দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি॥ চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কেন্দুয়ার পাড়ায় রোহিঙ্গা দিয়ে জায়গা দখলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোহাম্মদ শাহ জাহান, পিতাঃ মৃত দুলা মিয়া সওদাগর, একই এলাকার আব্দুল করিম, পিতাঃ মৃত মফজল আহমদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা দিয়ে জমি দখলের অভিযোগ ১৯ জুলাই মঙ্গলবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ শাহ জাহান ও আব্দুল করিমের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমির বিরোধ চলে আসছিল। আব্দুল করিম, মোহাম্মদ শাহ জাহানের বড় ভাই কামালের কাছ থেকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির দুই শতক মাত্র ক্রয় করে। অথচ বি.এস ৯৬৪ দাগে শাহ জাহান গংদের জমির পরিমাণ ৪৪ শতক। কিন্তু আব্দুল করিম এই দাগের দুই শতক জমির পরিবর্তে ৪ শতক দখলে নেওয়ার পায়তাঁরা চালাচ্ছে। আব্দুল করিমের সহায়ক সত্যি হচ্ছে কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের পাহাড়ী অঞ্চলে আশ্রয় নেওয়া মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গার দল। খুব অল্প পারিশ্রমিকের মাধ্যমে তাদের দিয়ে যে কোন কাজ করা যায়। এলাকায় জমি দখল, পাহাড় থেকে গাছ কাটা, মৎস্য চুরি ইত্যাদির মতো ন্যাক্কার জনক কাজ রোহিঙ্গার দল প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় সব সময় চালিয়ে যাচ্ছে।

এক্ষেত্রেও আব্দুল করিম গত ১৫ জুলাই ৫/৬ জনের একদল রোহিঙ্গা ভাড়া করে জায়গার সীমানা প্রাচীর দিতে এলে মোহাম্মদ শাহ জাহান গং প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ফলে রোহিঙ্গার দল মোহাম্ম্দ শাহ জাহান গংদের প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এসময় এলাকার মানুষ এগিয়ে এলে রোহিঙ্গার দল পালিয়ে যায়। এব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই ইউনুসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দু’পক্ষের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ পূর্ণ জায়গার বিষয়টি মিমাংসা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি॥ চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কেন্দুয়ার পাড়ায় রোহিঙ্গা দিয়ে জায়গা দখলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোহাম্মদ শাহ জাহান, পিতাঃ মৃত দুলা মিয়া সওদাগর, একই এলাকার আব্দুল করিম, পিতাঃ মৃত মফজল আহমদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা দিয়ে জমি দখলের অভিযোগ ১৯ জুলাই মঙ্গলবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ শাহ জাহান ও আব্দুল করিমের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমির বিরোধ চলে আসছিল। আব্দুল করিম, মোহাম্মদ শাহ জাহানের বড় ভাই কামালের কাছ থেকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির দুই শতক মাত্র ক্রয় করে। অথচ বি.এস ৯৬৪ দাগে শাহ জাহান গংদের জমির পরিমাণ ৪৪ শতক। কিন্তু আব্দুল করিম এই দাগের দুই শতক জমির পরিবর্তে ৪ শতক দখলে নেওয়ার পায়তাঁরা চালাচ্ছে। আব্দুল করিমের সহায়ক সত্যি হচ্ছে কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের পাহাড়ী অঞ্চলে আশ্রয় নেওয়া মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গার দল। খুব অল্প পারিশ্রমিকের মাধ্যমে তাদের দিয়ে যে কোন কাজ করা যায়। এলাকায় জমি দখল, পাহাড় থেকে গাছ কাটা, মৎস্য চুরি ইত্যাদির মতো ন্যাক্কার জনক কাজ রোহিঙ্গার দল প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় সব সময় চালিয়ে যাচ্ছে।

এক্ষেত্রেও আব্দুল করিম গত ১৫ জুলাই ৫/৬ জনের একদল রোহিঙ্গা ভাড়া করে জায়গার সীমানা প্রাচীর দিতে এলে মোহাম্মদ শাহ জাহান গং প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ফলে রোহিঙ্গার দল মোহাম্ম্দ শাহ জাহান গংদের প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এসময় এলাকার মানুষ এগিয়ে এলে রোহিঙ্গার দল পালিয়ে যায়। এব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই ইউনুসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দু’পক্ষের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ পূর্ণ জায়গার বিষয়টি মিমাংসা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।