বশির আহাম্মদ, বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামায় দুইশ টাকা চুরির অপরাধে নানা কর্তৃক নাতি তামজিদ নামে ১৩ বছরের শিশুকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করায় নানা আবদুল মালেককে (মানিক মিয়া) গ্রেফতার করেছে লামা থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) ১১.৪০ মিনিটের সময় অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাষণ্ড নানাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
জানা যায়, বাবা অন্যত্র বিয়ে করায় মা রুবিনা আক্তার তার অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে তামজিদকে নানার বাড়িতে রেখে চট্টগ্রাম গার্মেন্টসে কাজ করেন। কিন্তু নানার পকেট থেকে ২০০ টাকা চুরি করায় অমানবিকভাবে পিটিয়ে আহত করে নানা।

বিষয়টি তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় লামা থানা পুলিশের নজরে আসলে ওসি মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে শিশু নির্যাতনকারী আবদুল মালেককে আটক করেন। এসময় বেধড়ক মারধরের ঘটনায় আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিলেন লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিজেই। তিনি শিশুটিকে সকল ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিও তে দেখা যায়, নানা তার নাতি শিশু তামজিদকে (১৩) অমানবিকভাবে পেটাতে পেটাতে বাড়িতে নিয়ে যায়। এমনকি বাঁশের কঞ্চি দিয়ে এক পর্যায়ে নাতির গলা ও দুই পায়ে চেপে ধরে নানা। শেষ পর্যন্ত খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার লামা পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের পানির টাঙ্কি এলাকায়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় জনমনে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
এবিষয়ে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ঘটনাটি কেন ঘটেছে তা পুলিশ আটককৃত অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই সাথে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

বশির আহাম্মদ, বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামায় দুইশ টাকা চুরির অপরাধে নানা কর্তৃক নাতি তামজিদ নামে ১৩ বছরের শিশুকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করায় নানা আবদুল মালেককে (মানিক মিয়া) গ্রেফতার করেছে লামা থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) ১১.৪০ মিনিটের সময় অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাষণ্ড নানাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
জানা যায়, বাবা অন্যত্র বিয়ে করায় মা রুবিনা আক্তার তার অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে তামজিদকে নানার বাড়িতে রেখে চট্টগ্রাম গার্মেন্টসে কাজ করেন। কিন্তু নানার পকেট থেকে ২০০ টাকা চুরি করায় অমানবিকভাবে পিটিয়ে আহত করে নানা।

বিষয়টি তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় লামা থানা পুলিশের নজরে আসলে ওসি মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে শিশু নির্যাতনকারী আবদুল মালেককে আটক করেন। এসময় বেধড়ক মারধরের ঘটনায় আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিলেন লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিজেই। তিনি শিশুটিকে সকল ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিও তে দেখা যায়, নানা তার নাতি শিশু তামজিদকে (১৩) অমানবিকভাবে পেটাতে পেটাতে বাড়িতে নিয়ে যায়। এমনকি বাঁশের কঞ্চি দিয়ে এক পর্যায়ে নাতির গলা ও দুই পায়ে চেপে ধরে নানা। শেষ পর্যন্ত খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার লামা পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের পানির টাঙ্কি এলাকায়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় জনমনে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
এবিষয়ে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ঘটনাটি কেন ঘটেছে তা পুলিশ আটককৃত অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই সাথে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।