আনোয়ারা প্রতিনিধি : আনোয়ারায় ২৯২৪-২৫ অর্থবছর বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে একই স্থানে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের আনন্দ মিছিলে আগে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম এ মান্নান চৌধুরী ও পুলিশসহ সহ ১২ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ টিয়ার সেল ও ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। পুলিশের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।

আজ শুক্রবার (০৭ জুন) বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার বন্দর সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। সংঘঠিত ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে আরো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

জানা যায়, ২০২৪- ২৫ অর্থবছর বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সাবেক ভূমি মন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি সমর্থিত আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুক্রবার বিকেলে বন্দর সেন্টারে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। একই স্থানে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি সমর্থিত গ্রুপও আনন্দ মিছিলের কর্মসূচি নেন। শুক্রবার বিকেলে দুই পক্ষের সমর্থিত লোকজন আনন্দ মিছিলের আগে জড়ো হলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম এ মন্নান চৌধুরী, হাইলধর ইউপি চেয়ারম্যান কলিমুদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন চৌধুরী,তাজউদ্দীন সাইফুল ইসলাম ও একজন পুলিশ সহ কমপক্ষে ১২ জন জন আহত হয়েছেন। সংঘটিত ঘটনায় এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করছে। দুই পক্ষই সংঘটিত ঘটনায় তাদের কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি থমথমে। পুলিশ এলাকায় টহল দিচ্ছে। দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

কর্ণফুলী থানার ওসি জহির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ৬ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এদিকে বন্দরের ঘটনা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। পরৈকোড়া ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় সন্ধ্যায় শহর থেকে বাড়ি যাবার পথে আনোয়ারুল ইসলাম নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে প্রতিপক্ষরা মারাত্মকভাবে আহত করেছে। বর্তমানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আনোয়ারা প্রতিনিধি : আনোয়ারায় ২৯২৪-২৫ অর্থবছর বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে একই স্থানে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের আনন্দ মিছিলে আগে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম এ মান্নান চৌধুরী ও পুলিশসহ সহ ১২ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ টিয়ার সেল ও ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। পুলিশের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।

আজ শুক্রবার (০৭ জুন) বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার বন্দর সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। সংঘঠিত ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে আরো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

জানা যায়, ২০২৪- ২৫ অর্থবছর বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সাবেক ভূমি মন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি সমর্থিত আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুক্রবার বিকেলে বন্দর সেন্টারে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। একই স্থানে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি সমর্থিত গ্রুপও আনন্দ মিছিলের কর্মসূচি নেন। শুক্রবার বিকেলে দুই পক্ষের সমর্থিত লোকজন আনন্দ মিছিলের আগে জড়ো হলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম এ মন্নান চৌধুরী, হাইলধর ইউপি চেয়ারম্যান কলিমুদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন চৌধুরী,তাজউদ্দীন সাইফুল ইসলাম ও একজন পুলিশ সহ কমপক্ষে ১২ জন জন আহত হয়েছেন। সংঘটিত ঘটনায় এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করছে। দুই পক্ষই সংঘটিত ঘটনায় তাদের কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি থমথমে। পুলিশ এলাকায় টহল দিচ্ছে। দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

কর্ণফুলী থানার ওসি জহির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ৬ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এদিকে বন্দরের ঘটনা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। পরৈকোড়া ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় সন্ধ্যায় শহর থেকে বাড়ি যাবার পথে আনোয়ারুল ইসলাম নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে প্রতিপক্ষরা মারাত্মকভাবে আহত করেছে। বর্তমানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।