নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাকলিয়ার বগার বিলস্থ শান্তিনগর এলাকাটি একটি বিশাল জনবহুল এলাকা। এ এলাকায় “জনকল্যাণ আবাসিক”এর বাসিন্দাগণ আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার জন্যে প্রত্যেক বাড়ীর মালিকদের মাসিক নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিয়েও সেবা পাচ্ছেন না। জনগণ তাদের বাসাবাড়ীর নিত্য দিনের ময়লা ফেলা নিয়ে একটা অসহনীয় অবস্থার মধ্যে চরম ভোগান্তিতে আছেন।

সূত্রে জানা যায়, জনকল্যান আবাসিক এলাকায় প্রায় ৭০/৮০ টি বিল্ডিং রয়েছে।দোকান রয়েছে,এছাড়া সেমিপাকা ঘরও রয়েছে বেশ কিছু। প্রতিটি বিল্ডিং ৩/৪/৫/৬তলা। আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী এসব বিল্ডিংয়ের বাড়ীর মালিক সহ এখানে প্রায় ৬’শ/৭’শ পরিবারের বসবাস। এখানে ভাড়াটিয়া হিসেবে যারা বসবাস করেন তাদের প্রত্যেককে প্রতি মাসের ভাড়ার সাথে বাড়ীর মালিককে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার জন্যে আলাদা ৫০টাকা হারে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।একইভাবে দোকানগুলোও টাকা দেয় বলে জানা গেছে। কিন্তু এ টাকা দেওয়ার পরও হঠাৎ করে বেশ কিছুদিন ধরে বাসাবাড়ী বা দোকানের ময়লা নেওয়ার জন্যে কোন ভ্যান আসছে না। এতে এলাকার প্রত্যেকে বিপাকে পড়ে যায়। এ এলাকায় একটু বৃষ্টির হলেই পানি জমে যায়। তখন ভ্যান আসার প্রশ্নই আসে না। এছাড়া মাঝে-মধ্যে ভ্যান আসলেও আগের মতো ‘ডোর টু ডোর’ গিয়ে ময়লা সরবরাহ করা হয় না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। কোন কোন সময় দিনের ১১টা/১২ টায় ময়লা নিতে রাস্তায় এসে যখন হুইসেল দেয় যখন বাসাবাড়ীতে কোন পুরুষ লোক থাকে না। এতে মহিলাদের পক্ষে ৩/৪/৫/৬ তলা বেয়ে নীচে নেমে ভ্যানে ময়লা ফেলে আসা সম্ভব হয় না। এছাড়া এলাকাবাসী তাদের বাসাবাড়ীর ময়লা ফেলে আসার জন্যে এখানে কোনো নির্দিষ্ট জায়গা বা ডাস্টবিনও নেই।যার কারণে অনেকে রাতের আধারে গোপনে অনেক উন্মুক্ত স্থানেই ময়লা-আবর্জনা ছুড়ে ফেলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। এ ব্যাপারে “জনকল্যাণ

আবাসিক সমিতি”র সভাপতি মোঃ মোঃ হারুনের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি জানান,সিটি কর্পোরেশন তাদের এলাকার ময়লা ফেলার কাজে দুইটা রিক্সা ভ্যান দিয়েছে। তারমধ্যে একটি খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। অপরটি নিজেদের অর্থায়নে মেরামত করে ময়লা ফেলার কাজে নিয়োজিত রেখেছেন। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার জন্যে প্রত্যেক বাসা থেকে ৫০টাকা করে দেওয়া হয় এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,প্রত্যেক ফ্যামিলি বাসা থেকে ৫০ টাকা হারে দেওয়া হয়। আবার সিঙ্গেল বাসা থেকে দেওয়া হয় ৩০ টাকা হারে। এতে যে টাকা উঠে তা দিয়ে হয় না। অনেক সময় সমিতি থেকে টাকা দিতে হয়।

