প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সীতাকুন্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ১৬০০টি খালি সিলিন্ডার উদ্ধারসহ এলপিজি সিলিন্ডার কাটার ৩ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭। গতকাল শুক্রবার সীতাকুন্ড থানাধীন তুলাতুলি একটি তেলের ডিপোর ভিতর অবৈধ চোরাই গ্যাস সিলিন্ডার সংগ্রহ ও দখলে রাখায় তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪২), মোঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন (৩৬) ও মোঃ জহির হোসেন (৩৪)।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে ধৃত আসামীদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে উক্ত ডিপোর ভিতর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সাইজের আনুমানিক ১৬০০টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধারসহ আসামীদের গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত গ্যাস সিলিন্ডারের আনুমানিক মুল্য প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য যে, আটককৃত আসামীরা পরস্পর যোগসাজশে একে অপরের সহায়তায় দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন কোম্পানীর অধিক মূল্যের গ্যাস সিলিন্ডার বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করে এবং উক্ত গ্যাস সিলিন্ডার চোরাই জেনেও হেফাজতে নিয়ে কোন প্রকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের গ্যাস সিলিন্ডার কেটে লোহা হিসাবে রি-রোলিং মিলে বিক্রি করে সিলিন্ডার কোম্পানী গুলোর ব্যাপক ক্ষতি করে আসছে।

পক্ষান্তরে সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সমূহ প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। একই সাথে সাধারণ গ্রাহকদের ব্যবহারের সিলিন্ডারগুলি এই অপরাধ চক্র কেটে ফেলে রি-রোলিং মিলে ওজনে লোহা হিসেবে বিক্রয় করার ফলে বাজারে সিল্ডিারের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সীতাকুন্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ১৬০০টি খালি সিলিন্ডার উদ্ধারসহ এলপিজি সিলিন্ডার কাটার ৩ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭। গতকাল শুক্রবার সীতাকুন্ড থানাধীন তুলাতুলি একটি তেলের ডিপোর ভিতর অবৈধ চোরাই গ্যাস সিলিন্ডার সংগ্রহ ও দখলে রাখায় তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪২), মোঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন (৩৬) ও মোঃ জহির হোসেন (৩৪)।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে ধৃত আসামীদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে উক্ত ডিপোর ভিতর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সাইজের আনুমানিক ১৬০০টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধারসহ আসামীদের গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত গ্যাস সিলিন্ডারের আনুমানিক মুল্য প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য যে, আটককৃত আসামীরা পরস্পর যোগসাজশে একে অপরের সহায়তায় দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন কোম্পানীর অধিক মূল্যের গ্যাস সিলিন্ডার বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করে এবং উক্ত গ্যাস সিলিন্ডার চোরাই জেনেও হেফাজতে নিয়ে কোন প্রকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের গ্যাস সিলিন্ডার কেটে লোহা হিসাবে রি-রোলিং মিলে বিক্রি করে সিলিন্ডার কোম্পানী গুলোর ব্যাপক ক্ষতি করে আসছে।

পক্ষান্তরে সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সমূহ প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। একই সাথে সাধারণ গ্রাহকদের ব্যবহারের সিলিন্ডারগুলি এই অপরাধ চক্র কেটে ফেলে রি-রোলিং মিলে ওজনে লোহা হিসেবে বিক্রয় করার ফলে বাজারে সিল্ডিারের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।