লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া : বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কুতুবদিয়া উপকূলের ২৯ জেলে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের হাতে আটকের খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি ভারতীয় একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সংবাদ প্রকাশ হলে ট্রলার মালিক কর্তৃপক্ষ জানতে পারে। পরে ভারতে অবস্থানরত অমল কান্তি দাশ নামের জনৈক বাংলাদেশীর মুঠোফোনে (০০৯১৯১২৬৪৮৪৩৪০) যোগাযোগ করে ভারতীয় জেলে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত হন ট্রলার মালিক কর্তৃপক্ষ।

ভারতে আটককৃত জেলেরা হলেন, কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপকূলের বড়ঘোপ ইউনিয়নের মৃত আবুল কালামের পুত্র মোঃ ইউনুছ মাঝি (৫০), তোতা মিয়ার পুত্র মোঃ এরশাদ (৩৫), আবদু ছাত্তারের পুত্র মোঃ জমির উদ্দিন(৩০), মৃত ছালে আহমদের পুত্র নুর মোহাম্মদ ((৪৩), মোঃ আলমগীরের পুত্র মিজানুর রহমান(৩৩), মৃত কালু মিয়ার পুত্র শাহাদাৎ হোছাইন (৩৪), মফিজুর রহমানের পুত্র নুরুল বশর (৩৮) নুরুল আবছারের পুত্র একরামুর হক (২৫) মোঃ বকসুর পুত্র জমির উদ্দিন(৩৪) মোহাম্মদ ছৈয়দের পুত্র জাফর আলম (৩৯) জকির আহমদের পুত্র নুর মোহাম্মদ (৩৬), মোঃ হোসেনের পুত্র খোরশেদ আলম (২৫), আবু তাহেরের পুত্র মোঃ ইব্রাহিম(৩৩), আনোয়ার হোছাইনের পুত্র আরাফাত হোছাইন (২৩), আবু তাহেরের পুত্র রফিক উদ্দিন (২৫), আবুল হোসেনের পুত্র আলা উদ্দিন (৩৭), ফজল করিমের পুত্র মোহাম্মদ রুবেল (২৯), কবির আহমদের পুত্র মাহাবুব আলম (৫০), ইব্রাহিম খলিলের পুত্র মোঃ মামুন(৩১), মোঃ সিরাজুল ইসলামের পুত্র মোঃ আকাশ(৩২), অনিল দাশের পুত্র রম্ভস দাশ (৩৫), নুরুল আবছারের পুত্র মহিউদ্দিন(২৬), পেঠান কান্তি দাশের পুত্র প্রভাত কান্তি দাশ (৪০), আবু তাহেরের পুত্র আবু মুছা (৩১), নুরুল ইসলামের পুত্র অলি উদ্দিন(২৪), নুরুল ইসলামের পুত্র নুরুল আলম(২২), মোঃ শেরজান খানের পুত্র মোঃ শহীদ উদ্দিন রাসেল (২৬), ইদ্রিস হোসেনের পুত্র মিজানুর রহমান (৩৪) ও রাশেদ মিয়ার পুত্র মাহামুদুল করিম। জেলে পরিবারে আটকের খবর পৌছলে আহাজারি শব্দে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।

জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারী সাগরে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে পথ হারিয়ে ভারতীয় জলসীমায় ডুকে পড়ে বাংলাদেশী তিনটি মাছ ধরার ট্রলার। ভারতীয় জলসীমায় ডুকে গেলে সে দেশের কোস্ট গার্ড তিনটি নৌকা ও ৮৮ জেলেকে আটক করে। তন্মধ্যে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের মুরালিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের মালিকানাধীন ২৯ জেলেসহ এফবি আল রাফি নামের একটি ফিশিং ট্রলার বলে নিশ্চিত করেন। তারা বর্তমানে ভরতের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ফ্রেজারগঞ্জ বন্দর এলাকার নামখানা জেল হাজতে বন্দী আছে।

এদিকে জেলেদের নিখোঁজ ও খবর পাওয়ার বিষয় নিয়ে এফবি আল রাফি ফিশিং বোটের মালিক কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়নের মুরালিয়া গ্রামের ইসমাঈলের পুত্র জসিম উদ্দিন পৃথকভাবে কুতুবদিয়া থানায় ২টি সাধারণ ডায়েরী যথাক্রমে ৬০৬ ও ৬৪৩ লিপিবদ্ধ করেন।

লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া : বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কুতুবদিয়া উপকূলের ২৯ জেলে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের হাতে আটকের খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি ভারতীয় একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সংবাদ প্রকাশ হলে ট্রলার মালিক কর্তৃপক্ষ জানতে পারে। পরে ভারতে অবস্থানরত অমল কান্তি দাশ নামের জনৈক বাংলাদেশীর মুঠোফোনে (০০৯১৯১২৬৪৮৪৩৪০) যোগাযোগ করে ভারতীয় জেলে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত হন ট্রলার মালিক কর্তৃপক্ষ।

ভারতে আটককৃত জেলেরা হলেন, কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপকূলের বড়ঘোপ ইউনিয়নের মৃত আবুল কালামের পুত্র মোঃ ইউনুছ মাঝি (৫০), তোতা মিয়ার পুত্র মোঃ এরশাদ (৩৫), আবদু ছাত্তারের পুত্র মোঃ জমির উদ্দিন(৩০), মৃত ছালে আহমদের পুত্র নুর মোহাম্মদ ((৪৩), মোঃ আলমগীরের পুত্র মিজানুর রহমান(৩৩), মৃত কালু মিয়ার পুত্র শাহাদাৎ হোছাইন (৩৪), মফিজুর রহমানের পুত্র নুরুল বশর (৩৮) নুরুল আবছারের পুত্র একরামুর হক (২৫) মোঃ বকসুর পুত্র জমির উদ্দিন(৩৪) মোহাম্মদ ছৈয়দের পুত্র জাফর আলম (৩৯) জকির আহমদের পুত্র নুর মোহাম্মদ (৩৬), মোঃ হোসেনের পুত্র খোরশেদ আলম (২৫), আবু তাহেরের পুত্র মোঃ ইব্রাহিম(৩৩), আনোয়ার হোছাইনের পুত্র আরাফাত হোছাইন (২৩), আবু তাহেরের পুত্র রফিক উদ্দিন (২৫), আবুল হোসেনের পুত্র আলা উদ্দিন (৩৭), ফজল করিমের পুত্র মোহাম্মদ রুবেল (২৯), কবির আহমদের পুত্র মাহাবুব আলম (৫০), ইব্রাহিম খলিলের পুত্র মোঃ মামুন(৩১), মোঃ সিরাজুল ইসলামের পুত্র মোঃ আকাশ(৩২), অনিল দাশের পুত্র রম্ভস দাশ (৩৫), নুরুল আবছারের পুত্র মহিউদ্দিন(২৬), পেঠান কান্তি দাশের পুত্র প্রভাত কান্তি দাশ (৪০), আবু তাহেরের পুত্র আবু মুছা (৩১), নুরুল ইসলামের পুত্র অলি উদ্দিন(২৪), নুরুল ইসলামের পুত্র নুরুল আলম(২২), মোঃ শেরজান খানের পুত্র মোঃ শহীদ উদ্দিন রাসেল (২৬), ইদ্রিস হোসেনের পুত্র মিজানুর রহমান (৩৪) ও রাশেদ মিয়ার পুত্র মাহামুদুল করিম। জেলে পরিবারে আটকের খবর পৌছলে আহাজারি শব্দে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।

জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারী সাগরে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে পথ হারিয়ে ভারতীয় জলসীমায় ডুকে পড়ে বাংলাদেশী তিনটি মাছ ধরার ট্রলার। ভারতীয় জলসীমায় ডুকে গেলে সে দেশের কোস্ট গার্ড তিনটি নৌকা ও ৮৮ জেলেকে আটক করে। তন্মধ্যে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের মুরালিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের মালিকানাধীন ২৯ জেলেসহ এফবি আল রাফি নামের একটি ফিশিং ট্রলার বলে নিশ্চিত করেন। তারা বর্তমানে ভরতের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ফ্রেজারগঞ্জ বন্দর এলাকার নামখানা জেল হাজতে বন্দী আছে।

এদিকে জেলেদের নিখোঁজ ও খবর পাওয়ার বিষয় নিয়ে এফবি আল রাফি ফিশিং বোটের মালিক কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়নের মুরালিয়া গ্রামের ইসমাঈলের পুত্র জসিম উদ্দিন পৃথকভাবে কুতুবদিয়া থানায় ২টি সাধারণ ডায়েরী যথাক্রমে ৬০৬ ও ৬৪৩ লিপিবদ্ধ করেন।