দি ক্রাইম ডেস্ক: বহুল প্রত্যাশিত কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ও প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদকে অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম–৮ আসনের (বোয়ালখালী–চান্দগাঁও) সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ। গতকাল রোববার সকালে সচিবালয়ে দুই মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ অনুরোধ জানান তিনি। এ সময় কালুরঘাট সেতু নির্মাণ কাজ শুরুর পাশাপাশি বোয়ালখালী–আরাকান সড়ককে ৪ লেনে উন্নীত করার বিষয়ে লিখিত প্রস্তাবও তুলে ধরেন এরশাদ উল্লাহ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে এরশাদ উল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দুইজনই কালুরঘাট সেতু নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তারা ( মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, দ্রুত কাজ শুরুর জন্য চেষ্টা করবেন। এখানে অর্থায়নেরও একটি বিষয় আছে। কালুরঘাট সেতু প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়া এক্সিম ব্যাংক অর্থায়ন করছে। এতদিন নির্বাচিত সরকার না থাকায় অর্থ ছাড় হয়নি। এখন যেহেতু নির্বাচিত সরকার আছে তাই আর সমস্যা হবে না। এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে এরশাদ উল্লাহ এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হলে বোয়ালখালীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়ন জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এরশাদ উল্লাহ বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণ আমাদের চট্টগ্রামের মানুষের, বিশেষ করে বোয়ালখালী ও দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের দাবি। বর্তমান জরাজীর্ণ সেতুর কারণে জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কালুরঘাট সেতু শুধু একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়। এটি দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধমনী।

এসময় সেতু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সেতুর বিষয়ে বিস্তারিত শুনেন এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়ন যাতে হয় সে ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন। মন্ত্রী বলেন, নতুন সেতু নির্মাণের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই একটি আধুনিক, টেকসই এবং দৃষ্টিনন্দন কালুরঘাট সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ সমগ্র দেশবাসী উপহার পাবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আজিজুল হক চেয়ারম্যান, সদস্য শওকত আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আজগর, সমাজসেবক আবুল মিন্টু, সাবেক মেজর জেনারেল হুমায়ুন।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বোয়ালখালী ও পটিয়া উপজেলার একাংশের যোগাযোগের মাধ্যম শতবর্ষী এ কালুরঘাট সেতু। পাশাপাশি বন্দর নগরীর সঙ্গে কঙবাজারের রেল যোগাযোগেরও অন্যতম সংযোগ। ২০২৫ সালের ১৪ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউস থেকে তৎকালীন অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তরের স্মারক ফলক উন্মোচন করেন। ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের ১০ মাস পেরোলেও এখনও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।

দি ক্রাইম ডেস্ক: বহুল প্রত্যাশিত কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ও প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদকে অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম–৮ আসনের (বোয়ালখালী–চান্দগাঁও) সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ। গতকাল রোববার সকালে সচিবালয়ে দুই মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ অনুরোধ জানান তিনি। এ সময় কালুরঘাট সেতু নির্মাণ কাজ শুরুর পাশাপাশি বোয়ালখালী–আরাকান সড়ককে ৪ লেনে উন্নীত করার বিষয়ে লিখিত প্রস্তাবও তুলে ধরেন এরশাদ উল্লাহ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে এরশাদ উল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দুইজনই কালুরঘাট সেতু নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তারা ( মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, দ্রুত কাজ শুরুর জন্য চেষ্টা করবেন। এখানে অর্থায়নেরও একটি বিষয় আছে। কালুরঘাট সেতু প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়া এক্সিম ব্যাংক অর্থায়ন করছে। এতদিন নির্বাচিত সরকার না থাকায় অর্থ ছাড় হয়নি। এখন যেহেতু নির্বাচিত সরকার আছে তাই আর সমস্যা হবে না। এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে এরশাদ উল্লাহ এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হলে বোয়ালখালীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়ন জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এরশাদ উল্লাহ বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণ আমাদের চট্টগ্রামের মানুষের, বিশেষ করে বোয়ালখালী ও দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের দাবি। বর্তমান জরাজীর্ণ সেতুর কারণে জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কালুরঘাট সেতু শুধু একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়। এটি দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধমনী।

এসময় সেতু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সেতুর বিষয়ে বিস্তারিত শুনেন এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়ন যাতে হয় সে ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন। মন্ত্রী বলেন, নতুন সেতু নির্মাণের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই একটি আধুনিক, টেকসই এবং দৃষ্টিনন্দন কালুরঘাট সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ সমগ্র দেশবাসী উপহার পাবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আজিজুল হক চেয়ারম্যান, সদস্য শওকত আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আজগর, সমাজসেবক আবুল মিন্টু, সাবেক মেজর জেনারেল হুমায়ুন।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বোয়ালখালী ও পটিয়া উপজেলার একাংশের যোগাযোগের মাধ্যম শতবর্ষী এ কালুরঘাট সেতু। পাশাপাশি বন্দর নগরীর সঙ্গে কঙবাজারের রেল যোগাযোগেরও অন্যতম সংযোগ। ২০২৫ সালের ১৪ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউস থেকে তৎকালীন অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তরের স্মারক ফলক উন্মোচন করেন। ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের ১০ মাস পেরোলেও এখনও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।