নিজস্ব প্রতিবেদক: পানির দাম বাড়াতে চায় চট্টগ্রাম ওয়াসা। না হয় সামনে চরম আর্থিক সংকটে পড়তে হবে সেবামূলক এই প্রতিষ্ঠানকে। বর্তমানে প্রকল্পগুলোতে পানির উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় ভর্তুকিও বেড়ে গেছে। আগামী জুলাই থেকে তিনটি পানি শোধনাগার প্রকল্পের ঋণের টাকা পরিশোধ শুরু করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকার কোনো ধরনের ভর্তুকি দেবে না বলে জানিয়েছে। ওয়াসা নিজস্ব ক্ষমতাবলে গত জানুয়ারি থেকে ৫ শতাংশ পানির দাম বাড়িয়েছে। ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তার সঙ্গে প্রতি ১ হাজার লিটারে আরো তিন টাকা বাড়াতে চায় কর্তৃপক্ষ।

ওয়াসা কর্মকর্তারা জানান, পানির উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। প্রকল্পের জন্য প্রচুর কেমিক্যাল প্রয়োজন হয়। কেমিক্যালের দামও বাড়তি। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর ব্যবহার করতে হয়। ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে খরচ বেড়ে গেছে। পানি উৎপাদন খাতে প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। শুধুমাত্র বিদ্যুৎ খাতে মাসে ৭ কোটি টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমানে ১ হাজার লিটারে উৎপাদন খরচ পড়ে প্রায় ২৪ টাকা। আর আবাসিকে গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রি করা হয় প্রতি ১ হাজার ১৩ টাকা ২ পয়সা এবং অনাবাসিকে ৩১ টাকা ৮২ পয়সা। ফলে এত ভর্তুকি দিয়ে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। আয়-ব্যয় সামাল দেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

তবে পানি সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ওয়াসার আয় বেড়েছে। ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে না বলে এখন আর্থিক সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু আগামী জুলাই থেকে তিনটি প্রকল্পের ঋণের টাকা পরিশোধ শুরু করতে হবে। এগুলো জিওবি ও বৈদেশিক ঋণের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ৩১ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বর্তমানে ওয়াসার আয়-ব্যয় প্রায় কাছাকাছি। ফলে আয় বাড়ানো না গেলে ঋণ পরিশোধে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। কর্মকর্তারা জানান, ওয়াসা মোট পানি সরবরাহের ৯২ শতাংশ সার্ভিস ওয়াটার সরবরাহ করছে। বাকি পানি নলকূপ থেকে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো চালু হলে শতভাগ সার্ভিস ওয়াটার সরবরাহ দেওয়া হবে। তখন নলকূপগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। বর্তমানে জনসংখ্যা অনুপাতে নগরীতে পানি দৈনিক চাহিদা ৫০ কোটি লিটার। আর ওয়াসা সরবরাহ দিচ্ছে দৈনিক ৪৫ কোটি লিটার। ওয়াসা পরিচালনা বোর্ড নিজস্ব ক্ষমতাবলে বছরে ৫ শতাংশ পানির দাম বাড়াতে পারে। গত জানুয়ারি থেকে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর বেশি বাড়াতে গেলে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন নিতে হয়। ফলে পানির দাম বাড়াতে প্রস্তাব দেবে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, জুলাই থেকে পানির দাম না বাড়ালে আর্থিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। মূল্য যাতে গ্রাহকের সহনীয় পর্যায়ে থাকে তাই প্রতি ১ হাজার লিটার তিন টাকা বাড়িয়ে ১৬ টাকা করার প্রস্তাব দেব। দাম বাড়ালে আগামী ২৫ সাল পর্যন্ত আর্থিক সংকট হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট না থাকায় সিস্টেম লস নিয়ে অভিযান চালানো যাচ্ছে না। জনবলের ব্যাপক সংকট রয়েছে। নগরীতে বিভিন্ন সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ির কারণে পাইপলাইন ফেটে পানি অপচয় হচ্ছে। কিন্তু পাইপলাইনের ত্রুটি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো লোকবল নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদক: পানির দাম বাড়াতে চায় চট্টগ্রাম ওয়াসা। না হয় সামনে চরম আর্থিক সংকটে পড়তে হবে সেবামূলক এই প্রতিষ্ঠানকে। বর্তমানে প্রকল্পগুলোতে পানির উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় ভর্তুকিও বেড়ে গেছে। আগামী জুলাই থেকে তিনটি পানি শোধনাগার প্রকল্পের ঋণের টাকা পরিশোধ শুরু করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকার কোনো ধরনের ভর্তুকি দেবে না বলে জানিয়েছে। ওয়াসা নিজস্ব ক্ষমতাবলে গত জানুয়ারি থেকে ৫ শতাংশ পানির দাম বাড়িয়েছে। ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তার সঙ্গে প্রতি ১ হাজার লিটারে আরো তিন টাকা বাড়াতে চায় কর্তৃপক্ষ।

