বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধি: দিনের আলোয় পাহাড় কেটে সাবাড় করে দিলেও বনবিভাগের দৃষ্টি গোচর হয় না এক অজানা কারণে। এযেন সরিষার ভিতরে লুকিয়ে থাকা ভুত। গতকাল শুক্রবার বিকালে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা ঢালার মূখ নামক এলাকায় এই ঘটনায় ১জন নিহত একজন আহত হয়েছে। নিহত রোহিঙ্গা শ্রমিক ১৭ নাম্বার ক্যাম্পের মুহাম্মদ আলমের ছেলে।

উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের এক নাম্বার ওয়ার্ডের পশ্চিম মরিচ্যা পালং ঢালার মূখ নামক এলাকায় পাহাড় কাটতে গিয়ে জীবন দিতে হলো এক রোহিঙ্গা শ্রমিকের।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে খবর পেয়ে উখিয়া থানার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

স্থানীয় প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ম্যানেজ করে একটি পাহাড় খেকো চক্র পশ্চিম মরিচ্যাপালং এলাকার খুইল্লা মিয়ার ছেলে দেলোয়ার বিশাল পাহাড় কেটে মাটি পাচার করে আসছিল। বিষয়টি বনবিভাগের চোখের সামনে হলেও অদৃশ্য কারণে বনবিভাগের লোকজন এড়িয়ে যান। রোহিঙ্গা শ্রমিক প্রতিদিনের মতো পাহাড় কর্তনকালে শুক্রবারে বিকালে পাহাড় ধ্বসে পড়ে ঘটনাস্থলে রোহিঙ্গা শ্রমিক মারা যায়।

রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহতের বিষয়ে ধোয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রশীদ জানান, বন বিভাগের টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দেলোয়ার নামের এক ব্যক্তি শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করছিল। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সময় হঠাৎ পাহাড় ধসে পড়ে এক রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহত হয়েছে। অবৈধ পাহাড় কাটা বন্ধ ও রোহিঙ্গা শ্রমিক ব্যবহার দু’টি অপরাধ, পাহাড় কাটা বন্ধ ও রোহিঙ্গাদের শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার না করার জন্য বলা হলেও কেউ মানছেনা। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধি: দিনের আলোয় পাহাড় কেটে সাবাড় করে দিলেও বনবিভাগের দৃষ্টি গোচর হয় না এক অজানা কারণে। এযেন সরিষার ভিতরে লুকিয়ে থাকা ভুত। গতকাল শুক্রবার বিকালে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা ঢালার মূখ নামক এলাকায় এই ঘটনায় ১জন নিহত একজন আহত হয়েছে। নিহত রোহিঙ্গা শ্রমিক ১৭ নাম্বার ক্যাম্পের মুহাম্মদ আলমের ছেলে।

উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের এক নাম্বার ওয়ার্ডের পশ্চিম মরিচ্যা পালং ঢালার মূখ নামক এলাকায় পাহাড় কাটতে গিয়ে জীবন দিতে হলো এক রোহিঙ্গা শ্রমিকের।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে খবর পেয়ে উখিয়া থানার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

স্থানীয় প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ম্যানেজ করে একটি পাহাড় খেকো চক্র পশ্চিম মরিচ্যাপালং এলাকার খুইল্লা মিয়ার ছেলে দেলোয়ার বিশাল পাহাড় কেটে মাটি পাচার করে আসছিল। বিষয়টি বনবিভাগের চোখের সামনে হলেও অদৃশ্য কারণে বনবিভাগের লোকজন এড়িয়ে যান। রোহিঙ্গা শ্রমিক প্রতিদিনের মতো পাহাড় কর্তনকালে শুক্রবারে বিকালে পাহাড় ধ্বসে পড়ে ঘটনাস্থলে রোহিঙ্গা শ্রমিক মারা যায়।

রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহতের বিষয়ে ধোয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রশীদ জানান, বন বিভাগের টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দেলোয়ার নামের এক ব্যক্তি শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করছিল। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সময় হঠাৎ পাহাড় ধসে পড়ে এক রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহত হয়েছে। অবৈধ পাহাড় কাটা বন্ধ ও রোহিঙ্গা শ্রমিক ব্যবহার দু’টি অপরাধ, পাহাড় কাটা বন্ধ ও রোহিঙ্গাদের শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার না করার জন্য বলা হলেও কেউ মানছেনা। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।