মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও: কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে চিকিৎসকের অবহেলায় এক শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ তুলেছেন ওই শিক্ষকের স্বজনেরা। মৃত শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের বয়স ৪৫ বছর। গত সোমবার রাত দশটার দিকে ঈদগাঁও বাসস্টেশনের  পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। তবে ক্লিনিক  কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি নিছক দূর্ঘটনা। হার্টের রোগী হওয়ায় ইসিজি করাতে অন্য একটি হাসপাতালে পাঠানো হলে তাকে আর ফেরত আনা হয়নি।
মৃত শিক্ষক ঈদগাঁও উপজেলার  ইসলামাবাদ ইউনিয়নের গজালিয়ার মৃত হামিদ উল্লাহর ছেলে। তিনি ইসলামপুর ইউনিয়নের ধর্মের ছড়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক। ২০ বছর ধরে তিনি শিক্ষকতা  করে আসছেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৩ মেয়ে এক সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে যান এ শিক্ষক।
তার সহকর্মী নুরুল করিম জানান, সিরাজ তার বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঈদগাঁও বাস-স্টেশনস্থ পপুলার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম রাশেলের অসহযোগিতা ও অবহেলার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।
স্বজনদের দাবি, পপুলার মেডিকেল সেন্টারের গাফেলতি ও অতিরিক্ত সময় ক্ষেপণের কারণে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পাওয়া যায়নি। ঘন্টা পর চিকিৎসক এসে ইসিজি পরীক্ষার জন্য অন্য একটি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেন। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করার নির্দেশ দিলে খুরুসকুল এলাকায় মাস্টার সিরাজুল ইসলাম মারা যান।
পরদিন দুপুরে জানাজায় বক্তব্যে মৃত সিরাজুল ইসলামের স্বজন এডভোকেট জসিম উদ্দীন বলেন, চিকিৎসক শামীম রাশেল চিকিৎসা কাজে অবহেলা করে ফৌজদারি অপরাধের ৩০৪ (ক) ধারার অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
এ বিষয়ে ডাক্তার শামীম রাশেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দৈনিক শত শত রোগী আসে চিকিৎসা নিতে। সিরাজুল ইসলামকেও আনা হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। তিনি হার্টের রোগী হওয়ায় প্রাথমিকভাবে ইসিজি করাতে পার্শ্ববর্তী আরেকটি ক্লিনিকে পাঠানো হয়।বলা হয়েছে ইসিজি পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে পূনরায় চেম্বারে আসতে। কিন্তু তারা না এসে সদরে চলে যায়।
এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা অবহেলা, অপচিকিৎসা বন্ধে উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও: কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে চিকিৎসকের অবহেলায় এক শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ তুলেছেন ওই শিক্ষকের স্বজনেরা। মৃত শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের বয়স ৪৫ বছর। গত সোমবার রাত দশটার দিকে ঈদগাঁও বাসস্টেশনের  পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। তবে ক্লিনিক  কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি নিছক দূর্ঘটনা। হার্টের রোগী হওয়ায় ইসিজি করাতে অন্য একটি হাসপাতালে পাঠানো হলে তাকে আর ফেরত আনা হয়নি।
মৃত শিক্ষক ঈদগাঁও উপজেলার  ইসলামাবাদ ইউনিয়নের গজালিয়ার মৃত হামিদ উল্লাহর ছেলে। তিনি ইসলামপুর ইউনিয়নের ধর্মের ছড়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক। ২০ বছর ধরে তিনি শিক্ষকতা  করে আসছেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৩ মেয়ে এক সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে যান এ শিক্ষক।
তার সহকর্মী নুরুল করিম জানান, সিরাজ তার বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঈদগাঁও বাস-স্টেশনস্থ পপুলার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম রাশেলের অসহযোগিতা ও অবহেলার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।
স্বজনদের দাবি, পপুলার মেডিকেল সেন্টারের গাফেলতি ও অতিরিক্ত সময় ক্ষেপণের কারণে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পাওয়া যায়নি। ঘন্টা পর চিকিৎসক এসে ইসিজি পরীক্ষার জন্য অন্য একটি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেন। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করার নির্দেশ দিলে খুরুসকুল এলাকায় মাস্টার সিরাজুল ইসলাম মারা যান।
পরদিন দুপুরে জানাজায় বক্তব্যে মৃত সিরাজুল ইসলামের স্বজন এডভোকেট জসিম উদ্দীন বলেন, চিকিৎসক শামীম রাশেল চিকিৎসা কাজে অবহেলা করে ফৌজদারি অপরাধের ৩০৪ (ক) ধারার অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
এ বিষয়ে ডাক্তার শামীম রাশেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দৈনিক শত শত রোগী আসে চিকিৎসা নিতে। সিরাজুল ইসলামকেও আনা হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। তিনি হার্টের রোগী হওয়ায় প্রাথমিকভাবে ইসিজি করাতে পার্শ্ববর্তী আরেকটি ক্লিনিকে পাঠানো হয়।বলা হয়েছে ইসিজি পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে পূনরায় চেম্বারে আসতে। কিন্তু তারা না এসে সদরে চলে যায়।
এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা অবহেলা, অপচিকিৎসা বন্ধে উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।