দি ক্রাইম ডেস্ক: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের হাজিরবাজার এলাকায় কার্টনের ভেতরে ফেলে রাখা অবস্থায় এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মহাসড়কের পাশে একটি পরিত্যক্ত কার্টন পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে কার্টনের ভেতরে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ভরাডোবা হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে নবজাতককে দ্রুত ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা নবজাতকটিকে কার্টনের ভেতরে ফেলে মহাসড়কের পাশে রেখে চলে গেছে। নবজাতকটির পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জাহিদুল ইসলাম জানান, হাইওয়ে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তের সময় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হতে পারে।

তিনি আরও জনান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের হাজিরবাজার এলাকায় কার্টনের ভেতরে ফেলে রাখা অবস্থায় এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মহাসড়কের পাশে একটি পরিত্যক্ত কার্টন পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে কার্টনের ভেতরে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ভরাডোবা হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে নবজাতককে দ্রুত ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা নবজাতকটিকে কার্টনের ভেতরে ফেলে মহাসড়কের পাশে রেখে চলে গেছে। নবজাতকটির পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জাহিদুল ইসলাম জানান, হাইওয়ে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তের সময় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হতে পারে।

তিনি আরও জনান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।