চট্টগ্রাম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংকৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে ৫ জুলাই মঙ্গলবার বেলা দু’য় কোর্টহিলস্থ আইনজীবী শাপলা ভবনের নিজস্ব চেম্বারে চট্টলার কৃতিসন্তান বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ারকে পুষ্পগুচ্চ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সাংস্কৃতিক দলের চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দ।
তিনি বলেন- আওয়ামীলীগ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ভোট বিহীন সরকার হিসেবে মানুষের কাছে অবৈধ সরকারের খেতাব লাভ করেন। তারা যখনই ক্ষমতায় আসেন তখন একেকটি কলঙ্কিত ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপর অবর্ণনীয় নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে খুন গুম মামলা হামলা অতীতের ইতিহাস ছাড়িয়ে গেছে। সাম্প্রতীককালে সিলেটসহ উত্তরবঙ্গের বন্যা দুর্গতদের কথা চিন্তা না করে পদ্মাসেতুর উদ্ভোধনী অনুষবঠানে শত কোটি টাকা খরচ করে কলঙ্কজনক অধ্যায় সৃষ্টি করেনছেন। সরকার বন্যা দুর্গতদের পর্যাপ্ত সাহায্য করেনি।
করোনাকালীন অবস্থায় মানুষের পাশে না দাড়িয়ে সরকারী ত্রাণ দলীয় লোকেরা লুটপাট করেছে। বর্তমানেও দেশে বন্যা কবলিত এলাকায় সাহায্য সহযোগীতার পরিবর্তে সরকারী দলের লোকেরা লুটপাটে লিপ্ত। আর সরকারের মিথ্যা কথা টিভির ভাসে। দেশে এহেন দুরাবস্থায় বিরোধী রাজনৈতিক দল সামাজিক সংগঠন মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য এগিয়ে যাচ্ছে সেখানেও সরকারী দলের লোকেরা বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর আক্রমন করছে আর বাধা দিচ্ছে। দেশে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কোনো স্বাধীনতা নাই। ফলে তারা প্রকৃত সংবাদ প্রকাশে ব্যর্থ হচ্ছে। আর তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক কালো আইন তৈরি করছে। বিএনপির’র চেয়ার পার্সসন সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ, বয়োবৃদ্ধ হওয়া সত্বেও সরকারের ইঙ্গিতে তাকে জামিন দেওয়া হচ্ছে না। অথচ একই সাজার অনেক আসামী দেশে বিদেশে জামিন পাওয়ার নজির আছে। সরকার অত্যান্ত নির্মমভাবে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না। তার থেকে বঞ্চিত করছেন।
ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উত্তাপন করেছেন তারাও আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু দেখতে চান। এ সময় প্রধান বক্তা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট সেকান্দারবাদশা বলেন, আওয়ামী স্বৈরশাষক বাকশালী শাষণের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে হলে গণ আন্দোলনের বিকল্প নেই।
বিশেষ অথিতি এডভোকেট আবু তাহের বলেন, আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা একেকটি কলঙ্কজনক অধ্যায় সৃষ্টি করেন। ১৯৭৪ সনের দুর্ভিক্ষ, ব্যাংক ডাকাতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ রাষ্ট্রের অবেবস্থাপনা ২০২২ সালেও স্মরণ করে দিচ্ছে।
সাংস্কৃতিক দলের নেতৃবৃন্দ গণতন্ত্র, ভোটাধিকারসহ সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। পুষ্পমাল্য প্রদানের পূর্বে চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি এডভোকেট আবুল হোছেন সিকদারের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বক্তা আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট সেকান্দারবাদশা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবু তাহের। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক কর আইনজীবী সঞ্জয় আশ্চর্য। সাংস্কৃতিক দলের সহ-সভাপতি হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ জানে আলম, এডভোকেট জামাল উদ্দিন, কর আইনজীবী সমিতির নেতা মুহাম্মদ কুতুব উদ্দিন। সাংস্কৃতিক দলের নেতা মুহাম্মদ আবু বক্কর। মুহাম্মদ আবদুল শুক্কুর, কবি অভিলাষ মাহমুদ, মুহাম্মদ হাসান সিকদার প্রমুখ।
