কক্সবাজার প্রতিনিধি: ২৫০ শয্যার কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুন রোগী ভর্তি রয়েছে। এতে প্রতিনিয়তেই হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর স্বজনরা। হাসপাতালের ওয়ার্ডের ভিতরের মেঝেতেও জায়গা না পেয়ে অবশেষে রোগীর ঠাঁই মিললো বারান্দায়।

বিশেষ করে হাসপাতালের ৪র্থ ও ৫ম তলায় রোগীর শয্যা সংখ্যার দ্বিগুনের চেয়ে বেশি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। এ দুই তলায় যেসব রোগী রয়েছে তারমধ্যে বেশির ভাগই সড়ক দুর্ঘটনা ও মারিমারিতে আহত হওয়া রোগী বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

একদিকে যেমন দ্বিগুন রোগী, অন্যদিকে সেবার মান কমছে বলে অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। নিয়ম অনুসারে পর্যাপ্ত চিকিৎসক থাকলেও সে অনুযায়ী ডাক্তার নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বেশির ভাগই নার্স ও ইন্টার্নী চিকিৎসক রোগী দেখেন বলে জানা গেছে। হাসপাতালের ওয়ার্ডের বাহিরে বারন্দায় ও সিটের নিচে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি থাকায় রোগী দেখতে আসা স্বজনের চলাচল করতে কষ্টের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

মনে হচ্ছে ওয়ার্ডের বাহিরে আরেকটি হাসপাতালে রয়েছে। ইদানিং ৪র্থ ও ৫ম তলায় বরাদ্দের চাইতে দ্বিগুন রোগী সামাল দিতেও বেকাদায় রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গতকাল বেলা ১২ টার দিকে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, পুরো হাসপাতালজুড়ে রোগীদের ভীড় মোটামুটি থাকলে ৪র্থ ও ৫ম তলায় রোগীর শয্যা সংখ্যার চেয়ে দ্বিগুন বাড়তি। এমনকি ওয়ার্ডের বাহিরেও অনেক রোগী ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। বিশেষ করে ৪র্থ ও ৫ম তলায় ওয়ার্ডের ভেতরে রোগী এত বেশি সেখানে জায়গার সংকুলন না হয়ে ওয়ার্ডের সামনে বারান্দায় ফ্লোরে বেট ও বেটসিট বিশিয়ে অনেকে রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

ভারুয়াখালী থেকে মা’কে নিয়ে আসা রশিদা বেগম বলেন, আমার মা’কে হাসপাতালে এনেছি প্রায় তিনদিন হয়েছে। তারমধ্যে আবার শুক্র ও শনিবার পড়ে গেছে, বন্ধের দিন হিসেবে এই দুই দিন নাকি ডাক্তার আসে না। ওয়ার্ডে ভেতরে জায়গা না থাকায় সামনে বারান্দার মধ্যে ফ্লোরে বেট বিশিয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছি। আবারো চিকিৎসা সেবাও পাচ্ছি না তেমন। বিশেষ করে ডাক্তার রোগী দেখতে কম আসে। নার্স ও ইন্টার্ন দিয়ে চিকিৎসা সেবা চালিয়ে দিতে চাই তারা। মন চাইলে এখানে রোগীদের দেখতে ডাক্তার আসেন না হয় আসেনা। তারা দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করে থাকে। একই কথা বলেন, রামু থেকে রোগী নিয়ে আসা রোগীর বড় ভাই মোহাম্মদ ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। হাসপাতালের ৪র্থ তলার এক নার্সের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ৪ম ও ৫র্থ তলায় রোগীর একটু চাপ বেশি। বেশির ভাগই মেডিসিন রোগি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সুমন বড়ুয়া বলেন, সদর হাসপাতালে সবসময় রোগীর সংখ্যা বাড়তি থাকে। বর্তমানে প্রায় ৬০০ অধিক রোগী রয়েছেন। অবহেলা নয়, যতো সম্ভব রোগীদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি।

