নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরে শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগকারী একটি চক্র সক্রিয়। তারা নগরবাসীকে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে কথার ছলে শয়তানের নিঃশ্বাস(স্কোপোলামিন) কৌশলে প্রয়োগ করে সর্বস্ব ছিনিয়ে নিচ্ছে। এ চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে ডবলমুরি পুলিশ।

সম্প্রতি এ চক্রের খপ্পরে পরা মোছাম্মাৎ ফাতেমা বলেন,আমি তরি-তরকরি কেনার জন্য যান ডবলমুরিং মডেল থানাধীন বেপারিপাড়া মোড়ে। তরি-তরকারি নিয়ে বাসায় ফেরার পথে দুই ব্যাক্তি এসে বলে,”খালা আপনার বাসার আশেপাশে কোন গরিব লোক বা ফ্যামিলি আছে কি-না, থাকলে আমরা টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করবো, আমরা ঢাকা থেকে এসেছি, মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য। আমরা আপনাকে টাকা দিচ্ছি, আপনি আপনার এলাকার গরিব লোকদের দিয়ে দিবেন।”

মোসাম্মাৎ ফাতেমা আরো বলেন, সামনে এগুতেই ২ জনের মধ্যে ১ জন আমার পিছন দিক হতে হাতে থাকা লেবু দিয়ে আমার পিঠে স্পর্শ করে, লেবুর স্পর্শে আমি পিছনে ফিরে তাকাতেই অপর ব্যক্তি তার হাতে থাকা একটি লেবু আমার নাকের সামনে এনে ফুঁ দেয়। ফুঁ নাকে লাগতেই আমি হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ি,আমার বুদ্ধি শুন্য হয়ে যায়, নিজে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি। তাৎক্ষণিক উক্ত স্হানে আরো একজন ব্যক্তি এসে বলে, “আন্টি আপনার কানে দুল,গলায় চেইন আছে, আপনি ওগুলো খুলে আমাদের দেন।”

বুদ্ধিশক্তি হারানো ফাতেমা তার গলার চেইন, কানের দুল খুলে দিতে থাকে অপরাধী ঐ ব্যাক্তিদের। দেখে মনে হচ্ছিল অপরাধীরা ফাতেমার অতি পরিচিত আপনজন।

ডবলমুড়িং থানার অফিসার ইনচার্জ ফজলুল কাদের দি ক্রাইমকে জানায়, ফাতেমার নাকের কাছে স্কোপোলামিন ছড়িয়ে দিয়ে ফাতেমার চিন্তা শক্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় অপরাধীরা। “স্কোপোলামিনের” প্রয়োগে চিন্তা- বুদ্ধি শক্তি হারিয়ে অপরাধীরা যা করতে বলেছে তাই করেছে ফাতেমা। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে ফাতেমা তার নিজের বুদ্ধিশক্তি ফিরে পেয়ে সন্তান-স্বামীসহ থানায় এসে জানায় ঘটনাটি।

তিনি আরো জানান, থানার একটি চৌকস টিম ঘটনাস্হলে উপস্হিত হয়ে আশেপাশের একটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখতে পায়- ফাতেমা অপরাধীদের পিছন পিছন পাগলের মতো হেঁটে যাচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে ফাতেমাকে যাদু- টোনা করেছে, যার ফলে ফাতেমা অপরাধীদের পিছন পিছন পাগলের মতো, অবুঝের মতো ছুটছে। পুলিশের বুঝতে আর বাকি নেই ফাতেমার নাকের কাছে স্কোপোলামিন বা বুদ্ধিনাশক শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগ করা হয়েছে।

ডবলমুড়িং পুলিশ তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযানে নামে। ওই দিনের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সনাক্ত করে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় শয়তানের নিঃশ্বাস ছড়িয়ে লুটে নেয়াদের ১ জনকে। আটককৃত ব্যক্তির জবানবন্ধিতে সনাক্ত হয় শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগ করে সর্বস্ব লুটে নেয়া একটি চক্র।

পথচারী আর চারপাশে থাকা অনেক লোক দেখছিলেন কিভাবে ফাতেমা তার কানের দুল, গলার চেইন খুলে দিচ্ছে। লোকজন ভাবলেন তারা হয়তো আপনজন, হয়তো জরুরি প্রয়োজন পড়ায় কানের দুল, গলার চেইন খুলে দিচ্ছে।পথচারী, স্হানীয় লোকজন বুঝতেই পারেননি যে, বুদ্ধিনাশক কিছু দিয়ে বুদ্ধিশূন্য করে কানের দুল, গলার চেইন খুলে নিয়ে যাচ্ছে দুষ্কৃতকারী শয়তানের নিঃশ্বাস ছড়ানোকারী এই দলটি। বুদ্ধিশূন্য ফাতেমা তার হাতে থাকা তরি-তরকারিও তুলে দেয় এই অপরাধীদের কাছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরে শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগকারী একটি চক্র সক্রিয়। তারা নগরবাসীকে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে কথার ছলে শয়তানের নিঃশ্বাস(স্কোপোলামিন) কৌশলে প্রয়োগ করে সর্বস্ব ছিনিয়ে নিচ্ছে। এ চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে ডবলমুরি পুলিশ।

সম্প্রতি এ চক্রের খপ্পরে পরা মোছাম্মাৎ ফাতেমা বলেন,আমি তরি-তরকরি কেনার জন্য যান ডবলমুরিং মডেল থানাধীন বেপারিপাড়া মোড়ে। তরি-তরকারি নিয়ে বাসায় ফেরার পথে দুই ব্যাক্তি এসে বলে,”খালা আপনার বাসার আশেপাশে কোন গরিব লোক বা ফ্যামিলি আছে কি-না, থাকলে আমরা টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করবো, আমরা ঢাকা থেকে এসেছি, মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য। আমরা আপনাকে টাকা দিচ্ছি, আপনি আপনার এলাকার গরিব লোকদের দিয়ে দিবেন।”

মোসাম্মাৎ ফাতেমা আরো বলেন, সামনে এগুতেই ২ জনের মধ্যে ১ জন আমার পিছন দিক হতে হাতে থাকা লেবু দিয়ে আমার পিঠে স্পর্শ করে, লেবুর স্পর্শে আমি পিছনে ফিরে তাকাতেই অপর ব্যক্তি তার হাতে থাকা একটি লেবু আমার নাকের সামনে এনে ফুঁ দেয়। ফুঁ নাকে লাগতেই আমি হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ি,আমার বুদ্ধি শুন্য হয়ে যায়, নিজে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি। তাৎক্ষণিক উক্ত স্হানে আরো একজন ব্যক্তি এসে বলে, “আন্টি আপনার কানে দুল,গলায় চেইন আছে, আপনি ওগুলো খুলে আমাদের দেন।”

বুদ্ধিশক্তি হারানো ফাতেমা তার গলার চেইন, কানের দুল খুলে দিতে থাকে অপরাধী ঐ ব্যাক্তিদের। দেখে মনে হচ্ছিল অপরাধীরা ফাতেমার অতি পরিচিত আপনজন।

ডবলমুড়িং থানার অফিসার ইনচার্জ ফজলুল কাদের দি ক্রাইমকে জানায়, ফাতেমার নাকের কাছে স্কোপোলামিন ছড়িয়ে দিয়ে ফাতেমার চিন্তা শক্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় অপরাধীরা। “স্কোপোলামিনের” প্রয়োগে চিন্তা- বুদ্ধি শক্তি হারিয়ে অপরাধীরা যা করতে বলেছে তাই করেছে ফাতেমা। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে ফাতেমা তার নিজের বুদ্ধিশক্তি ফিরে পেয়ে সন্তান-স্বামীসহ থানায় এসে জানায় ঘটনাটি।

তিনি আরো জানান, থানার একটি চৌকস টিম ঘটনাস্হলে উপস্হিত হয়ে আশেপাশের একটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখতে পায়- ফাতেমা অপরাধীদের পিছন পিছন পাগলের মতো হেঁটে যাচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে ফাতেমাকে যাদু- টোনা করেছে, যার ফলে ফাতেমা অপরাধীদের পিছন পিছন পাগলের মতো, অবুঝের মতো ছুটছে। পুলিশের বুঝতে আর বাকি নেই ফাতেমার নাকের কাছে স্কোপোলামিন বা বুদ্ধিনাশক শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগ করা হয়েছে।

ডবলমুড়িং পুলিশ তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযানে নামে। ওই দিনের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সনাক্ত করে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় শয়তানের নিঃশ্বাস ছড়িয়ে লুটে নেয়াদের ১ জনকে। আটককৃত ব্যক্তির জবানবন্ধিতে সনাক্ত হয় শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগ করে সর্বস্ব লুটে নেয়া একটি চক্র।

পথচারী আর চারপাশে থাকা অনেক লোক দেখছিলেন কিভাবে ফাতেমা তার কানের দুল, গলার চেইন খুলে দিচ্ছে। লোকজন ভাবলেন তারা হয়তো আপনজন, হয়তো জরুরি প্রয়োজন পড়ায় কানের দুল, গলার চেইন খুলে দিচ্ছে।পথচারী, স্হানীয় লোকজন বুঝতেই পারেননি যে, বুদ্ধিনাশক কিছু দিয়ে বুদ্ধিশূন্য করে কানের দুল, গলার চেইন খুলে নিয়ে যাচ্ছে দুষ্কৃতকারী শয়তানের নিঃশ্বাস ছড়ানোকারী এই দলটি। বুদ্ধিশূন্য ফাতেমা তার হাতে থাকা তরি-তরকারিও তুলে দেয় এই অপরাধীদের কাছে।