সাতকানিয়া প্রতিনিধি: বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, কেঁওচিয়া চন্ডী বৈদ্যের ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের এক নেতা জড়িত। তারা মোটর সাইকেলে চড়ে এলাকায় মহড়া দিয়েছেন, দোকান পাট বন্ধ করার জন্য চাপ দিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের আপনারা চেনেন। এখানে উপস্থিত অনেকেই তাদের সাথে রাজনীতি করেন অথবা আপনাদের সাথে থেকেই তারা দিনের বেলা জয় বাংলা বলে, রাতের বেলা মানুষের জমি দখল ও ঘরে আগুন দেয়। এরা সন্ত্রাসী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই কারণে আজকের রাজনীতির মাঠে বিএনপি-জামায়াত নাই। তারা ঘরে ঢুকে গেছে। নির্বাচনে আছে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থী দুজনই আওয়ামীলীগ। এ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ নয়। এ বাংলাদেশের জন্য আমরা যুদ্ধ করি নাই। অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। তিনি গতকাল (শুক্রবার)বিকালে কেঁওচিয়ার তেমুহানী চন্ডি বৈদ্য বাড়ির উঠানে সাতকানিয়া উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষীয় চন্ডী বৈদ্য বাড়ির কাছারি ঘরে দুর্বৃত্তের আগুন দেওয়ার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, ঘরের ভিতর বিভীষণ, দুরে যাওয়ার দরকার নাই। দুর্বৃত্তদের আপনারা চেনেন। কথায় কথায় অনেকেই বিপ্লবের সৈনিক পরিচয় দেন। পক্ষান্তরে হয়ত তারা বিপ্লবকে অন্ধকারে রেখেছে, অথবা হয়ত বিপ্লব কিছুই জানে না অথবা তাদেরকে চিনেও না। তারা বিপ্লবের কথা বলে প্রকৃত রাজনীতিবিদদের বিভ্রান্ত করে চলেছেন। মনে রাখবেন, বিপ্লব বড়–য়া কোন সন্ত্রাসের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দাতা নয়। আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরে যে কয়জন নেতা আছেন, তাদের মধ্যে বিপ্লব অন্যতম। আমি তাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি। এখানে তার নাম ব্যবহার করে সুনাম ক্ষুন্নের কেউ অপচেষ্টা করবেন না।

মঞ্চে উপস্থিত কেঁওচিয়া ইউপি’র নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে রানা দাশগুপ্ত বলেন, ঘটনায় যারা জড়িত তারা বাইরের লোক নয়, এরা আপনার আশ-পাশের লোক। এরা আপনার ইউনিয়নের আশ-পাশে আছেন। টর্চ লাইটের আলোতে তাদের খোঁজার দরকার নাই। এদের আপানারা চেনেন।

সাতকানিয়া উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি এডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন, ঐক্য পরিষদের দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক লায়ন তাপস হোড়। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় আদিবাসী বিষয়ক সম্পাদক নেতা শরৎ জ্যোতি চাকমা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি এডভোকেট আহমদ সাইফুদ্দিন ছিদ্দিকী, কেঁওচিয়া ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ওচমান আলী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মাষ্টার মো. ইউনুছ ও সাধারণ সম্পাদক রিপন দাশ সুজন। উপজেলা ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি কাঞ্চন আচার্য্য রাজুর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ জেলা ঐক্য পরিষদ নেতা ডা. অধর লাল চক্রবর্তী, লায়ন শেখর দত্ত, বিষ্ণুযশা চক্রবর্তী, তাপস কান্তি দে, দেবর্শী চক্রবর্তী, দীলিপ ঘোষ দিপু, রমা বৈদ্য, মাষ্টার শ্যামল দে, রূপসী দাশ, ইলা বড়ুয়া, আশুতোষ চক্রবর্তী, রঞ্জন আচার্য্য, প্রবীণ দাশ সুমন, সৈকত পালিত রাসেল, ইঞ্জিনিয়ার লিখন দাশ, উত্তম দাশ, পোপন ধর, লিটন মল্লিক ও রুবেল শীল।

রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্য করে রানা দাশগুপ্ত বলেন, আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন- দলে কাউয়া ও পরগাছা ঢুকেছে। কথায় কথায় নেতারা জয় বাংলা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে। মুজিব কোর্ট পরে সরকারকে জন বিচ্ছিন্ন করার জন্য লুট, ছিনতাই, সাম্প্রদায়িক উস্কানি এমনকি ঘরে ঢুকে মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়। বিগত ১০ বছরে আওয়ামীলীগ সরকার দেশে কাজ কম করেনি। ২৪ ঘন্টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কথা ভাবেন। তবুও আপনাদের কেন ভাবতে হয়, জনগণ আপনাকে ভোট দিবে কিনা? ২ বছর পর সংসদ নির্বাচন। ভোট দেওয়ার অধিকার যেমন আমার আছে, তেমনি আছে না দেওয়ারও। ‘৭০,‘৭৩ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে ২ হাত ভরে বঙ্গবন্ধুর দলকে আমরা ভোট দিয়েছিলাম। আজকে কেন সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘুরা নিজেদের প্রশ্ন করে এই ভোট দিয়ে আমাদের কি লাভ? যদি তারা (সংখ্যালঘু) ভোট না দেয়, রাজনীতির মাঠের খেলা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? সেদিন অনেকেই দেশেও থাকতে পারবেন না। এটাই বাস্তবতা।

ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, ১৫ আগষ্টের পর বাংলাদেশকে পাকিস্তানে পরিণত করেছিল। সেখান থেকে আজও মুক্তি মেলেনি। আগামীতে মুক্তিযোদ্ধের চেতনার ধারা অব্যাহত রেখে রাজনৈতিক ধারা যদি এগিয়ে না যায়, বাংলাদেশ একদিন আফগানিস্তানের তালেবানি রাষ্ট্রে পরিণত হবে। মনে রাখবেন, ১৫ আগষ্টের আগে সবার গায়ে মুজিব কোট দেখেছিলাম, পরে দেখি গায়ে সবার সাফারি কোট। আপনাদের কর্মী বাহিনী সামলান। পরগাছা যদি থাকে তাহলে তারা কারা জনগণের সামনে তাদের উপস্থাপন করুন। যদি না পারেন মনে রাখবেন, ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এতে শুধু সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এগিয়ে যাবে তা নয়, আপনারাও পিছিয়ে থাকবেন না। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে হিন্দুরা না থাকলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের ম্যাজরিটি পার্টির নেতা হতে পারতেন না। এ কথাগুলো মনে রেখে রাজনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাওয়া উচিত।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে রানা দাশগুপ্তের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল তেমুহানীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

 

সাতকানিয়া প্রতিনিধি: বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, কেঁওচিয়া চন্ডী বৈদ্যের ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের এক নেতা জড়িত। তারা মোটর সাইকেলে চড়ে এলাকায় মহড়া দিয়েছেন, দোকান পাট বন্ধ করার জন্য চাপ দিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের আপনারা চেনেন। এখানে উপস্থিত অনেকেই তাদের সাথে রাজনীতি করেন অথবা আপনাদের সাথে থেকেই তারা দিনের বেলা জয় বাংলা বলে, রাতের বেলা মানুষের জমি দখল ও ঘরে আগুন দেয়। এরা সন্ত্রাসী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই কারণে আজকের রাজনীতির মাঠে বিএনপি-জামায়াত নাই। তারা ঘরে ঢুকে গেছে। নির্বাচনে আছে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থী দুজনই আওয়ামীলীগ। এ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ নয়। এ বাংলাদেশের জন্য আমরা যুদ্ধ করি নাই। অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। তিনি গতকাল (শুক্রবার)বিকালে কেঁওচিয়ার তেমুহানী চন্ডি বৈদ্য বাড়ির উঠানে সাতকানিয়া উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষীয় চন্ডী বৈদ্য বাড়ির কাছারি ঘরে দুর্বৃত্তের আগুন দেওয়ার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, ঘরের ভিতর বিভীষণ, দুরে যাওয়ার দরকার নাই। দুর্বৃত্তদের আপনারা চেনেন। কথায় কথায় অনেকেই বিপ্লবের সৈনিক পরিচয় দেন। পক্ষান্তরে হয়ত তারা বিপ্লবকে অন্ধকারে রেখেছে, অথবা হয়ত বিপ্লব কিছুই জানে না অথবা তাদেরকে চিনেও না। তারা বিপ্লবের কথা বলে প্রকৃত রাজনীতিবিদদের বিভ্রান্ত করে চলেছেন। মনে রাখবেন, বিপ্লব বড়–য়া কোন সন্ত্রাসের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দাতা নয়। আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরে যে কয়জন নেতা আছেন, তাদের মধ্যে বিপ্লব অন্যতম। আমি তাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি। এখানে তার নাম ব্যবহার করে সুনাম ক্ষুন্নের কেউ অপচেষ্টা করবেন না।