ওয়াসা কর্মকর্তারা জানান, পানির উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। প্রকল্পের জন্য প্রচুর কেমিক্যাল প্রয়োজন হয়। কেমিক্যালের দামও বাড়তি। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর ব্যবহার করতে হয়। ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে খরচ বেড়ে গেছে। পানি উৎপাদন খাতে প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। শুধুমাত্র বিদ্যুৎ খাতে মাসে ৭ কোটি টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমানে ১ হাজার লিটারে উৎপাদন খরচ পড়ে প্রায় ২৪ টাকা। আর আবাসিকে গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রি করা হয় প্রতি ১ হাজার ১৩ টাকা ২ পয়সা এবং অনাবাসিকে ৩১ টাকা ৮২ পয়সা। ফলে এত ভর্তুকি দিয়ে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। আয়-ব্যয় সামাল দেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

তবে পানি সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ওয়াসার আয় বেড়েছে। ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে না বলে এখন আর্থিক সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু আগামী জুলাই থেকে তিনটি প্রকল্পের ঋণের টাকা পরিশোধ শুরু করতে হবে। এগুলো জিওবি ও বৈদেশিক ঋণের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ৩১ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বর্তমানে ওয়াসার আয়-ব্যয় প্রায় কাছাকাছি। ফলে আয় বাড়ানো না গেলে ঋণ পরিশোধে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। কর্মকর্তারা জানান, ওয়াসা মোট পানি সরবরাহের ৯২ শতাংশ সার্ভিস ওয়াটার সরবরাহ করছে। বাকি পানি নলকূপ থেকে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো চালু হলে শতভাগ সার্ভিস ওয়াটার সরবরাহ দেওয়া হবে। তখন নলকূপগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। বর্তমানে জনসংখ্যা অনুপাতে নগরীতে পানি দৈনিক চাহিদা ৫০ কোটি লিটার। আর ওয়াসা সরবরাহ দিচ্ছে দৈনিক ৪৫ কোটি লিটার। ওয়াসা পরিচালনা বোর্ড নিজস্ব ক্ষমতাবলে বছরে ৫ শতাংশ পানির দাম বাড়াতে পারে। গত জানুয়ারি থেকে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর বেশি বাড়াতে গেলে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন নিতে হয়। ফলে পানির দাম বাড়াতে প্রস্তাব দেবে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, জুলাই থেকে পানির দাম না বাড়ালে আর্থিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। মূল্য যাতে গ্রাহকের সহনীয় পর্যায়ে থাকে তাই প্রতি ১ হাজার লিটার তিন টাকা বাড়িয়ে ১৬ টাকা করার প্রস্তাব দেব। দাম বাড়ালে আগামী ২৫ সাল পর্যন্ত আর্থিক সংকট হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট না থাকায় সিস্টেম লস নিয়ে অভিযান চালানো যাচ্ছে না। জনবলের ব্যাপক সংকট রয়েছে। নগরীতে বিভিন্ন সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ির কারণে পাইপলাইন ফেটে পানি অপচয় হচ্ছে। কিন্তু পাইপলাইনের ত্রুটি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো লোকবল নেই।