ক্রাইম প্রতিবেদক: নগরীতে অভিযান চালিয়ে চার সহযোগীসহ জলদস্যু কামাল বাহিনীর প্রধান কামালকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, দুটি ওয়ান শুটার গান, তিনটি রামদা, তিনটি চাপাতি ও একটি ধারালো চাকুসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়। মহানগরের ইপিজেডে এই অভিযানে অপহৃত হওয়া চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ইপিজেডের আকমল আলী রোডের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার কামালের সহযোগীরা হলেন- মো. নূর নবী (২৬), ফেরদৌস মাঝি (৩৫), মো. শামীম (২৪) ও মো. অ্যানি (৩১)।
র‌্যাব জানায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম-হাতিয়া চ্যানেলে মাছ ধরা অবস্থায় একটি কাঠের ট্রলারসহ কয়েকজন জেলেকে অপহরণ করে একদল জলদস্যু। কোস্ট গার্ড সূত্রে এমন খবর পেয়ে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জলদস্যু নেতা কামালের অবস্থান নগরের ইপিজেড থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেপতার করা হয়।
র‌্যাব সূত্র জানায়, কামালই মূলত অপকর্মের পরিকল্পনা এবং ভুক্তভোগীদের আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা আদায় করতেন। তার নামে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কামালের দলের সদস্য নূর নবী টাকা পয়সা আদায় সংক্রান্তে তথ্য আদান-প্রদান ও তাদের খাবার সরবরাহ করতেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম র‌্যাবের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমএ ইউসুফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সুন্দরবনকে ডাকাত, জলদস্যু ও বনদস্যু মুক্ত ঘোষণা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুন্দরবন এলাকায় বসবাসকারী জেলেরা স্বস্তির সঙ্গে মাছ ধরছিল। কয়েকদিন আগে বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম-হাতিয়া চ্যানেলে একদল জেলে অপহৃত হয়। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টানা ৭২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে চার সহযোগীসহ জলদস্যু নেতা কামালকে আটক করা হয়।

ক্রাইম প্রতিবেদক: নগরীতে অভিযান চালিয়ে চার সহযোগীসহ জলদস্যু কামাল বাহিনীর প্রধান কামালকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, দুটি ওয়ান শুটার গান, তিনটি রামদা, তিনটি চাপাতি ও একটি ধারালো চাকুসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়। মহানগরের ইপিজেডে এই অভিযানে অপহৃত হওয়া চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ইপিজেডের আকমল আলী রোডের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার কামালের সহযোগীরা হলেন- মো. নূর নবী (২৬), ফেরদৌস মাঝি (৩৫), মো. শামীম (২৪) ও মো. অ্যানি (৩১)।
র‌্যাব জানায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম-হাতিয়া চ্যানেলে মাছ ধরা অবস্থায় একটি কাঠের ট্রলারসহ কয়েকজন জেলেকে অপহরণ করে একদল জলদস্যু। কোস্ট গার্ড সূত্রে এমন খবর পেয়ে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জলদস্যু নেতা কামালের অবস্থান নগরের ইপিজেড থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেপতার করা হয়।
র‌্যাব সূত্র জানায়, কামালই মূলত অপকর্মের পরিকল্পনা এবং ভুক্তভোগীদের আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা আদায় করতেন। তার নামে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কামালের দলের সদস্য নূর নবী টাকা পয়সা আদায় সংক্রান্তে তথ্য আদান-প্রদান ও তাদের খাবার সরবরাহ করতেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম র‌্যাবের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমএ ইউসুফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সুন্দরবনকে ডাকাত, জলদস্যু ও বনদস্যু মুক্ত ঘোষণা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুন্দরবন এলাকায় বসবাসকারী জেলেরা স্বস্তির সঙ্গে মাছ ধরছিল। কয়েকদিন আগে বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম-হাতিয়া চ্যানেলে একদল জেলে অপহৃত হয়। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টানা ৭২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে চার সহযোগীসহ জলদস্যু নেতা কামালকে আটক করা হয়।