবার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম দিনেই হোঁচট খেল স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। ফিডিং প্রকল্পের সিডিউল অনুযায়ী উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২হাজার ৫৪জন শিক্ষার্থী গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় নির্ধারিত খাবার পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ৪০টির বেশি বিদ্যালয়ের ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর কাছে খাবার পৌঁছায়নি বলে উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রথমদিনেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বহীনতায় ধাক্কা খেয়েছে এই কর্মসূচি। প্রয়োজনীয় লোকবল ও যানবাহনের অভাবে স্কুলগুলোতে খাবার পৌঁছাতে পারেনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মকর্তাদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। সচেতন মহল ও অভিভাবকরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশপল্লীর কার্যাদেশ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. হিন্দুল বারী উপজেলার ৪০টির কমবেশি বিদ্যালয়ে ফিডিং প্রকল্পের খাবার যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন। এদিকে অভিভাবকরা জানান, আজ (গতকাল রবিবার) খাবার দেওয়ার খবরে শিক্ষার্থীরাও নিজেদের টিফিন আনেনি। তাই ফিডিং কর্মসূচির খাবার না পেয়ে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ক্ষুধা পেলেও কিছু খেতে পারেনি। জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য, সার্বিক পুষ্টিমান ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সারাদেশে সরকার ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয় চলাকালীন প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ ফর্টিফাইড বিস্কুট, ইউএইচটি মিল্ক, বন রুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা/স্থানীয় মৌসুমি ফল বিতরণ কর্মসূচি ‘স্কুল ফিডিং প্রকল্প’ চালু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে ১৫০ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প চালু করা হয়। চট্টগ্রামে আনোয়ারা

একমাত্র উপজেলা হিসেবে মনোনীত হয়। গতকাল সকালে আনোয়ারার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা সদরের আনোয়ারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশপল্লী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. হিন্দুল বারী। সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণের কথা থাকলেও বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত বিদ্যালয়ে খাবার পৌঁছেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক বিদ্যালয়ে ছুটির ঠিক আগ মুহূর্তে খাবার নিয়ে গেলে শিক্ষকরা বিপাকে পড়েন। কারণ তার আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ছুটি হয়ে যায় দুপুর একটায়। প্রশ্ন উঠে এসব খাবারের নির্দিষ্ট মেয়াদ ও পুষ্টিগুণ নিয়ে। অন্যদিকে সারাদিন অপেক্ষা করেও শিক্ষার্থীরা খাবার না পাওয়ায় এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের শেষ ছিল না।

আনোয়ারা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য মতে, উপজেলায় ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ২২ হাজার ৫৪জন শিক্ষার্থীর এ প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে কর্মসূচির প্রথমদিনে উপজেলা শিক্ষা অফিস ৪০টি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা এই খাবার পায়নি বলে জানালেও স্থানীয় ভাবে অর্ধশত বিদ্যালয়ে খাবার পৌঁছেনি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। আনোয়ারা সরস্বতী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুন দাশগুপ্ত জানান, বিকাল ৩টার মধ্যেও খাবার পৌঁছেনি। অন্যদিকে দুপুর একটায় বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্লাস ছুটি হয়ে যায়।

শিক্ষক জহিরুল হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এইমাত্র ৪ টা ১৫মিনিটে স্কুল ছুটি হল, মিড ডে মিলের আশায় থেকে শিক্ষার্থীরা হতাশায় বাড়ি ফিরে গেল। শিক্ষক তানিয়া সুলতানা রুপা বলেন, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে; কিন্তু পশ্চিম বারখাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং প্রকল্পের কোনো খাবার না আসায় শিক্ষার্থীরা হতাশ। শিক্ষক এম.এ রহমান বলেন, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে; ফিডিং প্রকল্পের খাবার না পেয়ে শিক্ষার্থীরা হতাশায় বাড়ি ফিরে গেছে। শিক্ষক জাহিদ ইকবাল বলেন, মধ্য শিলাইগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো খাবার আসেনি। শিক্ষক দিলোয়ারা বলেন, পূর্ব বারখাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং প্রকল্পের কোনো খাবার আসেনি। শিক্ষক উমা দাশ বলেন, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে; শিক্ষার্থীরা সারাদিন অপেক্ষায় থেকেও কোনো খাবার পায়নি; আমরা সবাই হতাশ। এভাবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক অভিভাবকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের হতাশা ব্যক্ত করেন।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশপল্লীর ক্লাস্টার কো–অর্ডিনেটর মোহাম্মদ নাহিদ বলেন, খাবার পৌঁছানোর জন্য আমরা ৪–৫টি গাড়ি দিয়েছি। কিন্তু গ্যাস সংকটসহ নানা কারণে গাড়ি বন্ধ হয়ে পড়ে। সে কারণে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে খাবার পাঠানো সম্ভব হয়নি। প্রথমদিন হিসেবে এই সমস্যাটি হয়েছে। আশা করি সোমবার থেকে সব ঠিকঠাক মত হবে। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন স্কুলে আমরা ডিম সিদ্ধ করা সহ একদিন আগে খাবার রেডি করতে চেয়েছিলাম; কিন্তু স্কুল বন্ধ থাকায় সম্ভব হয়নি।

