ঢাকা ব্যুরো: দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির সাথে সাথে অগ্নিনিরাপত্তায় যে বর্ধিত চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় সকলকে সঠিকভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন। আজ সোমবার (২০ জুন) সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত দরবার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সকল বিভাগের বিভাগীয় উপপরিচালকগণ এবং ঢাকার বিভিন্ন জোনের উপসহকারী পরিচালকগণ নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে অনলাইনে দরবার অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
May be an image of 4 people, people standing and indoor
সকাল সোয়া ৯টায় দরবার অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত হলে মহাপরিচালককে সশ্রদ্ধ অভিবাদন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। পরে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে দরবারের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপোর অগ্নিদুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মহাপরিচালক তার বক্তব্য শুরু করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের শাহাদত বরণকারী সকল সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক হিসেবে তাকে পদায়ন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সেনাবাহিনীর প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সও একটি আধুনিক ও উন্নত বাহিনীতে পরিণত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির সাথে অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে যে বর্ধিত চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবেলার লক্ষ্যে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে সকলকে আন্তরিক থাকতে হবে। দায়িত্ব পালনের ব্যত্যয় হলে তা মেনে নেয়া হবে না। আমি সকলের ওয়েলফেয়ার যেমন দেখার চেষ্টা করবো, একই সাথে নিজ দায়িত্ব পালনে অবহেলার প্রমাণ পেলে আমি সংশ্লিষ্ট কর্কর্তা-কর্মচারীকে জবাবদিহির আওতায় আনতেও দ্বিধা করবো না।’ সকলের সম্মিলিত চেষ্টায় এই বাহিনীর সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
May be an image of 1 person and indoor
অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, কর্মচারীদের প্রাপ্যতা অনুযায়ী সকল সুবিধা ও ছুটি প্রদানের ক্ষেত্রে তাদেরকে উদার হওয়ার পরামর্শ দেন। আইন অনুযায়ী আপনাদের প্রত্যাশিত সকল বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমাকে লিখে জানাতে পারবেন। যদি মনে হয় কোনো কারণে আপনার আবেদন আমার কাছে পৌঁছায় না তাহলে আমার ফোনে সরাসরি এসএমএস করে বা ফোন করে আমাকে তা জানাতে পারবেন। এই সুযোগ বাহিনীর সকল সদস্যের জন্য উন্মুক্ত।” এরপর তিনি দরবারে উপস্থিত সদস্যদের প্রত্যাশার কথা শুনতে চান। এ সময় বেশ কয়েকজন তাঁদের প্রত্যাশা তুলে ধরেন।
মহাপরিচালক সকলকে আশ্বস্ত করে বলেন, আইন অনুযায়ী সকলের প্রত্যাশা পূরণের সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
এরপর সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনায় সফল নেতৃত্বদানের জন্য মহাপরিচালক এর হাতে অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণ সম্মিলিতভাবে অভিনন্দন স্মারক তুলে দেন। মহাপরিচালক  সশ্রদ্ধ অভিবাদন জ্ঞাপন করার মাধ্যমে সকাল ১০-৩০ ঘটিকায় দরবার শেষ করেন।
ঢাকা ব্যুরো: দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির সাথে সাথে অগ্নিনিরাপত্তায় যে বর্ধিত চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় সকলকে সঠিকভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন। আজ সোমবার (২০ জুন) সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত দরবার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সকল বিভাগের বিভাগীয় উপপরিচালকগণ এবং ঢাকার বিভিন্ন জোনের উপসহকারী পরিচালকগণ নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে অনলাইনে দরবার অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
May be an image of 4 people, people standing and indoor
সকাল সোয়া ৯টায় দরবার অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত হলে মহাপরিচালককে সশ্রদ্ধ অভিবাদন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। পরে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে দরবারের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপোর অগ্নিদুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মহাপরিচালক তার বক্তব্য শুরু করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের শাহাদত বরণকারী সকল সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক হিসেবে তাকে পদায়ন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সেনাবাহিনীর প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সও একটি আধুনিক ও উন্নত বাহিনীতে পরিণত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির সাথে অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে যে বর্ধিত চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবেলার লক্ষ্যে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে সকলকে আন্তরিক থাকতে হবে। দায়িত্ব পালনের ব্যত্যয় হলে তা মেনে নেয়া হবে না। আমি সকলের ওয়েলফেয়ার যেমন দেখার চেষ্টা করবো, একই সাথে নিজ দায়িত্ব পালনে অবহেলার প্রমাণ পেলে আমি সংশ্লিষ্ট কর্কর্তা-কর্মচারীকে জবাবদিহির আওতায় আনতেও দ্বিধা করবো না।’ সকলের সম্মিলিত চেষ্টায় এই বাহিনীর সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
May be an image of 1 person and indoor
অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, কর্মচারীদের প্রাপ্যতা অনুযায়ী সকল সুবিধা ও ছুটি প্রদানের ক্ষেত্রে তাদেরকে উদার হওয়ার পরামর্শ দেন। আইন অনুযায়ী আপনাদের প্রত্যাশিত সকল বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমাকে লিখে জানাতে পারবেন। যদি মনে হয় কোনো কারণে আপনার আবেদন আমার কাছে পৌঁছায় না তাহলে আমার ফোনে সরাসরি এসএমএস করে বা ফোন করে আমাকে তা জানাতে পারবেন। এই সুযোগ বাহিনীর সকল সদস্যের জন্য উন্মুক্ত।” এরপর তিনি দরবারে উপস্থিত সদস্যদের প্রত্যাশার কথা শুনতে চান। এ সময় বেশ কয়েকজন তাঁদের প্রত্যাশা তুলে ধরেন।
মহাপরিচালক সকলকে আশ্বস্ত করে বলেন, আইন অনুযায়ী সকলের প্রত্যাশা পূরণের সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
এরপর সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনায় সফল নেতৃত্বদানের জন্য মহাপরিচালক এর হাতে অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণ সম্মিলিতভাবে অভিনন্দন স্মারক তুলে দেন। মহাপরিচালক  সশ্রদ্ধ অভিবাদন জ্ঞাপন করার মাধ্যমে সকাল ১০-৩০ ঘটিকায় দরবার শেষ করেন।