ঢাকা ব্যুরো: চাহিদার চেয়ে বেশি পেট্রল ও অক্টেন দেশে মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল সবসময় মিথ্যা তথ্যে দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় থাকে। আমি জনগণকে অনুরোধ করব, আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। দেশে সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকুক তা একটি মহল চায় না।
আজ বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে গণভবন থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগনের সমর্থন আর শক্তিতেই সামরিক জান্তার আমলে দেশে ফিরেছিলাম। সেই শক্তিতেই এখনো কাজ করে যাচ্ছি। মানুষের ভাগ্যন্নোয়নই আমার মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, ভোট চোরদের জনগণ কখনোই মেনে নেয় না। ভোট চুরির অভিযোগে জনরোষে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। দেশকে কী ভাবে পিছিয়ে নিতে হয় সেটা বিএনপি ভালই জানে। এদের হাতে বাংলাদেশ কখনও নিরাপদ নয়।
শেখ হাসিনা বলেন, মহামারী ও যুদ্ধ নিয়ে সারা বিশ্ব খাদ্য, জ্বালানিসহ নানা সংকটে ভুগছে। এসব সংকট মোকাবিলায় অগ্রিম পদক্ষেপ নিয়েছি। খাদ্য ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। ব্যক্তিগত সঞ্চয় বাড়াতে হবে। সব প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যাবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সমগ্র বিশ্ব মুদ্রাস্ফীতির জন্য হিমশিম খাচ্ছে। করোনা মোকাবেলা করতে করতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা। ফলে বিশ্বব্যাপি জ্বালানি খাদ্যের সংকট। সব দেশ বিদ্যুত জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী। ইংল্যান্ড, জার্মানি প্রতিটি দেশে দুঃসময় চলছে। বাংলাদেশে যেন তেমন দুঃসময় না আসে সেজন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। তারপরও ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছি। তারপরও উৎপাদন যেন অব্যাহত থাকে। এক ইঞ্চি জমিও যেন খালি না থাকে। সেনা থেকে সব বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি যাতে এক ইঞ্চি জমি খালি না থাকে। একই সঙ্গে দলের সবাইকে বলব উৎপাদন করবেন। এর মাধ্যমে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবো।



