মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন হয় গত মাসের ২৬ জুলাই। এ সম্মলনে কেন্দ্রীয় ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অত্যন্ত সুন্দর, সশৃঙ্খলভাবে গত মাসের ২৬ জুলাই দীর্ঘ দিন পর পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন হয়।

সম্মেলন ও কাউন্সিলের ১ম অধিবেশন সকালে অনুষ্টিত হয় পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ ময়দানে। আর দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্টিত হয় বিকালে পেকুয়া বাজারস্থ সমবায় কমিউনিটি সেন্টারে। কাউন্সিল ও সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শহিদুল্লাহ (বিএ)। উপজেলা অওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কাসেমের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত কাউন্সিল ও সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি।

অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলম এমপি, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম, এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

কাউন্সিল ও সম্মেলনের ২য় অধিবেশনে সভাপতি-সম্পাদকসহ বেশ কয়েকটি পদে মনোনীতদের নাম ঘোষনা করা হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নাম ঘোষনা করা হয় পেকুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারান সম্পাদক জুবাইদুল্লাহ লিটনের নাম। নাম ঘোষনার সময় লিটনও কাউন্সিল অধিবেশনে উপন্থিত ছিলেন। লিটনের নাম ঘোষনার পর উপস্থিত কাউন্সিলারদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

পেকুয়া থানা সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের হাজির পাড়া গ্রামের হাবিবুল্লাহ’র পুত্র ও পেকুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারান সম্পাদক জুবাইদুল্লাহ লিটনের বিরুদ্ধে বিগত ২০০৭ সালে পেকুয়া থানা পুলিশের তৎকালীন এসআই হুমায়ন কবির বাদী হয়ে অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছিল। যার মামলা নং জিআর ২৭/০৭ইং।

এ মামলায় বিগত ৩০/০৩/২০০৮ ইংরেজী তারিখে কক্সবাজার আদালতের ১নং স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে লিটনের ১০ বছরের সাজা হয়। মামলায় বেশ কিছুদিন কারাগারেও ছিলেন লিটন। পরে উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে তার সাজা এখনো বাতিল হয়নি। উক্ত সাজার বিরুদ্ধে আপীল করে লিটন জামিনে রয়েছেন।

মামলা প্রসঙ্গে জুবাইদুল্লাহ লিটন জানান, অস্ত্র মামলাটি তার বিরুদ্ধে সাজানো এবং ষড়যন্ত্রমূলক মামলা ছিল। এ মামলায় তিনি বর্তমানে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। তিনি দু:সময়ে রাজনীতি করেছেন। মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। তাই তিনি দলীয় পদ পেয়েছেন।

এদিকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত লিটনকে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কাউন্সিল অধিবেশনে মনোনীত করায় এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল্লাহ (বিএ) বলেন, কাউন্সিল অধিবেশনেই লিটনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেছে। এর বাইরে তিনি আর মন্তব্য করেননি।

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন হয় গত মাসের ২৬ জুলাই। এ সম্মলনে কেন্দ্রীয় ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অত্যন্ত সুন্দর, সশৃঙ্খলভাবে গত মাসের ২৬ জুলাই দীর্ঘ দিন পর পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন হয়।

সম্মেলন ও কাউন্সিলের ১ম অধিবেশন সকালে অনুষ্টিত হয় পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ ময়দানে। আর দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্টিত হয় বিকালে পেকুয়া বাজারস্থ সমবায় কমিউনিটি সেন্টারে। কাউন্সিল ও সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শহিদুল্লাহ (বিএ)। উপজেলা অওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কাসেমের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত কাউন্সিল ও সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি।

অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলম এমপি, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম, এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

কাউন্সিল ও সম্মেলনের ২য় অধিবেশনে সভাপতি-সম্পাদকসহ বেশ কয়েকটি পদে মনোনীতদের নাম ঘোষনা করা হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নাম ঘোষনা করা হয় পেকুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারান সম্পাদক জুবাইদুল্লাহ লিটনের নাম। নাম ঘোষনার সময় লিটনও কাউন্সিল অধিবেশনে উপন্থিত ছিলেন। লিটনের নাম ঘোষনার পর উপস্থিত কাউন্সিলারদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

পেকুয়া থানা সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের হাজির পাড়া গ্রামের হাবিবুল্লাহ’র পুত্র ও পেকুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারান সম্পাদক জুবাইদুল্লাহ লিটনের বিরুদ্ধে বিগত ২০০৭ সালে পেকুয়া থানা পুলিশের তৎকালীন এসআই হুমায়ন কবির বাদী হয়ে অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছিল। যার মামলা নং জিআর ২৭/০৭ইং।

এ মামলায় বিগত ৩০/০৩/২০০৮ ইংরেজী তারিখে কক্সবাজার আদালতের ১নং স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে লিটনের ১০ বছরের সাজা হয়। মামলায় বেশ কিছুদিন কারাগারেও ছিলেন লিটন। পরে উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে তার সাজা এখনো বাতিল হয়নি। উক্ত সাজার বিরুদ্ধে আপীল করে লিটন জামিনে রয়েছেন।

মামলা প্রসঙ্গে জুবাইদুল্লাহ লিটন জানান, অস্ত্র মামলাটি তার বিরুদ্ধে সাজানো এবং ষড়যন্ত্রমূলক মামলা ছিল। এ মামলায় তিনি বর্তমানে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। তিনি দু:সময়ে রাজনীতি করেছেন। মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। তাই তিনি দলীয় পদ পেয়েছেন।

এদিকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত লিটনকে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কাউন্সিল অধিবেশনে মনোনীত করায় এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল্লাহ (বিএ) বলেন, কাউন্সিল অধিবেশনেই লিটনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেছে। এর বাইরে তিনি আর মন্তব্য করেননি।