আনোয়ারা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. হিন্দুল বারী জানান, ৪০ টির মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খাবার দিতে পারেনি। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়কে লিখিতভাবে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহম্মদ বলেন, কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রথমদিনেই ৩০/৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খাবার পৌঁছাতে পারেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরুর প্রথমদিনেই আনোয়ারায় অর্ধশত স্কুলে পৌঁছেনি খাবার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম দিনেই হোঁচট খেল স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। ফিডিং প্রকল্পের সিডিউল অনুযায়ী উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২হাজার ৫৪জন শিক্ষার্থী গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় নির্ধারিত খাবার পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ৪০টির বেশি বিদ্যালয়ের ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর কাছে খাবার পৌঁছায়নি বলে উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রথমদিনেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বহীনতায় ধাক্কা খেয়েছে এই কর্মসূচি। প্রয়োজনীয় লোকবল ও যানবাহনের অভাবে স্কুলগুলোতে খাবার পৌঁছাতে পারেনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মকর্তাদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। সচেতন মহল ও অভিভাবকরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশপল্লীর কার্যাদেশ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. হিন্দুল বারী উপজেলার ৪০টির কমবেশি বিদ্যালয়ে ফিডিং প্রকল্পের খাবার যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন। এদিকে অভিভাবকরা জানান, আজ (গতকাল রবিবার) খাবার দেওয়ার খবরে শিক্ষার্থীরাও নিজেদের টিফিন আনেনি। তাই ফিডিং কর্মসূচির খাবার না পেয়ে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ক্ষুধা পেলেও কিছু খেতে পারেনি। জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য, সার্বিক পুষ্টিমান ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সারাদেশে সরকার ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয় চলাকালীন প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ ফর্টিফাইড বিস্কুট, ইউএইচটি মিল্ক, বন রুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা/স্থানীয় মৌসুমি ফল বিতরণ কর্মসূচি ‘স্কুল ফিডিং প্রকল্প’ চালু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে ১৫০ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প চালু করা হয়। চট্টগ্রামে আনোয়ারা

একমাত্র উপজেলা হিসেবে মনোনীত হয়। গতকাল সকালে আনোয়ারার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা সদরের আনোয়ারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশপল্লী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. হিন্দুল বারী। সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণের কথা থাকলেও বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত বিদ্যালয়ে খাবার পৌঁছেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক বিদ্যালয়ে ছুটির ঠিক আগ মুহূর্তে খাবার নিয়ে গেলে শিক্ষকরা বিপাকে পড়েন। কারণ তার আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ছুটি হয়ে যায় দুপুর একটায়। প্রশ্ন উঠে এসব খাবারের নির্দিষ্ট মেয়াদ ও পুষ্টিগুণ নিয়ে। অন্যদিকে সারাদিন অপেক্ষা করেও শিক্ষার্থীরা খাবার না পাওয়ায় এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের শেষ ছিল না।

আনোয়ারা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য মতে, উপজেলায় ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ২২ হাজার ৫৪জন শিক্ষার্থীর এ প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে কর্মসূচির প্রথমদিনে উপজেলা শিক্ষা অফিস ৪০টি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা এই খাবার পায়নি বলে জানালেও স্থানীয় ভাবে অর্ধশত বিদ্যালয়ে খাবার পৌঁছেনি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। আনোয়ারা সরস্বতী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুন দাশগুপ্ত জানান, বিকাল ৩টার মধ্যেও খাবার পৌঁছেনি। অন্যদিকে দুপুর একটায় বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্লাস ছুটি হয়ে যায়।

শিক্ষক জহিরুল হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এইমাত্র ৪ টা ১৫মিনিটে স্কুল ছুটি হল, মিড ডে মিলের আশায় থেকে শিক্ষার্থীরা হতাশায় বাড়ি ফিরে গেল। শিক্ষক তানিয়া সুলতানা রুপা বলেন, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে; কিন্তু পশ্চিম বারখাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং প্রকল্পের কোনো খাবার না আসায় শিক্ষার্থীরা হতাশ। শিক্ষক এম.এ রহমান বলেন, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে; ফিডিং প্রকল্পের খাবার না পেয়ে শিক্ষার্থীরা হতাশায় বাড়ি ফিরে গেছে। শিক্ষক জাহিদ ইকবাল বলেন, মধ্য শিলাইগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো খাবার আসেনি। শিক্ষক দিলোয়ারা বলেন, পূর্ব বারখাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং প্রকল্পের কোনো খাবার আসেনি। শিক্ষক উমা দাশ বলেন, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে; শিক্ষার্থীরা সারাদিন অপেক্ষায় থেকেও কোনো খাবার পায়নি; আমরা সবাই হতাশ। এভাবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক অভিভাবকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের হতাশা ব্যক্ত করেন।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশপল্লীর ক্লাস্টার কো–অর্ডিনেটর মোহাম্মদ নাহিদ বলেন, খাবার পৌঁছানোর জন্য আমরা ৪–৫টি গাড়ি দিয়েছি। কিন্তু গ্যাস সংকটসহ নানা কারণে গাড়ি বন্ধ হয়ে পড়ে। সে কারণে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে খাবার পাঠানো সম্ভব হয়নি। প্রথমদিন হিসেবে এই সমস্যাটি হয়েছে। আশা করি সোমবার থেকে সব ঠিকঠাক মত হবে। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন স্কুলে আমরা ডিম সিদ্ধ করা সহ একদিন আগে খাবার রেডি করতে চেয়েছিলাম; কিন্তু স্কুল বন্ধ থাকায় সম্ভব হয়নি।

আনোয়ারা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. হিন্দুল বারী জানান, ৪০ টির মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খাবার দিতে পারেনি। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়কে লিখিতভাবে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহম্মদ বলেন, কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রথমদিনেই ৩০/৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খাবার পৌঁছাতে পারেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।