দি ক্রাইম ডেস্ক: নগরের আকবর শাহ থানা এলাকায় প্রায় ৯ বছর আগে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক গাড়িচালককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আফরোজা জেসমিন কলি এ রায় দেন। এসময় দণ্ডিত মো. জাফর আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মো. জাফর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী কোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দ মো. হাশেমের ছেলে। ২০১৮ সালের ১২ মার্চ নগরের আকবর শাহ থানার পূর্ব ফিরোজশাহ কলোনি এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় জাফরের প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাবের এক কর্মকর্তা বাদী হয়ে আকবর শাহ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

তদন্তে জানা যায়, জাফর তার গাড়ি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রামে মাদক পরিবহন করতেন। পরে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাঈম হোসেন বলেন, আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আসামির বিরুদ্ধে পাঁচজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা প্রদান করেছেন।

দি ক্রাইম ডেস্ক: নগরের আকবর শাহ থানা এলাকায় প্রায় ৯ বছর আগে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক গাড়িচালককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আফরোজা জেসমিন কলি এ রায় দেন। এসময় দণ্ডিত মো. জাফর আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মো. জাফর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী কোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দ মো. হাশেমের ছেলে। ২০১৮ সালের ১২ মার্চ নগরের আকবর শাহ থানার পূর্ব ফিরোজশাহ কলোনি এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় জাফরের প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাবের এক কর্মকর্তা বাদী হয়ে আকবর শাহ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

তদন্তে জানা যায়, জাফর তার গাড়ি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রামে মাদক পরিবহন করতেন। পরে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাঈম হোসেন বলেন, আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আসামির বিরুদ্ধে পাঁচজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা প্রদান করেছেন।