চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: চৌদ্দগ্রামে রাতের আঁধারে ফসলি জমির মাটি ভেকু দিয়ে কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে ভুক্তভোগী ও জমিনের মালিক যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে শুভপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন উল্লেখ করেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া মৌজায় গত বছরের ২৩ অক্টোবর ২৭২২নং দলিল রেজিঃ ক্ষমতামূলে ও নামজারী খতিয়ানমূলে বিএস ৫৭৪ দাগে ৪৮ শতক নাল-জমিন মালিকানা অর্জন করিয়া এযাবত ভোগদখলে রয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাতের আঁধারে অজ্ঞাতনামা কে বা কারা শত্রুতা করে ওই নাল-জমিনের পূর্ব অংশে ২টি মাটিকাটা ভেকু দিয়ে আনুমানিক ১২-১৪ শতক ভূমির ৩.৫ ফুট গভীর গর্ত করে ও ১০-১২টি ড্রাম ট্রাক দিয়ে সারারাত ধরে মাটি নিয়ে যায়। আনুমানিক মাটির মূল্য ৬-৭ লক্ষাধিক টাকা হবে।

বুধবার সকালে আলমগীর হোসেন লোকমারফতে শুনে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। তিনি আশপাশের লোকজনকে জমিন থেকে মাটি কাটার বিষয়ে জিজ্ঞেস করিলে কেউ অজ্ঞাত বিবাদীদের ভয়ে নাম প্রকাশ করেনি। তবে পৌর এলাকার কালির বাজার পাঁচরা রোডে একটি জায়গা আলমগীর হোসেনের জমিনের মাটি দিয়ে মঙ্গলবার রাতে ভরাট করে। ওই এলাকায় থাকা সিসি টিভি ফুটেজের মাধ্যম ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলেও তিনি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।

চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার অফিসার আলমগীর হোসেন জানান, ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন চৌদ্দগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) জাকিয়া সারওয়ার লিমা বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ও ইউএনও’র পরামর্শে ফসলি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছি। আলমগীর হোসেনের অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে’।

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: চৌদ্দগ্রামে রাতের আঁধারে ফসলি জমির মাটি ভেকু দিয়ে কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে ভুক্তভোগী ও জমিনের মালিক যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে শুভপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন উল্লেখ করেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া মৌজায় গত বছরের ২৩ অক্টোবর ২৭২২নং দলিল রেজিঃ ক্ষমতামূলে ও নামজারী খতিয়ানমূলে বিএস ৫৭৪ দাগে ৪৮ শতক নাল-জমিন মালিকানা অর্জন করিয়া এযাবত ভোগদখলে রয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাতের আঁধারে অজ্ঞাতনামা কে বা কারা শত্রুতা করে ওই নাল-জমিনের পূর্ব অংশে ২টি মাটিকাটা ভেকু দিয়ে আনুমানিক ১২-১৪ শতক ভূমির ৩.৫ ফুট গভীর গর্ত করে ও ১০-১২টি ড্রাম ট্রাক দিয়ে সারারাত ধরে মাটি নিয়ে যায়। আনুমানিক মাটির মূল্য ৬-৭ লক্ষাধিক টাকা হবে।

বুধবার সকালে আলমগীর হোসেন লোকমারফতে শুনে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। তিনি আশপাশের লোকজনকে জমিন থেকে মাটি কাটার বিষয়ে জিজ্ঞেস করিলে কেউ অজ্ঞাত বিবাদীদের ভয়ে নাম প্রকাশ করেনি। তবে পৌর এলাকার কালির বাজার পাঁচরা রোডে একটি জায়গা আলমগীর হোসেনের জমিনের মাটি দিয়ে মঙ্গলবার রাতে ভরাট করে। ওই এলাকায় থাকা সিসি টিভি ফুটেজের মাধ্যম ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলেও তিনি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।

চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার অফিসার আলমগীর হোসেন জানান, ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন চৌদ্দগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) জাকিয়া সারওয়ার লিমা বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ও ইউএনও’র পরামর্শে ফসলি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছি। আলমগীর হোসেনের অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে’।