সেক্রেটারি মোঃ জাহাঙ্গীর রানার সাথে একইভাবে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি জানান,আসলে ময়লা ফেলার কাজ সবাই করতে চায় না। কেবল আসে আর যায়।এ পর্যন্ত গত ১০/১৫ দিনের মধ্যে ৮ জন ময়লা ফেলার কাজে লোক বদল হয়েছে। নতুন করে আরেকজন লোক ৩/৪দিন ধরে কাজ করছে। এদের মাসিক বেতন ৬ হাজার,৮ হাজার থেকে বাড়াতে বাড়াতে এখন মাসিক ১২ হাজার টাকা দিয়েও লোক পাচ্ছেন না বলে তিনি জানান।আর আগের মতো বিল্ডিংয়ের উপরে উঠে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করাও তাদের সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়ার ওয়ার্ড কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সাথে জনকল্যাণ আবাসিক সমিতির বাসাবাড়ীর ময়লা-আবর্জনা ফেলার সমস্যার ব্যাপারে আলাপকালে তিনি দি ক্রাইমকে জানান,জনকল্যাণ আবাসিক সমিতির কোন কর্মকর্তাই তাকে এলাকার ময়লা ফেলা নিয়ে তাদের অসুবিধার কথা জানাননি। জানালে সাথে সাথেই তিনি প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতেন। এলাকার সচেতন এলাবাসী তাদের নিজেদের উদ্যোগে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা ফেলার জন্যে মাসিক ৫০ টাকা দিয়েও কেন তারা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। এ ব্যাপারে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কাজগুলোর অন্যতম বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। কিন্তু এ খাতে কোনো সময় শতভাগ বা কাছাকাছি সাফল্য দেখাতে পারেননি অতীতের কোনো মেয়র বা প্রশাসক। ২০১৭ সালে ‘ডোর টু ডোর’ প্রকল্প শুরু করে চসিক। ওই বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত তিন ধাপে কার্যকর হওয়া প্রকল্পটির আওতায় বিকেল ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রতিটি বাসাবাড়ি থেকে সরাসরি ময়লা সংগ্রহ করার কথা। এজন্য ৯ লক্ষ ছোট বিন ও ৩ হাজার ৪৩০টি বড় বিন বাসা বাড়ি, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে। বর্তমানে প্রকল্পটির কার্যক্রম গতি হারিয়ে স্থবির।

এছাড়া গত চার বছরে শহরের প্রতিটি এলাকা প্রকল্পের আওতায় আসেনি। চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের হিসাবে জালালাবাদ, পশ্চিম ষোলশহর, মোহরা ও পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকাসহ শহরের ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ বাসাবাড়ি “ডোর টু ডোর” প্রকল্পের আওতায় আসেনি। সেখানে বাসিন্দাগণ নিজ উদ্যোগে এবং নিজেদের টাকায় আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করলেও অনেক সময় টাকা দিয়েও এসব কাজে লোক না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাকলিয়ার বগার বিলস্থ শান্তিনগর এলাকাটি একটি বিশাল জনবহুল এলাকা। এ এলাকায় “জনকল্যাণ আবাসিক”এর বাসিন্দাগণ আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার জন্যে প্রত্যেক বাড়ীর মালিকদের মাসিক নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিয়েও সেবা পাচ্ছেন না। জনগণ তাদের বাসাবাড়ীর নিত্য দিনের ময়লা ফেলা নিয়ে একটা অসহনীয় অবস্থার মধ্যে চরম ভোগান্তিতে আছেন।

সূত্রে জানা যায়, জনকল্যান আবাসিক এলাকায় প্রায় ৭০/৮০ টি বিল্ডিং রয়েছে।দোকান রয়েছে,এছাড়া সেমিপাকা ঘরও রয়েছে বেশ কিছু। প্রতিটি বিল্ডিং ৩/৪/৫/৬তলা। আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী এসব বিল্ডিংয়ের বাড়ীর মালিক সহ এখানে প্রায় ৬’শ/৭’শ পরিবারের বসবাস। এখানে ভাড়াটিয়া হিসেবে যারা বসবাস করেন তাদের প্রত্যেককে প্রতি মাসের ভাড়ার সাথে বাড়ীর মালিককে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার জন্যে আলাদা ৫০টাকা হারে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।একইভাবে দোকানগুলোও টাকা দেয় বলে জানা গেছে। কিন্তু এ টাকা দেওয়ার পরও হঠাৎ করে বেশ কিছুদিন ধরে বাসাবাড়ী বা দোকানের ময়লা নেওয়ার জন্যে কোন ভ্যান আসছে না। এতে এলাকার প্রত্যেকে বিপাকে পড়ে যায়। এ এলাকায় একটু বৃষ্টির হলেই পানি জমে যায়। তখন ভ্যান আসার প্রশ্নই আসে না। এছাড়া মাঝে-মধ্যে ভ্যান আসলেও আগের মতো ‘ডোর টু ডোর’ গিয়ে ময়লা সরবরাহ করা হয় না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। কোন কোন সময় দিনের ১১টা/১২ টায় ময়লা নিতে রাস্তায় এসে যখন হুইসেল দেয় যখন বাসাবাড়ীতে কোন পুরুষ লোক থাকে না। এতে মহিলাদের পক্ষে ৩/৪/৫/৬ তলা বেয়ে নীচে নেমে ভ্যানে ময়লা ফেলে আসা সম্ভব হয় না। এছাড়া এলাকাবাসী তাদের বাসাবাড়ীর ময়লা ফেলে আসার জন্যে এখানে কোনো নির্দিষ্ট জায়গা বা ডাস্টবিনও নেই।যার কারণে অনেকে রাতের আধারে গোপনে অনেক উন্মুক্ত স্থানেই ময়লা-আবর্জনা ছুড়ে ফেলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। এ ব্যাপারে “জনকল্যাণ

