দি ক্রাইম ডেস্ক: রেলযাত্রায় টিটিই কর্তৃক কিংবা কাউন্টার থেকে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী সরকার নির্ধারিত হারে টিটিই কর্তৃক কিংবা কাউন্টার থেকে ভাড়া আদায় করা হয়। এক্ষেত্রে বিনা রসিদে বর্ধিত ভাড়া আদায়ের কোন দৃষ্টান্ত নেই।
বুধবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টিটিই কর্তৃক এবং কাউন্টার থেকে ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এ বিষযে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো-কোন বিনা টিকিটের যাত্রী টিটিই কর্তৃক ধৃত হলে, বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনের যাত্রা আরম্ভের স্টেশন থেকে গন্তব্য স্টেশনের মূল ভাড়া এবং ভাড়ার সমপরিমাণ জরিমানা আদায়ের বিধান রয়েছে।
সম্প্রতি জনৈক যাত্রী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে সিলেট থেকে বিনা টিকেটে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে এসে টিটিইর কাছে ধরা পড়েন। সিলেট-ঢাকা রেগুলার ভাড়া ৪১০ টাকা। সে হিসেবে, ভাড়া ও জরিমানা বাবদ উক্ত যাত্রীর নিকট হতে রেলওয়ের আইন অনুযায়ী ৮২০ টাকা আদায় করা হয়েছে।
শর্ট ডিসটেন্সের টিকেট নিয়ে কোন যাত্রী যেনো অধিক দূরত্বে গমন করতে না পারে, এজন্য ঈদের সময় শর্ট ডিসটেন্সের টিকেট বন্ধ রাখার জন্য রেল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা দেওয়া আছে।
সম্প্রতি একজন যাত্রীকে নরসিংদীর টিকিট না থাকায়, আখাউড়া স্টেশনের শোভন চেয়ারের টিকিট দেওয়া হয়েছে। এই টিকিট এর ভাড়া ১৯৫ টাকা। নির্ধারিত এই ভাড়া আদায় সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে আখাউড়ার টিকিট দেওয়া হয়েছে। এখানে কোন রেলকর্মী কর্তৃক অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেনি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি সরকারি গণপরিবহন। ভাড়া আদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সরকারের বেতনভুক্ত কর্মচারী। নির্ধারিত নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত কোনো অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ কোনো রেলকর্মীর নেই। যদি কোনো রেলকর্মীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুস্পষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু অজ্ঞতাপ্রসূত এ ধরনের ভুল তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচকভাবে প্রচার করলে রেলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। সংশ্লিষ্ট যাত্রী সাধারণসহ সবাইকে এ ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।




