ইসমাইল হোসেন রকি: নওগাঁর সিগনেচার মিউজিক্যাল ব্যান্ড এর সংগীত শিল্পী ও ভারত বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মৈত্রী পরিষদ এর নওগাঁ জেলা শাখার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সংগীত শিল্পী শামীমা সাথী কে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগে তার স্বামী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের বাবলু হোসেনের ছেলে শাহিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শাহিন তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতো। সাথী বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারের মুজিবর রহমানের মেয়ে। আজমঙ্গলবার (০১ জানুয়ারী) সকালে সান্তাহার স্টেশন কলোনী সংলগ্ন শাতাহার এলাকায় সাথীর জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

সাথীর বড় ভাই সেলিম রেজা জানান, সাথী একজন সংগীত শিল্পী। সে কয়েক বছর পূর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শাহীনকে ভালোবেসে বিয়ে করে। তাদের ঘরে ফুটফুটে ১বছরের শিশুকন্যা রয়েছে। শাহীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। কিন্তু ব্যক্তিগত আচরণের কারনে সে কিছুদিন আগে চাকরিচ্যুত হয়। বিয়ের পর থেকেই তারা ভাড়া বাসা নিয়ে নওগাঁয় বসবাস করতেন। সাথীকে বিয়ের আগে শাহীন আরো একটি বিয়ে করেেেছন। এই বিষয়টি গোপন রেখেই সাথীকে ২য় বিয়ে করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শাহীন ও সাথীর মধ্যে মনমালিন্যের সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে নওগাঁ ভাড়া বাসায় সাথীকে একা ফেলে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চলে যায় তার স্বামী। গত তিনদিন আগে নওগাঁ থেকে সাথী তার স্বামীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যায় এবং গত রোববার দিবাগত রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। সাথীর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। সাথীর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। শাহিন আমার বোন সাথীকে হত্যা করেছে। আমি শাহিনের কঠোর শাস্তি দাবী করছি। খবর পেয়ে পুলিশ সাথীর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়ে দেয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মোজাফফর হোসেন বলেন পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সাথীর স্বামী শাহিনকে গত সোমবার গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে সাথীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং তখন পরবর্তি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইসমাইল হোসেন রকি: নওগাঁর সিগনেচার মিউজিক্যাল ব্যান্ড এর সংগীত শিল্পী ও ভারত বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মৈত্রী পরিষদ এর নওগাঁ জেলা শাখার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সংগীত শিল্পী শামীমা সাথী কে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগে তার স্বামী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের বাবলু হোসেনের ছেলে শাহিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শাহিন তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতো। সাথী বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারের মুজিবর রহমানের মেয়ে। আজমঙ্গলবার (০১ জানুয়ারী) সকালে সান্তাহার স্টেশন কলোনী সংলগ্ন শাতাহার এলাকায় সাথীর জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

সাথীর বড় ভাই সেলিম রেজা জানান, সাথী একজন সংগীত শিল্পী। সে কয়েক বছর পূর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শাহীনকে ভালোবেসে বিয়ে করে। তাদের ঘরে ফুটফুটে ১বছরের শিশুকন্যা রয়েছে। শাহীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। কিন্তু ব্যক্তিগত আচরণের কারনে সে কিছুদিন আগে চাকরিচ্যুত হয়। বিয়ের পর থেকেই তারা ভাড়া বাসা নিয়ে নওগাঁয় বসবাস করতেন। সাথীকে বিয়ের আগে শাহীন আরো একটি বিয়ে করেেেছন। এই বিষয়টি গোপন রেখেই সাথীকে ২য় বিয়ে করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শাহীন ও সাথীর মধ্যে মনমালিন্যের সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে নওগাঁ ভাড়া বাসায় সাথীকে একা ফেলে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চলে যায় তার স্বামী। গত তিনদিন আগে নওগাঁ থেকে সাথী তার স্বামীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যায় এবং গত রোববার দিবাগত রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। সাথীর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। সাথীর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। শাহিন আমার বোন সাথীকে হত্যা করেছে। আমি শাহিনের কঠোর শাস্তি দাবী করছি। খবর পেয়ে পুলিশ সাথীর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়ে দেয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মোজাফফর হোসেন বলেন পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সাথীর স্বামী শাহিনকে গত সোমবার গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে সাথীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং তখন পরবর্তি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।