দি ক্রাইম ডেস্ক: মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহুমুর্হু ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

সোমাবার (২ মার্চ) ভোর থেকে শুরু হয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই এলাকায় ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানাযায়, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মহেশপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ-জাহাঙ্গীরে সমর্থকদের সঙ্গে আতিক মল্লিক-আওলাদ মোল্লা সমর্থকদের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়েছিল এই দুইপক্ষ। সর্বশেষ সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে দুইপক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে বৃষ্টি মতো ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এভাবে কয়েকঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। সর্বশেষ বেলা ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।

এই ব্যাপারে জানতে চেয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ইউসুফ ও আতিক মোল্লার মুঠোফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া গেছে। এতে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা দুজনই স্থানীয় বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত। সংঘর্ষের পর পুলিশি অভিযানের কারণে ঘটনায় জড়িতরা এলাকা ছেড়েছেন।

সরকারি জলাশয় নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৬সরকারি জলাশয় নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৬

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সুলতান আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান,মোল্লাকান্দির ইউনিয়নের এইসব ঘটনা নিজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব। এখানে রাজনৈতিক কোন বিষয় জড়িত নাই।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নামে মোল্লাকান্দিতে। বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সব আত্মগোপনে চলে গেছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। তবে ঘটনাস্থলের আশেপাশে ককটেল বিস্ফোরণে আলামত ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত। এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহুমুর্হু ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

সোমাবার (২ মার্চ) ভোর থেকে শুরু হয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই এলাকায় ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানাযায়, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মহেশপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ-জাহাঙ্গীরে সমর্থকদের সঙ্গে আতিক মল্লিক-আওলাদ মোল্লা সমর্থকদের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়েছিল এই দুইপক্ষ। সর্বশেষ সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে দুইপক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে বৃষ্টি মতো ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এভাবে কয়েকঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। সর্বশেষ বেলা ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।

এই ব্যাপারে জানতে চেয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ইউসুফ ও আতিক মোল্লার মুঠোফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া গেছে। এতে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা দুজনই স্থানীয় বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত। সংঘর্ষের পর পুলিশি অভিযানের কারণে ঘটনায় জড়িতরা এলাকা ছেড়েছেন।

সরকারি জলাশয় নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৬সরকারি জলাশয় নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৬

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সুলতান আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান,মোল্লাকান্দির ইউনিয়নের এইসব ঘটনা নিজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব। এখানে রাজনৈতিক কোন বিষয় জড়িত নাই।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নামে মোল্লাকান্দিতে। বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সব আত্মগোপনে চলে গেছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। তবে ঘটনাস্থলের আশেপাশে ককটেল বিস্ফোরণে আলামত ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত। এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।