দি ক্রাইম ঢাকা: কৃষি যন্ত্রপাতি নির্মাতা জাপানের প্রতিষ্ঠান ইয়ানমারকে বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্র তৈরির জন্য কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। আজ শুক্রবার (০৪ মার্চ) বিকালে ঢাকায় দীপ্ত টেলিভিশন চত্বরে ইয়ানমার কোম্পানির কৃষিযন্ত্র প্রদর্শনী পরিদর্শনকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকিকে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিযন্ত্রে ব্যাপক ভর্তুকি দিচ্ছে। ফলে, কৃষিকাজে যন্ত্র ব্যবহারে কৃষকের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কৃষিযন্ত্রের বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে। জাপানি ইয়ানমার কোম্পানির যন্ত্রেরও চাহিদা অনেক। কাজেই, বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে ইয়ানমার কৃষিযন্ত্র তৈরি করতে পারে।
এসময় জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি জানান, বাংলাদেশের সাথে যৌথ উদ্যোগে এদেশে কৃষিযন্ত্র তৈরিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
May be an image of 3 people, people standing, suit and outdoors
পরিদর্শনকালে বিএডিসির চেয়ারম্যান এএফএম হায়াতুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ডিজি বেনজীর আলম, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি দেবাশীষ রায়, এসিআই এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফম আনসারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে কৃষিমন্ত্রী এসিআই দীপ্ত কৃষি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এক সময় খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল। এখন প্রায় ১৭ কোটি মানুষের প্রয়োজনীয় খাবার আমরা ছোট্ট এদেশ থেকে উৎপাদন করছি। বর্তমানে দেশে খাদ্যের কোন অভাব নেই। তবে এখন চ্যালেঞ্জ হলো সকলের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।
জাপানের প্রসঙ্গ তুলে কৃষিমন্ত্রী বলেন,জাপান খুবই শিল্পোন্নত দেশ। তারপরও তারা কৃষি উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে, যাতে খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকতে না হয়।
আমরাও খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকতে পারি না। সেজন্য, বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শম রেজাউল করিম বক্তব্য রাখেন। এছাড়া, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তাফা উসমান তুরান, দীপ্ত টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
দি ক্রাইম ঢাকা: কৃষি যন্ত্রপাতি নির্মাতা জাপানের প্রতিষ্ঠান ইয়ানমারকে বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্র তৈরির জন্য কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। আজ শুক্রবার (০৪ মার্চ) বিকালে ঢাকায় দীপ্ত টেলিভিশন চত্বরে ইয়ানমার কোম্পানির কৃষিযন্ত্র প্রদর্শনী পরিদর্শনকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকিকে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিযন্ত্রে ব্যাপক ভর্তুকি দিচ্ছে। ফলে, কৃষিকাজে যন্ত্র ব্যবহারে কৃষকের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কৃষিযন্ত্রের বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে। জাপানি ইয়ানমার কোম্পানির যন্ত্রেরও চাহিদা অনেক। কাজেই, বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে ইয়ানমার কৃষিযন্ত্র তৈরি করতে পারে।
এসময় জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি জানান, বাংলাদেশের সাথে যৌথ উদ্যোগে এদেশে কৃষিযন্ত্র তৈরিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
May be an image of 3 people, people standing, suit and outdoors
পরিদর্শনকালে বিএডিসির চেয়ারম্যান এএফএম হায়াতুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ডিজি বেনজীর আলম, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি দেবাশীষ রায়, এসিআই এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফম আনসারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে কৃষিমন্ত্রী এসিআই দীপ্ত কৃষি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এক সময় খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল। এখন প্রায় ১৭ কোটি মানুষের প্রয়োজনীয় খাবার আমরা ছোট্ট এদেশ থেকে উৎপাদন করছি। বর্তমানে দেশে খাদ্যের কোন অভাব নেই। তবে এখন চ্যালেঞ্জ হলো সকলের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।
জাপানের প্রসঙ্গ তুলে কৃষিমন্ত্রী বলেন,জাপান খুবই শিল্পোন্নত দেশ। তারপরও তারা কৃষি উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে, যাতে খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকতে না হয়।
আমরাও খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকতে পারি না। সেজন্য, বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শম রেজাউল করিম বক্তব্য রাখেন। এছাড়া, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তাফা উসমান তুরান, দীপ্ত টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।