আবাসিক সমিতি”র সভাপতি মোঃ মোঃ হারুনের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি জানান,সিটি কর্পোরেশন তাদের এলাকার ময়লা ফেলার কাজে দুইটা রিক্সা ভ্যান দিয়েছে। তারমধ্যে একটি খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। অপরটি নিজেদের অর্থায়নে মেরামত করে ময়লা ফেলার কাজে নিয়োজিত রেখেছেন। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার জন্যে প্রত্যেক বাসা থেকে ৫০টাকা করে দেওয়া হয় এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,প্রত্যেক ফ্যামিলি বাসা থেকে ৫০ টাকা হারে দেওয়া হয়। আবার সিঙ্গেল বাসা থেকে দেওয়া হয় ৩০ টাকা হারে। এতে যে টাকা উঠে তা দিয়ে হয় না। অনেক সময় সমিতি থেকে টাকা দিতে হয়।

সেক্রেটারি মোঃ জাহাঙ্গীর রানার সাথে একইভাবে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি জানান,আসলে ময়লা ফেলার কাজ সবাই করতে চায় না। কেবল আসে আর যায়।এ পর্যন্ত গত ১০/১৫ দিনের মধ্যে ৮ জন ময়লা ফেলার কাজে লোক বদল হয়েছে। নতুন করে আরেকজন লোক ৩/৪দিন ধরে কাজ করছে। এদের মাসিক বেতন ৬ হাজার,৮ হাজার থেকে বাড়াতে বাড়াতে এখন মাসিক ১২ হাজার টাকা দিয়েও লোক পাচ্ছেন না বলে তিনি জানান।আর আগের মতো বিল্ডিংয়ের উপরে উঠে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করাও তাদের সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়ার ওয়ার্ড কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সাথে জনকল্যাণ আবাসিক সমিতির বাসাবাড়ীর ময়লা-আবর্জনা ফেলার সমস্যার ব্যাপারে আলাপকালে তিনি দি ক্রাইমকে জানান,জনকল্যাণ আবাসিক সমিতির কোন কর্মকর্তাই তাকে এলাকার ময়লা ফেলা নিয়ে তাদের অসুবিধার কথা জানাননি। জানালে সাথে সাথেই তিনি প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতেন। এলাকার সচেতন এলাবাসী তাদের নিজেদের উদ্যোগে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা ফেলার জন্যে মাসিক ৫০ টাকা দিয়েও কেন তারা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। এ ব্যাপারে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কাজগুলোর অন্যতম বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। কিন্তু এ খাতে কোনো সময় শতভাগ বা কাছাকাছি সাফল্য দেখাতে পারেননি অতীতের কোনো মেয়র বা প্রশাসক। ২০১৭ সালে ‘ডোর টু ডোর’ প্রকল্প শুরু করে চসিক। ওই বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত তিন ধাপে কার্যকর হওয়া প্রকল্পটির আওতায় বিকেল ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রতিটি বাসাবাড়ি থেকে সরাসরি ময়লা সংগ্রহ করার কথা। এজন্য ৯ লক্ষ ছোট বিন ও ৩ হাজার ৪৩০টি বড় বিন বাসা বাড়ি, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে। বর্তমানে প্রকল্পটির কার্যক্রম গতি হারিয়ে স্থবির।

এছাড়া গত চার বছরে শহরের প্রতিটি এলাকা প্রকল্পের আওতায় আসেনি। চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের হিসাবে জালালাবাদ, পশ্চিম ষোলশহর, মোহরা ও পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকাসহ শহরের ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ বাসাবাড়ি “ডোর টু ডোর” প্রকল্পের আওতায় আসেনি। সেখানে বাসিন্দাগণ নিজ উদ্যোগে এবং নিজেদের টাকায় আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে ‘ডোর টু ডোর’ বাসাবাড়ীর ময়লা নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করলেও অনেক সময় টাকা দিয়েও এসব কাজে লোক না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।