বান্দরবান প্রতিনিধি,
পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (ল্যান্ড কমিশন) চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ারউল হক বলেছেন, নানা সমস্যা সত্বেও ল্যান্ড কমিশন তার নির্ধারিত বিধি মোতাবেক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে কিছুদিন কমিশনের কার্যক্রম চালানো যায়নি। এখন আবার কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা হয়েছে। শীঘ্রই কমিশনের বৈঠক করা হবে। গতকাল রোববার (২৪ জুলাই ) দুপুরে কমিশনের বান্দরবান শাখা কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে এলে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বিচারপতি আনোয়ারউল হক এসব কথা বলেন। করোনা পরবর্তী কমিশন চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ারউল হক পার্বত্য জেলা পরিষস্থ কমিশনের বান্দরবান শাখা কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে আসেন। এসময় কমিশন সদস্য ও পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, কমিশনের নিবন্ধক (রেজিস্ট্রার) মো. নেজাম উদ্দিন, কমিশনের শাখা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, পার্বত্য চুক্তির পর চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন গঠন করা হয়। তবে শুরু থেকের কমিশন নানা সমস্যায় পড়ে। কমিশনে ভুমি বিষয়ে আপত্তি ও যাঁদের বিরুদ্ধে আপত্তি উভয় পক্ষ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা নিয়ে কমিশনকে কাজ করতে হচ্ছে। তাই কমিশনকে ধীরস্থির ভাবে এগুতে হচ্ছে। যাতে কোনো পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত বা অসন্তুষ্ট না হয়। বিচারপতি আনোয়ারউল হক বলেন, গত দুবছর করোনা পরিস্থিতির কারণে কমিশনের কাজ করা সম্ভব হয়নি। করোনা পরিস্থিতির উন্নয়ন হওয়ার কমিশন আবারও কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে তিন পার্বত্য জেলা পরিদর্শন করে কমিশনের সদস্য, ভূমি বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং স্থানীয়দের সাথে আলোচনা করেই কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তাই কমিশনকে যুক্তিসংগতভাবে এগুতে হচ্ছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, কমিশন গঠন ও পরিচালনা আইন মোতাবেক কমিশন চলছে। কারো দাবি অনুযায়ী কমিশনের সদস্য বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা কমিশন বা চেয়ারম্যানের নেই। কমিশন চেয়ারম্যান আরও বলেন, কিছু সমস্যার কারণে কমিশনের কার্যক্রমে ধীরগতি। তবে তিনি চেষ্টা করছেন সব পক্ষকে নিয়েই কাজ করতে। বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ারউল হক বলেন, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পরিদর্শন করেছেন। রাঙামাটি পরিদশন শেষে কমিশনের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে কমিশনের পরবর্তী বৈঠক করা হবে।