কক্সবাজার প্রতিনিধি: ২৫০ শয্যার কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুন রোগী ভর্তি রয়েছে। এতে প্রতিনিয়তেই হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর স্বজনরা। হাসপাতালের ওয়ার্ডের ভিতরের মেঝেতেও জায়গা না পেয়ে অবশেষে রোগীর ঠাঁই মিললো বারান্দায়।

বিশেষ করে হাসপাতালের ৪র্থ ও ৫ম তলায় রোগীর শয্যা সংখ্যার দ্বিগুনের চেয়ে বেশি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। এ দুই তলায় যেসব রোগী রয়েছে তারমধ্যে বেশির ভাগই সড়ক দুর্ঘটনা ও মারিমারিতে আহত হওয়া রোগী বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

একদিকে যেমন দ্বিগুন রোগী, অন্যদিকে সেবার মান কমছে বলে অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। নিয়ম অনুসারে পর্যাপ্ত চিকিৎসক থাকলেও সে অনুযায়ী ডাক্তার নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বেশির ভাগই নার্স ও ইন্টার্নী চিকিৎসক রোগী দেখেন বলে জানা গেছে। হাসপাতালের ওয়ার্ডের বাহিরে বারন্দায় ও সিটের নিচে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি থাকায় রোগী দেখতে আসা স্বজনের চলাচল করতে কষ্টের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

মনে হচ্ছে ওয়ার্ডের বাহিরে আরেকটি হাসপাতালে রয়েছে। ইদানিং ৪র্থ ও ৫ম তলায় বরাদ্দের চাইতে দ্বিগুন রোগী সামাল দিতেও বেকাদায় রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গতকাল বেলা ১২ টার দিকে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, পুরো হাসপাতালজুড়ে রোগীদের ভীড় মোটামুটি থাকলে ৪র্থ ও ৫ম তলায় রোগীর শয্যা সংখ্যার চেয়ে দ্বিগুন বাড়তি। এমনকি ওয়ার্ডের বাহিরেও অনেক রোগী ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। বিশেষ করে ৪র্থ ও ৫ম তলায় ওয়ার্ডের ভেতরে রোগী এত বেশি সেখানে জায়গার সংকুলন না হয়ে ওয়ার্ডের সামনে বারান্দায় ফ্লোরে বেট ও বেটসিট বিশিয়ে অনেকে রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

ভারুয়াখালী থেকে মা’কে নিয়ে আসা রশিদা বেগম বলেন, আমার মা’কে হাসপাতালে এনেছি প্রায় তিনদিন হয়েছে। তারমধ্যে আবার শুক্র ও শনিবার পড়ে গেছে, বন্ধের দিন হিসেবে এই দুই দিন নাকি ডাক্তার আসে না। ওয়ার্ডে ভেতরে জায়গা না থাকায় সামনে বারান্দার মধ্যে ফ্লোরে বেট বিশিয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছি। আবারো চিকিৎসা সেবাও পাচ্ছি না তেমন। বিশেষ করে ডাক্তার রোগী দেখতে কম আসে। নার্স ও ইন্টার্ন দিয়ে চিকিৎসা সেবা চালিয়ে দিতে চাই তারা। মন চাইলে এখানে রোগীদের দেখতে ডাক্তার আসেন না হয় আসেনা। তারা দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করে থাকে। একই কথা বলেন, রামু থেকে রোগী নিয়ে আসা রোগীর বড় ভাই মোহাম্মদ ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। হাসপাতালের ৪র্থ তলার এক নার্সের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ৪ম ও ৫র্থ তলায় রোগীর একটু চাপ বেশি। বেশির ভাগই মেডিসিন রোগি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সুমন বড়ুয়া বলেন, সদর হাসপাতালে সবসময় রোগীর সংখ্যা বাড়তি থাকে। বর্তমানে প্রায় ৬০০ অধিক রোগী রয়েছেন। অবহেলা নয়, যতো সম্ভব রোগীদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি।