*কয়েক’শ বাড়িঘর শতশত একর জমি দখল

*আইন শৃংখলাবাহিনীর নিরবতায় হামলার সুযোগ পাচ্ছে সন্ত্রাসীরা

আহমদ কবীর : জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগরের পাশের বেটুয়া এলাকায় ঘুমন্ত মানুষের উপর ভয়াবহ হামলার পর গত সোমবার রাতে আবারও হামলা চালিয়ে ব্যবসায়ীদের মারধর মালামাল লুট করা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এসময় সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়ে বলেছে, ঘরবাড়ি ছেড়ে দিয়ে চলে যান অন্যতায় আমরা আবার আসবো সবকিছু গুড়িয়ে দিয়ে যাবো দখল করে নিবো সহায় সম্পত্তি। এভাবে তারা আল্টিমেটাম দিয়ে চলে যায়।

এ ঘটনার পর এলাকার লোকজনের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক। আশংকা করা হচ্ছে সন্ত্রাসীরা আবার হামলা করে বাড়িঘর জমিজমা দখল করে নিবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) শোয়েব আহমদ খান বলেছেন, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।

সুত্রটি জানায়, ভূমি খেকো সন্ত্রাসী এয়াছিন বাহিনীর প্রধান এয়াছিন দলবল নিয়ে চলতি মাসের ১১ মে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগরের পাশে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বেতুয়া এলাকায় ঘুমন্ত মানুষের উপর নারকীয় হামলা চালায়। এতে নারী-পুরুষসহ ১৬জন আহত হয়। বাড়ি ভিটি থেকে উচ্ছেদ করা হয় অন্তত ৩০ পরিবারের শতাধিক মানুষকে। এই হামলায় অংশ নিয়েছে কয়েক’শ সন্ত্রাসী। তখন সন্ত্রাসীরা সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘরে হামলার পর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার মতো। বর্তমানে উচ্ছেদ হওয়া এসব নিরাপরাধ মানুষ অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে। হামলার পর গত সোমবার এয়াছিন বাহিনীর প্রধান এয়াছিন একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিয়ে আবারও মধ্যরাতে ঘুমন্ত মানুষের উপর হামলা চালায়। রাতে সন্ত্রাসীরা মনু মিয়া সওদাগরকে মারধর ও দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ২০২২সালের ২ আগষ্ট মাসে জঙ্গল সলিমপুরের আলি নগরে তৎকালিন জেলা প্রশাসকের নেতৃত্ব উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ১৭৫টি স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয় উদ্ধার করা হয় ৭শ’ একরের অধিক সরকারী জমি।

জানা গেছে, সরকার পাহাড়ি এই অঞ্চলে সরকারী কিছু খাস জমি অধিগ্রহনের পর অবকাঠামো উন্নয়ন করে সেখানে নতুন করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার ইকোপার্ক খেলাধুলার মাঠসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেয়। এলক্ষ্যে সেখানে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে দখলকার লোকজনকে উচ্ছেদ করা হয়। সীমানা পিলার দিয়ে ঘেরাও করে লাগিয়ে দেয়া হয় সাইনবোট। বর্তমানে উন্নয়ন কর্মকান্ড থেমে গেলে এসুযোগে ভুমি দস্যু সন্ত্রাসীরা আবার সরকারী জমি উচ্ছেদ হওয়া স্থাপনাগুলোসহ জমিজমা পুনরায় দখল করে নেয়। সন্ত্রাসী এয়াছিন বাহিনীর প্রধান এয়াছিন পুরো এলাকার দখল দলবল নিয়ে মহড়া দিয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের উপর শুরু করা হয় অকথ্য নির্যাতন। দখল করে নেয়া হচ্ছে নিচ্ছে সাধারণ মানুষের বসতঘর জমিজমা। দখল স্বত্ত্ব বিক্রি করে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। সাবাড় করা হচ্ছে বড় বড় সরকারী খাস পাহাড়। বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে পাহাড়ি মাটি অভিযোগ এলাকার লোকজনের। এলাকাটি হাটহাজারী থানাধীন চসিক ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বেতুয়া এলাকায়। সেখানে সাধারণ মানুষের মালিকানাধীন ফসলি জমি ঘরবাড়ি রয়েছে। ১১মে হামলার ঘটনায় হাটহাজারী থানার পুলিশ মামলা নিয়েছে। যার মামলা নং-২১,তাং১৩/৫/২৪ইং। তবে নারকীয় হামলার ঘটনার নায়ক সন্ত্রাসী এয়াছিনকে পুলিশ এখনো

গ্রেফতার করতে পারেনি বরং এই সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে এলাকায় দাবিয়ে বেড়াচ্ছে মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। উল্টো নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী নুরুল ইসলাম। সন্ত্রাসীর ভয়ে মানুষ আতঙ্কের মধ্যে আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। গত সোমবারের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

*কয়েক’শ বাড়িঘর শতশত একর জমি দখল

*আইন শৃংখলাবাহিনীর নিরবতায় হামলার সুযোগ পাচ্ছে সন্ত্রাসীরা

আহমদ কবীর : জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগরের পাশের বেটুয়া এলাকায় ঘুমন্ত মানুষের উপর ভয়াবহ হামলার পর গত সোমবার রাতে আবারও হামলা চালিয়ে ব্যবসায়ীদের মারধর মালামাল লুট করা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এসময় সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়ে বলেছে, ঘরবাড়ি ছেড়ে দিয়ে চলে যান অন্যতায় আমরা আবার আসবো সবকিছু গুড়িয়ে দিয়ে যাবো দখল করে নিবো সহায় সম্পত্তি। এভাবে তারা আল্টিমেটাম দিয়ে চলে যায়।

এ ঘটনার পর এলাকার লোকজনের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক। আশংকা করা হচ্ছে সন্ত্রাসীরা আবার হামলা করে বাড়িঘর জমিজমা দখল করে নিবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) শোয়েব আহমদ খান বলেছেন, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।

সুত্রটি জানায়, ভূমি খেকো সন্ত্রাসী এয়াছিন বাহিনীর প্রধান এয়াছিন দলবল নিয়ে চলতি মাসের ১১ মে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগরের পাশে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বেতুয়া এলাকায় ঘুমন্ত মানুষের উপর নারকীয় হামলা চালায়। এতে নারী-পুরুষসহ ১৬জন আহত হয়। বাড়ি ভিটি থেকে উচ্ছেদ করা হয় অন্তত ৩০ পরিবারের শতাধিক মানুষকে। এই হামলায় অংশ নিয়েছে কয়েক’শ সন্ত্রাসী। তখন সন্ত্রাসীরা সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘরে হামলার পর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার মতো। বর্তমানে উচ্ছেদ হওয়া এসব নিরাপরাধ মানুষ অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে। হামলার পর গত সোমবার এয়াছিন বাহিনীর প্রধান এয়াছিন একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিয়ে আবারও মধ্যরাতে ঘুমন্ত মানুষের উপর হামলা চালায়। রাতে সন্ত্রাসীরা মনু মিয়া সওদাগরকে মারধর ও দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ২০২২সালের ২ আগষ্ট মাসে জঙ্গল সলিমপুরের আলি নগরে তৎকালিন জেলা প্রশাসকের নেতৃত্ব উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ১৭৫টি স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয় উদ্ধার করা হয় ৭শ’ একরের অধিক সরকারী জমি।

জানা গেছে, সরকার পাহাড়ি এই অঞ্চলে সরকারী কিছু খাস জমি অধিগ্রহনের পর অবকাঠামো উন্নয়ন করে সেখানে নতুন করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার ইকোপার্ক খেলাধুলার মাঠসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেয়। এলক্ষ্যে সেখানে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে দখলকার লোকজনকে উচ্ছেদ করা হয়। সীমানা পিলার দিয়ে ঘেরাও করে লাগিয়ে দেয়া হয় সাইনবোট। বর্তমানে উন্নয়ন কর্মকান্ড থেমে গেলে এসুযোগে ভুমি দস্যু সন্ত্রাসীরা আবার সরকারী জমি উচ্ছেদ হওয়া স্থাপনাগুলোসহ জমিজমা পুনরায় দখল করে নেয়। সন্ত্রাসী এয়াছিন বাহিনীর প্রধান এয়াছিন পুরো এলাকার দখল দলবল নিয়ে মহড়া দিয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের উপর শুরু করা হয় অকথ্য নির্যাতন। দখল করে নেয়া হচ্ছে নিচ্ছে সাধারণ মানুষের বসতঘর জমিজমা। দখল স্বত্ত্ব বিক্রি করে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। সাবাড় করা হচ্ছে বড় বড় সরকারী খাস পাহাড়। বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে পাহাড়ি মাটি অভিযোগ এলাকার লোকজনের। এলাকাটি হাটহাজারী থানাধীন চসিক ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বেতুয়া এলাকায়। সেখানে সাধারণ মানুষের মালিকানাধীন ফসলি জমি ঘরবাড়ি রয়েছে। ১১মে হামলার ঘটনায় হাটহাজারী থানার পুলিশ মামলা নিয়েছে। যার মামলা নং-২১,তাং১৩/৫/২৪ইং। তবে নারকীয় হামলার ঘটনার নায়ক সন্ত্রাসী এয়াছিনকে পুলিশ এখনো

গ্রেফতার করতে পারেনি বরং এই সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে এলাকায় দাবিয়ে বেড়াচ্ছে মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। উল্টো নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী নুরুল ইসলাম। সন্ত্রাসীর ভয়ে মানুষ আতঙ্কের মধ্যে আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। গত সোমবারের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।