দি ক্রাইম ডেস্ক: সিলেট নগরীর একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে নগরীর রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসায় মরদেহগুলো দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

নিহতরা হলেন ওই বাসার বাসিন্দা হাজি আব্দুস সাত্তার মিয়া ও তার স্ত্রী। অপর নিহত নারীকে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ওই বাসায় তিনজনের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হাজি আব্দুস সাত্তার মিয়া এলাকায় প্রবীণ মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে কী কারণে এবং কারা তাদের হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি, গলাকাটা অবস্থায় তিনজনের মরদেহ একটি বাড়িতে রয়েছে। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।’

ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: সিলেট নগরীর একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে নগরীর রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসায় মরদেহগুলো দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

নিহতরা হলেন ওই বাসার বাসিন্দা হাজি আব্দুস সাত্তার মিয়া ও তার স্ত্রী। অপর নিহত নারীকে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ওই বাসায় তিনজনের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হাজি আব্দুস সাত্তার মিয়া এলাকায় প্রবীণ মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে কী কারণে এবং কারা তাদের হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি, গলাকাটা অবস্থায় তিনজনের মরদেহ একটি বাড়িতে রয়েছে। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।’

ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।