চট্টগ্রাম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংকৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে ৫ জুলাই মঙ্গলবার বেলা দু’য় কোর্টহিলস্থ আইনজীবী শাপলা ভবনের নিজস্ব চেম্বারে চট্টলার কৃতিসন্তান বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ারকে পুষ্পগুচ্চ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সাংস্কৃতিক দলের চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দ।
তিনি বলেন- আওয়ামীলীগ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ভোট বিহীন সরকার হিসেবে মানুষের কাছে অবৈধ সরকারের খেতাব লাভ করেন। তারা যখনই ক্ষমতায় আসেন তখন একেকটি কলঙ্কিত ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপর অবর্ণনীয় নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে খুন গুম মামলা হামলা অতীতের ইতিহাস ছাড়িয়ে গেছে। সাম্প্রতীককালে সিলেটসহ উত্তরবঙ্গের বন্যা দুর্গতদের কথা চিন্তা না করে পদ্মাসেতুর উদ্ভোধনী অনুষবঠানে শত কোটি টাকা খরচ করে কলঙ্কজনক অধ্যায় সৃষ্টি করেনছেন। সরকার বন্যা দুর্গতদের পর্যাপ্ত সাহায্য করেনি।
করোনাকালীন অবস্থায় মানুষের পাশে না দাড়িয়ে সরকারী ত্রাণ দলীয় লোকেরা লুটপাট করেছে। বর্তমানেও দেশে বন্যা কবলিত এলাকায় সাহায্য সহযোগীতার পরিবর্তে সরকারী দলের লোকেরা লুটপাটে লিপ্ত। আর সরকারের মিথ্যা কথা টিভির ভাসে। দেশে এহেন দুরাবস্থায় বিরোধী রাজনৈতিক দল সামাজিক সংগঠন মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য এগিয়ে যাচ্ছে সেখানেও সরকারী দলের লোকেরা বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর আক্রমন করছে আর বাধা দিচ্ছে। দেশে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কোনো স্বাধীনতা নাই। ফলে তারা প্রকৃত সংবাদ প্রকাশে ব্যর্থ হচ্ছে। আর তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক কালো আইন তৈরি করছে। বিএনপির’র চেয়ার পার্সসন সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ, বয়োবৃদ্ধ হওয়া সত্বেও সরকারের ইঙ্গিতে তাকে জামিন দেওয়া হচ্ছে না। অথচ একই সাজার অনেক আসামী দেশে বিদেশে জামিন পাওয়ার নজির আছে। সরকার অত্যান্ত নির্মমভাবে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না। তার থেকে বঞ্চিত করছেন।
ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উত্তাপন করেছেন তারাও আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু দেখতে চান। এ সময় প্রধান বক্তা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট সেকান্দারবাদশা বলেন, আওয়ামী স্বৈরশাষক বাকশালী শাষণের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে হলে গণ আন্দোলনের বিকল্প নেই।
বিশেষ অথিতি এডভোকেট আবু তাহের বলেন, আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা একেকটি কলঙ্কজনক অধ্যায় সৃষ্টি করেন। ১৯৭৪ সনের দুর্ভিক্ষ, ব্যাংক ডাকাতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ রাষ্ট্রের অবেবস্থাপনা ২০২২ সালেও স্মরণ করে দিচ্ছে।
সাংস্কৃতিক দলের নেতৃবৃন্দ গণতন্ত্র, ভোটাধিকারসহ সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। পুষ্পমাল্য প্রদানের পূর্বে চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি এডভোকেট আবুল হোছেন সিকদারের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বক্তা আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট সেকান্দারবাদশা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবু তাহের। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক কর আইনজীবী সঞ্জয় আশ্চর্য। সাংস্কৃতিক দলের সহ-সভাপতি হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ জানে আলম, এডভোকেট জামাল উদ্দিন, কর আইনজীবী সমিতির নেতা মুহাম্মদ কুতুব উদ্দিন। সাংস্কৃতিক দলের নেতা মুহাম্মদ আবু বক্কর। মুহাম্মদ আবদুল শুক্কুর, কবি অভিলাষ মাহমুদ, মুহাম্মদ হাসান সিকদার প্রমুখ।




