ঢাকা অফিস: দেশব্যাপী ‘নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার(২৪ ফেব্রুয়ারী) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

উপস্থিত ছিলেন- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

সভায় পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় খান খনন কর্মসূচি দিয়ে মহাবিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন খাল খনন না থাকায় এবং দেশব্যাপী সেচ ব্যবস্থার অভাব ও জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, জনকল্যাণে প্রয়োজনীয় সকল কিছু করবে বলে তিনি জানান। খাল খনন কর্মসূচি দৃশ্যমান ও কার্যকর করতে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে আগামী তিন দিনের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা দিতে আহ্বান জানান।

খাল খনন টেকসই করা, মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভর, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিক ও আধুনিক কর্মকৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী ।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। খাল খনন বাস্তবায়নের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। চলতি অর্থবছর এবং আগামী বছর গুলোকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কি কাজ করবে তার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি।

আগামী পাঁচ বছরে নির্ধারিত ২০ হাজার কিলোমিটার ‘খাল-পুকুর-জলাশয়’ খনন ও পুনঃখনন’ বাস্তবায়ন করবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

ঢাকা অফিস: দেশব্যাপী ‘নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার(২৪ ফেব্রুয়ারী) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

উপস্থিত ছিলেন- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

সভায় পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় খান খনন কর্মসূচি দিয়ে মহাবিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন খাল খনন না থাকায় এবং দেশব্যাপী সেচ ব্যবস্থার অভাব ও জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, জনকল্যাণে প্রয়োজনীয় সকল কিছু করবে বলে তিনি জানান। খাল খনন কর্মসূচি দৃশ্যমান ও কার্যকর করতে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে আগামী তিন দিনের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা দিতে আহ্বান জানান।

খাল খনন টেকসই করা, মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভর, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিক ও আধুনিক কর্মকৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী ।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। খাল খনন বাস্তবায়নের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। চলতি অর্থবছর এবং আগামী বছর গুলোকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কি কাজ করবে তার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি।

আগামী পাঁচ বছরে নির্ধারিত ২০ হাজার কিলোমিটার ‘খাল-পুকুর-জলাশয়’ খনন ও পুনঃখনন’ বাস্তবায়ন করবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।