মিরসরাই প্রতিনিধি: মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানার চোর চক্রের হামলায় ৩জন আনসার সদস্য গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ৩০-৩৫ জনের অজ্ঞাত একটি চোর চক্র কারখানার সীমানার ভিতরে ঢুকে রিপেয়ার টুলস চুরি করতে দেখে আনসার সদস্যরা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের উপর ইটপাটকেল ও দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে বলে বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। এই ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাড়ে ৯টার সময় উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নে অবস্থিত ইস্পাত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম কারখানার উত্তর পূর্বাংশে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

এসময় তারা বিএসআরএম কারখানার ভিতরে থাকা সিজদা মোটরর্সের দুটি ক্রেন ষ্টোবার, ৬ টি ক্রেনের টার্চ পাইচ ও দুটি ড্রাম ট্রাকের বামপার নিয়ে যায়। যাহার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

আহতরা হলেন, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার মীরপুর এলাকার মলিন্দ চন্দ্র দাসের ছেলে রামধন চন্দ্র দাস, লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার বড়খেরিয়া এলাকার আব্দুর রবের ছেলে মিজানুর রহমান ও খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার ছবি মেম্বার পাড়া এলাকার বজলু মিয়ার ছেলে মো. মফিজুল ইসলাম।

সোনাপাহাড় বিএসআরএম কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক মো. ফয়েজ উল্লাহ বলেন, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনের একটি চোর চক্রের সদস্য চুরি, রামদা, চাপাতি ও লোহার রড নিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানে চুরির উদ্দেশ্যে আসে। এসময় তাদেরকে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা কেন আসছে ভিতরে জিজ্ঞেস করিলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তিনদিক থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে ৩ আনসার সদস্য আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, তাদের উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মস্তাননগর থেকে চিকিৎসা শেষে বিএসআরএম কারখানার আনসার ব্যারেকে রাখা হয়েছে। যদি এই বিষয়ে থানায় কোন মামলা দায়ের করা হয় তাহলে আনসার বাহীনির উপর ভবিষ্যতে হামলা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়।

জোরারগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মো. আবুল খায়ের বলেন, উনারা থানায় এসেছেন, তবে এখনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএসআরএমের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, কারখানার সুরক্ষিত সীমানা অতিক্রম করে এভাবে প্রকাশ্যে আনসার সদস্যদের উপর হামলা নজিরবিহীন। বারবার এই চুরির ঘটনা প্রমাণ করে প্রশাসনের আরো নজরদারি বাড়ানো উচিত। এই ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

প্রসংগত, ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিএসআরএম কারখানায় স্ক্যাপ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তখন দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের ছোড়া গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তখন কয়েকজনকে আটক করলেও পরবর্তীতে আর কোন অগ্রগতি নেই । একই ঘটনা গতকাল রাতেও ঘটেছে।

 

মিরসরাই প্রতিনিধি: মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানার চোর চক্রের হামলায় ৩জন আনসার সদস্য গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ৩০-৩৫ জনের অজ্ঞাত একটি চোর চক্র কারখানার সীমানার ভিতরে ঢুকে রিপেয়ার টুলস চুরি করতে দেখে আনসার সদস্যরা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের উপর ইটপাটকেল ও দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে বলে বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। এই ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাড়ে ৯টার সময় উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নে অবস্থিত ইস্পাত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম কারখানার উত্তর পূর্বাংশে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

এসময় তারা বিএসআরএম কারখানার ভিতরে থাকা সিজদা মোটরর্সের দুটি ক্রেন ষ্টোবার, ৬ টি ক্রেনের টার্চ পাইচ ও দুটি ড্রাম ট্রাকের বামপার নিয়ে যায়। যাহার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

আহতরা হলেন, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার মীরপুর এলাকার মলিন্দ চন্দ্র দাসের ছেলে রামধন চন্দ্র দাস, লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার বড়খেরিয়া এলাকার আব্দুর রবের ছেলে মিজানুর রহমান ও খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার ছবি মেম্বার পাড়া এলাকার বজলু মিয়ার ছেলে মো. মফিজুল ইসলাম।

সোনাপাহাড় বিএসআরএম কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক মো. ফয়েজ উল্লাহ বলেন, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনের একটি চোর চক্রের সদস্য চুরি, রামদা, চাপাতি ও লোহার রড নিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানে চুরির উদ্দেশ্যে আসে। এসময় তাদেরকে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা কেন আসছে ভিতরে জিজ্ঞেস করিলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তিনদিক থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে ৩ আনসার সদস্য আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, তাদের উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মস্তাননগর থেকে চিকিৎসা শেষে বিএসআরএম কারখানার আনসার ব্যারেকে রাখা হয়েছে। যদি এই বিষয়ে থানায় কোন মামলা দায়ের করা হয় তাহলে আনসার বাহীনির উপর ভবিষ্যতে হামলা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়।

জোরারগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মো. আবুল খায়ের বলেন, উনারা থানায় এসেছেন, তবে এখনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএসআরএমের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, কারখানার সুরক্ষিত সীমানা অতিক্রম করে এভাবে প্রকাশ্যে আনসার সদস্যদের উপর হামলা নজিরবিহীন। বারবার এই চুরির ঘটনা প্রমাণ করে প্রশাসনের আরো নজরদারি বাড়ানো উচিত। এই ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

প্রসংগত, ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিএসআরএম কারখানায় স্ক্যাপ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তখন দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের ছোড়া গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তখন কয়েকজনকে আটক করলেও পরবর্তীতে আর কোন অগ্রগতি নেই । একই ঘটনা গতকাল রাতেও ঘটেছে।