মঞ্চে উপস্থিত কেঁওচিয়া ইউপি’র নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে রানা দাশগুপ্ত বলেন, ঘটনায় যারা জড়িত তারা বাইরের লোক নয়, এরা আপনার আশ-পাশের লোক। এরা আপনার ইউনিয়নের আশ-পাশে আছেন। টর্চ লাইটের আলোতে তাদের খোঁজার দরকার নাই। এদের আপানারা চেনেন।

সাতকানিয়া উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি এডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন, ঐক্য পরিষদের দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক লায়ন তাপস হোড়। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় আদিবাসী বিষয়ক সম্পাদক নেতা শরৎ জ্যোতি চাকমা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি এডভোকেট আহমদ সাইফুদ্দিন ছিদ্দিকী, কেঁওচিয়া ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ওচমান আলী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মাষ্টার মো. ইউনুছ ও সাধারণ সম্পাদক রিপন দাশ সুজন। উপজেলা ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি কাঞ্চন আচার্য্য রাজুর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ জেলা ঐক্য পরিষদ নেতা ডা. অধর লাল চক্রবর্তী, লায়ন শেখর দত্ত, বিষ্ণুযশা চক্রবর্তী, তাপস কান্তি দে, দেবর্শী চক্রবর্তী, দীলিপ ঘোষ দিপু, রমা বৈদ্য, মাষ্টার শ্যামল দে, রূপসী দাশ, ইলা বড়ুয়া, আশুতোষ চক্রবর্তী, রঞ্জন আচার্য্য, প্রবীণ দাশ সুমন, সৈকত পালিত রাসেল, ইঞ্জিনিয়ার লিখন দাশ, উত্তম দাশ, পোপন ধর, লিটন মল্লিক ও রুবেল শীল।

রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্য করে রানা দাশগুপ্ত বলেন, আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন- দলে কাউয়া ও পরগাছা ঢুকেছে। কথায় কথায় নেতারা জয় বাংলা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে। মুজিব কোর্ট পরে সরকারকে জন বিচ্ছিন্ন করার জন্য লুট, ছিনতাই, সাম্প্রদায়িক উস্কানি এমনকি ঘরে ঢুকে মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়। বিগত ১০ বছরে আওয়ামীলীগ সরকার দেশে কাজ কম করেনি। ২৪ ঘন্টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কথা ভাবেন। তবুও আপনাদের কেন ভাবতে হয়, জনগণ আপনাকে ভোট দিবে কিনা? ২ বছর পর সংসদ নির্বাচন। ভোট দেওয়ার অধিকার যেমন আমার আছে, তেমনি আছে না দেওয়ারও। ‘৭০,‘৭৩ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে ২ হাত ভরে বঙ্গবন্ধুর দলকে আমরা ভোট দিয়েছিলাম। আজকে কেন সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘুরা নিজেদের প্রশ্ন করে এই ভোট দিয়ে আমাদের কি লাভ? যদি তারা (সংখ্যালঘু) ভোট না দেয়, রাজনীতির মাঠের খেলা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? সেদিন অনেকেই দেশেও থাকতে পারবেন না। এটাই বাস্তবতা।

ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, ১৫ আগষ্টের পর বাংলাদেশকে পাকিস্তানে পরিণত করেছিল। সেখান থেকে আজও মুক্তি মেলেনি। আগামীতে মুক্তিযোদ্ধের চেতনার ধারা অব্যাহত রেখে রাজনৈতিক ধারা যদি এগিয়ে না যায়, বাংলাদেশ একদিন আফগানিস্তানের তালেবানি রাষ্ট্রে পরিণত হবে। মনে রাখবেন, ১৫ আগষ্টের আগে সবার গায়ে মুজিব কোট দেখেছিলাম, পরে দেখি গায়ে সবার সাফারি কোট। আপনাদের কর্মী বাহিনী সামলান। পরগাছা যদি থাকে তাহলে তারা কারা জনগণের সামনে তাদের উপস্থাপন করুন। যদি না পারেন মনে রাখবেন, ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এতে শুধু সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এগিয়ে যাবে তা নয়, আপনারাও পিছিয়ে থাকবেন না। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে হিন্দুরা না থাকলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের ম্যাজরিটি পার্টির নেতা হতে পারতেন না। এ কথাগুলো মনে রেখে রাজনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাওয়া উচিত।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে রানা দাশগুপ্তের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল তেমুহানীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।