সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধমান বিস্তার মোকাবিলায় পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব ও সাইবার ল্যাব স্থাপন, কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং একটি স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাইবার অপরাধের মামলা তদন্তে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ জানান, সাইবার জালিয়াতি, হ্যাকিং ও অনলাইন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো সিআইডি অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে তদন্ত করছে। কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য সাইবার ট্রেনিং সেন্টার, ফরেনসিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এফটিআই) ও ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলে (ডিটিএস) নতুন মডিউল যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ সদর দপ্তরের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স’ (টিওটি) কোর্স চালু করা হয়েছে, যেখানে সিআইডির কর্মকর্তারাও অংশ নিচ্ছেন।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাইবার অপরাধের অভিযোগে ১৯১টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ১০১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২টি জিআর ও ১৫৯টি সিআর মামলা রয়েছে। এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রাজধানীর রমনা বিভাগে ৮৮টি মামলা ও ১৬৩ জন গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন বিভাগে মোট কয়েকশ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সাইবার অপরাধের ভয়াবহতা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাইবার অপরাধ জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। ওটিপি শেয়ারিং, ভুয়া ফোনকল, ডিপফেক ভিডিও এবং অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে সাধারণ মানুষ সঞ্চয় হারাচ্ছেন, যা অনেককে মানসিক বিপর্যয় ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ অত্যন্ত তৎপর। এছাড়া ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, অপরাধ দমনে ডিবিতে সাইবার ল্যাব রয়েছে এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমে (সিটিটিসি) একটি ফরেনসিক ল্যাব চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সরকারের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে চলতি মাসে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। এছাড়া গত ১ অক্টোবর ঢাকায় ৪ হাজার ৫৯২ জন সদস্য নিয়ে একটি স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হয়েছে, যা একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি মিরপুরের পুলিশ স্টাফ কলেজে ৩৩২ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে ১০ দিনব্যাপী বিশেষ টিওটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যারা মাঠপর্যায়ে তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধমান বিস্তার মোকাবিলায় পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব ও সাইবার ল্যাব স্থাপন, কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং একটি স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাইবার অপরাধের মামলা তদন্তে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ জানান, সাইবার জালিয়াতি, হ্যাকিং ও অনলাইন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো সিআইডি অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে তদন্ত করছে। কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য সাইবার ট্রেনিং সেন্টার, ফরেনসিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এফটিআই) ও ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলে (ডিটিএস) নতুন মডিউল যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ সদর দপ্তরের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স’ (টিওটি) কোর্স চালু করা হয়েছে, যেখানে সিআইডির কর্মকর্তারাও অংশ নিচ্ছেন।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাইবার অপরাধের অভিযোগে ১৯১টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ১০১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২টি জিআর ও ১৫৯টি সিআর মামলা রয়েছে। এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রাজধানীর রমনা বিভাগে ৮৮টি মামলা ও ১৬৩ জন গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন বিভাগে মোট কয়েকশ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সাইবার অপরাধের ভয়াবহতা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাইবার অপরাধ জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। ওটিপি শেয়ারিং, ভুয়া ফোনকল, ডিপফেক ভিডিও এবং অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে সাধারণ মানুষ সঞ্চয় হারাচ্ছেন, যা অনেককে মানসিক বিপর্যয় ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ অত্যন্ত তৎপর। এছাড়া ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, অপরাধ দমনে ডিবিতে সাইবার ল্যাব রয়েছে এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমে (সিটিটিসি) একটি ফরেনসিক ল্যাব চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সরকারের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে চলতি মাসে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। এছাড়া গত ১ অক্টোবর ঢাকায় ৪ হাজার ৫৯২ জন সদস্য নিয়ে একটি স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হয়েছে, যা একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি মিরপুরের পুলিশ স্টাফ কলেজে ৩৩২ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে ১০ দিনব্যাপী বিশেষ টিওটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যারা মাঠপর্যায়ে তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।